শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৩, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫

শেষ পর্ব

জেলায় জেলায় গডফাদার কামাল যাদের ‘সর্দার’

আসাদুজ্জামান খান : বস্তায় ঘুষ খান
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
জেলায় জেলায় গডফাদার কামাল যাদের ‘সর্দার’

আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ ছিল একটি লুটতন্ত্র, মাফিয়াতন্ত্র। প্রতিটি সংসদীয় এলাকা একজন করে মাফিয়ার কাছে জিম্মি ছিল। দেশের প্রচলিত আইন, বিচারব্যবস্থা নয়, বরং ওই সন্ত্রাসী মাফিয়া এবং মাদক কারবারির নির্দেশেই চলত পুরো নির্বাচনি এলাকা। বিনা ভোটের এসব এমপি জনপ্রতিনিধি ছিলেন না, ছিলেন মাফিয়া সন্ত্রাসীদের প্রতিনিধি। কোনো এলাকায় জনগণের কথা বলার অধিকার ছিল না। সব সময় মাফিয়া সর্দার যা বলতেন, সে অনুযায়ী চলত এলাকার আইনকানুন, নীতি, প্রশাসন সবকিছু। পুলিশের নিয়োগ দেওয়া হতো এমনভাবে যেন ওই মাফিয়া সর্দারের পছন্দসই হয়। ডিওর মাধ্যমে মাফিয়ারা তার পছন্দের ওসি, এসপি, জেলা প্রশাসক, ইউএনওকে পদায়ন করতেন। তাদের প্রধান কাজ ছিল মাফিয়া নেটওয়ার্কের কর্মকা রক্ষা করা। তাদের বিরুদ্ধে যারাই কথা বলবে তাদের টুঁটি চেপে ধরা হতো। বিরুদ্ধমত দমন করা হতো কঠোরভাবে। আর এসব মাফিয়ার গডফাদার ছিলেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। মাফিয়ারা যেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছত্রছায়ায় সব অপকর্ম করতে পারে তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ছিল তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের।

নারায়ণগঞ্জে যেমন মাফিয়া সর্দার ছিলেন শামীম ওসমান, রূপগঞ্জে ছিলেন গাজী গোলাম দস্তগীর, জামালপুরে মির্জা আজম, টাঙ্গাইলে ছোট মনির, নোয়াখালীতে একরামুল করিম চৌধুরী, মাগুরায় শিখর, ফেনীতে নিজাম হাজারী, কুমিল্লায় তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রামে সাইফুজ্জামান চৌধুরী, কক্সবাজারে বদি। এভাবে সারা দেশকে যেন ৩০০টি ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। প্রতিটি এলাকায় একজন গডফাদার ছিলেন। দেশের পুলিশবাহিনীকে করা হয়েছিল তাদের অনুগত। এ মাফিয়াতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। আওয়ামী লীগের টানা তিন মেয়াদের শাসনামলের দ্বিতীয় মেয়াদে এসে কামাল প্রথমে হয়েছিলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু দ্রুতই তিনি তাঁর মাফিয়া নেটওয়ার্কের মন জয় করে ফেলতে পারেন। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি বুঝিয়ে দেন যে তিনি আসলে জনগণের সেবক হবেন না। জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্ব তাঁর নয়, বরং তিনি আসলে আওয়ামী সন্ত্রাসী, লুটপাটকারী এবং মাদক কারবারিদের রক্ষা করবেন। তারা যেন অবাধে লুটপাট করে সম্পদের পাহাড় গড়তে এবং বিদেশে সম্পদ পাচার করতে পারে তা নিশ্চিত করা ছিল আসাদুজ্জামান খানের প্রথম লক্ষ্য। এ কারণেই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে তিনি প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হন। আওয়ামী লীগের ইতিহাসে তো নয়, বাংলাদেশের রাজনীতিতেও এত দ্রুত প্রতিমন্ত্রী থেকে কেউ পূর্ণমন্ত্রী হতে পারেননি। পূর্ণমন্ত্রী হওয়ার পর আসাদুজ্জামান খান বাংলাদেশে ত্রাসের রাজত্ব করেছিলেন। গোটা দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল লুটতন্ত্র, মাফিয়াতন্ত্র।

