২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের উঠেই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে প্যারাগুয়ে। রাউন্ড অব ৩২-এর লড়াইয়ের তারা চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির মুখোমুখি হবে। তবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে নিয়ে ভয় নয়, বরং আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামতে প্রস্তুত লাতিন আমেরিকার দলটি।
একই দৃড়তার কথা জানালেন কোচ গুস্তাভো আলফারো। তিনি ফুটবলারদের জীবনের সেরা এই সুযোগটি কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৪-১ ব্যবধানে হারের ধাক্কা সামলে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি ঘুরে দাঁড়ায়। এরপর তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলগুলোর একটি হিসেবে ২০০২ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের বাধা পার করে তারা।
অন্যদিকে জার্মানি ‘ই’ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে পরের ধাপে উঠলেও, নিজেদের শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের কাছে হেরে যায় তারা। এছাড়া আইভরি কোস্টের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের জয়েও তাদের পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো ছিল না।সংবাদ সম্মেলনে আলফারো বলেন, তারা বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার, তবে আমরা মাঠে নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দেব। এটি আমাদের জন্য একটি চমৎকার ও দারুণ চ্যালেঞ্জ। আমরা বিশ্বমঞ্চে অঘটনের জন্ম দিতে চাই।
২০২৪ কোপা আমেরিকায় গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই হারের মতো বিপর্যয়কর পরিস্থিতির পর আলফারো প্যারাগুয়ের দায়িত্ব নেন। প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের মানসিক শক্তির প্রশংসা করে তিনি বলেন, নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার মাধ্যমেই তারা তাদের লক্ষ্য পূরণ করে ফেলেছে।
আলফারো আরও বলেন, আমরা গতকাল গভীর রাতে এখানে পৌঁছেছি। জার্মানির মতো দলের বিপক্ষে ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য এটি আদর্শ সময় নয়। তবে দল হিসেবে আমি এদের ওপর এবং কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি। আমি খেলোয়াড়দের বলেছি, এটিই আমাদের প্রথম বিশ্বকাপ। এখানে পৌঁছানোর জন্য আমরা যে সাফল্য দেখিয়েছি, তা আমাদের স্বীকার করে নেওয়া উচিত।
বোস্টনে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচের বিজয়ীরা পরবর্তী ধাপে শক্তিশালী ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে।
বিডি প্রতিদিন/আরকে