শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ মে, ২০২০ ২৩:৫০

মওকুফের চিঠি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের

মেসে না থেকেও কুবি শিক্ষার্থীদের কাছে ভাড়া দাবি মালিকের

কুমিল্লা প্রতিনিধি

মেসে না থেকেও কুবি শিক্ষার্থীদের কাছে ভাড়া দাবি মালিকের
ফাইল ছবি

শিক্ষার্থীরা মেসে অবস্থান করেননি। তবুও মেস মালিকরা শিক্ষার্থীদের ভাড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে। করোনাকালীন এ পরিস্থিতিতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পক্ষে ভাড়া প্রদান করা সম্ভব নয়। অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী টিউশনি করে পড়ার খরচ চালালেও এ পরিস্থিতিতে টিউশনি করতে পারছে না। চার হাজার শিক্ষার্থী এনিয়ে বিপাকে পড়েছে। 

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া মওকুফের জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে রবিবার (১৭ মে) কুমিল্লার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের নিকট চিঠি পাঠিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আবু তাহের স্বাক্ষরিত চিঠিগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিকট প্রেরণ করা হয়।

চিঠি দেয়া হয় কুমিল্লা- ৬ আসনের সংসদ সদস্য আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, জেলা প্রশাসক মোঃ আবুল ফজল মীর, পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সদর দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মিয়া মোহাম্মাদ কেয়ামউদ্দিনের নিকট।

চিঠিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় গত ১৮ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ও মেসসমূহ পরিত্যাগ করে যার যার স্থায়ী ঠিকানায় চলে যায়। আবাসিক ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা, কোটবাড়ি, কুমিল্লা নগরীসহ অন্যান্য এলাকায় মেস ভাড়া করে থাকে। মার্চ মাসের অর্ধাংশ, এপ্রিল ও মে মাসে শিক্ষার্থীরা মেসে অবস্থান করেননি। তথাপিও মেস মালিকরা শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে। করোনাকালীন এ পরিস্থিতিতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পক্ষে ভাড়া প্রদান করা সম্ভব নয়। অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী টিউশনি করে পড়ার খরচ চালালেও এ পরিস্থিতিতে টিউশনি করতে পারছে না। কাজেই করোনাকালীন সময়ে সকল শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করা খুবই জরুরি।

উল্লেখ্য, বর্তমানে করোনাভাইরাসজনিত উদ্ভুত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা মেস থেকে বাড়িতে চলে গেছেন। ফলশ্রুতিতে টিউশন অন্যান্য কাজের সুযোগ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের আয়ের পথ সীমিত হওয়ায় শিক্ষা ব্যয় ও ছুটিকালীন মেস-বাসা ভাড়া নিয়ে শিক্ষার্থীরা গভীর উদ্বিগ্ন।


বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য