আসাদুজ্জামান খানের অপকর্ম ছিল কয়েক ভাগে বিভক্ত। প্রথমত তিনি যতরকম পুলিশ নিয়োগ, পোস্টিং হতো সবকটি থেকে নিয়মিত অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা করতেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনী যেমন আনসার নিয়োগ এবং বদলিতে মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহণ করতেন। এসব সংস্থায় নতুন যে নিয়োগগুলো হতো, সেগুলোয় তিনি মোটা অঙ্কের টাকা পেতেন। মেধা বা পরীক্ষার ভিত্তিতে নয়, কামালের একটি তালিকার মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে সব নিয়োগ হতো। সে তালিকায় যে শুধু কামালের পছন্দের ব্যক্তি থাকত এমনটি নয়, সারা দেশে যে মাফিয়াচক্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সে চক্রের লোকেরা পাঠাত তালিকা এবং বস্তা ভর্তি টাকা। সে টাকা এবং তালিকা অনুযায়ী কাজ করতেন কামাল। ফলে আস্তে আস্তে কামালের রাজত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার নিরপেক্ষতা হারায়। পুলিশবাহিনী পরিণত হয় আওয়ামী পুলিশবাহিনীতে। র‌্যাব পরিণত হয় নিষ্পেষণের যন্ত্র হিসেবে। এ ছাড়া কামাল গড়ে তোলেন ‘আওয়ামী বাহিনী’।

আসাদুজ্জামান খানের আরেকটি অপকর্ম ছিল বিরোধীমত দমন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করে জঙ্গিবাদ দমনের নামে আলেমওলামাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালান। তাদের জঙ্গি বানিয়ে জঙ্গি অভিযানের নাটক সাজান এবং এসব নাটকের মাধ্যমে বহু মানুষকে হত্যা করেন। একদিকে যেমন কামাল ক্রসফায়ার প্রথা চালু করেছিলেন, যেখানেই বিরুদ্ধমত হবে, সেখানেই ক্রসফায়ারের মাধ্যমে তাদের হত্যা করা হবে, অন্যদিকে তিনি চালু করেছিলেন জঙ্গি নাটক। এসব জঙ্গি নাটকের মাধ্যমে বিরোধী পক্ষকে দমন করা ছিল তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য।

বিরোধীমত দমনের জন্য গুম, হত্যা, সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যারাই কামাল বা তাঁর মাফিয়া সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বলতেন, তাদের বিরুদ্ধেই নেমে আসত খড়্গ। আমরা সবাই ইলিয়াস আলী গুমের কথা জানি। ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছিল শুধু এ মাফিয়াতন্ত্রের বিরোধিতা করার জন্য। শুধু তাই নয়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদকেও গুম করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। তাঁকে ভারতে ফেলে রেখে আসা হয়। সেখান থেকে ভারতীয় বাহিনী তাঁকে উদ্ধার করে।

বসুন্ধরা মিডিয়া এ সময় আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে প্রথম সোচ্চার হয়। সারা দেশে বিভিন্ন আওয়ামী সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে বসুন্ধরা গ্রুপই প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করতে শুরু করে। এসব প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে বসুন্ধরাকে সরাসরি হুমকি দেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বসুন্ধরা মিডিয়া বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। শুধু তাই নয়, এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপকেও ‘আয়নাঘরে’ পাঠানো হবে, গুম করা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছিলেন। এভাবে যারাই কামালের মাফিয়া নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো কথা বলেছেন, তাদের নিগৃহীত হতে হয়েছে। কামাল তাঁর দুর্নীতি, অপকর্ম, লুটপাট ইত্যাদি বাধাহীনভাবে করার জন্য শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। আস্থাভাজন হওয়ার জন্য তিনি ‘কসাই কামাল’ হিসেবে আবির্ভূত হন এবং নির্মমভাবে বিরোধী পক্ষের ওপর দমনপীড়ন শুরু করেন। বিরোধী পক্ষের ওপর একের পর এক মামলা-হামলা করে তাদের জেলে পোরার রেকর্ড তৈরি করেন কামাল। কামালই হলেন প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যিনি ‘গায়েবি মামলা’র সংস্কৃতি চালু করেছিলেন। মামলা করতে গিয়ে তিনি এমনই বেহুঁশ হয়ে পড়েছিলেন যে কে বেঁচে আছে, কে মারা গেছে সে খেয়ালও রাখতে পারতেন না। এমনকি মৃত ব্যক্তিকেও হত্যা মামলার আসামি বানিয়েছিলেন কামাল।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের অনুসন্ধানে দেখা যায়, কামাল তাঁর ১০ বছরের শাসনামলে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ২৭ হাজার মামলা করেছিলেন সারা দেশে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে এসব মামলাই ছিল বানোয়াট, মিথ্যা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এসব মামলায় গ্রেপ্তার হননি এমন কোনো বিএনপি নেতাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর থেকে শুরু করে একদম স্থানীয় পর্যায়ের কর্মী পর্যন্ত কামালের নিগ্রহের শিকার হয়েছেন।

সারা দেশে কামালের নেটওয়ার্কের মূল উৎস ছিলেন প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় প্রতিষ্ঠিত মাফিয়া গডফাদাররা। তারা যেসব তথ্য দিতেন, যাকে গ্রেপ্তার করতে বলতেন কামাল পুলিশবাহিনীকে তাদের গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দিতেন। এভাবে সারা দেশে একদিকে যেমন লুটপাট, সন্ত্রাস এবং মাদক কারবার রমরমা করা হয়েছিল, অন্যদিকে বিরোধী দল যেন কোনোভাবে গণতন্ত্রের জন্য, তাদের অধিকারের জন্য প্রতিবাদ করতে না পারে তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা হয়েছিল ভোটারবিহীন মাফিয়া এমপিদের কাছে। আসাদুজ্জামান খান কামালের এ রাজত্বে আইনশৃঙ্খলা বলে কোনো কিছু ছিল না। পুরো দেশ পরিণত হয়েছিল একটি সন্ত্রাসের জনপদে। সন্ত্রাসীরাই এখানে বুক চিতিয়ে ঘুরত। যারা নিরীহ নাগরিক, তারা ভয়ে কুণ্ঠিত অবস্থায় থাকত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আসাদুজ্জামান খান কামালের আরেকটি বড় অপকর্ম হলো তিনি ছাত্রলীগ, যুবলীগকে অকাতরে অস্ত্রের লাইসেন্স দিয়েছেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, কামালের ১০ বছরের মন্ত্রিত্বের সময় প্রায় ৩২ হাজার অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়। সবই দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের ক্যাডারদের। বিরোধী দলের আন্দোলন দমনের জন্য এসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, এ সময় কামাল অবৈধ অস্ত্র হাতে তুলে দিয়েছিলেন ছাত্রলীগ, যুবলীগের হাতে। বিভিন্ন সময় পুলিশ যখন এ অবৈধ অস্ত্রের কথা বলত, তখন তিনি তাদের এসব বিষয় নিয়ে মাথা না ঘামানোর নির্দেশনা দিতেন। আর এর ফলে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে একদিকে যেমন পুলিশবাহিনী কাজ করত, নির্বিচার গুলি চালাত, হত্যা-গুম করত; অন্যদিকে কামালের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল ‘হেলমেট বাহিনী’। যারা মূলত আওয়ামী সন্ত্রাসী, তারা বিরোধী দলের ওপর চড়াও হতো। এভাবেই একটি ‘প্যারালাল সন্ত্রাসী বাহিনী’ তৈরি করেছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাজ হলো ‘দুষ্টের দমন, শিষ্টের লালন’; কিন্তু কামালের রাজত্বে ছিল ‘দুষ্টের লালন, শিষ্টের দমন’।

 

এই বিভাগের আরও খবর
ক্ষমতায় গেলে গুম প্রতিরোধে আইন করবে বিএনপি
ক্ষমতায় গেলে গুম প্রতিরোধে আইন করবে বিএনপি
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
সংকুচিত হচ্ছে অর্থনীতি
সংকুচিত হচ্ছে অর্থনীতি
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
ষড়যন্ত্রে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন
ষড়যন্ত্রে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সংশয় রয়েছে
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সংশয় রয়েছে
দেশে উগ্রপন্থি রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র চলছে
দেশে উগ্রপন্থি রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র চলছে
সর্বশেষ খবর
জাকসু নির্বাচনে আরও নতুন ৩ প্যানেলের আত্মপ্রকাশ
জাকসু নির্বাচনে আরও নতুন ৩ প্যানেলের আত্মপ্রকাশ

এই মাত্র | ক্যাম্পাস

বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা
বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা

১১ সেকেন্ড আগে | পাঁচফোড়ন

মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

১৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

১৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৩৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৩৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৪৫ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৫৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক
ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা