জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, বাংলাদেশে ভোট চুরির রাজনীতি হাসিনার পালানোর পর পর শেষ হয়ে গেছে। দেশে ভোটাধিকার রক্ষায় জনগণকেই সচেতন ও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
মঙ্গলবার উপজেলার সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর ঘোষাই বাড়ি মাঠে আয়োজিত একটি উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, অনেকেই এখন ভোটকেন্দ্র দখল ও ভোট চুরির পরিকল্পনা করছে, যারা এ পরিকল্পনা করছেন আপনারা সাবধান হয়ে যান। এখানে যারা আছেন, আপনারা ফজরের নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে পাহারায় যাবেন। এবার ভোট চুরি প্রতিহত করতে রাজনৈতিক নেতার দরকার নেই; যারা জুলাই আন্দোলনে রাস্তা নেমে এসেছে তারাই ঠেকাবে। জুলাই আন্দোলনের সময় আমার মা বোনেরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে আমাদের পানি খাইওয়াইছে তারাই এবার ভোট চুরি ঠেকাবে। বাংলাদেশে ভোট চুরির রাজনীতি হাসিনার পালানোর পর পর শেষ হয়ে গেছে। যারা এই ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করবে তাদেরকেও হাসিনার পরিণতি ভোগ করতে হবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, নির্বাচনের সময় কিছু মহল ভোটকেন্দ্র ঘিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে। ভোটের দিন সাধারণ মানুষই হবে ভোটকেন্দ্রের প্রকৃত পাহারাদার। জনগণের সক্রিয় উপস্থিতিই সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করবে।
তিনি আরও বলেন, একটি দল গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলে সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকবে না বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে, হ্যাঁ ভোটের শর্তের কোথাও কি এই কথা লেখা আছে? আপনারা নির্বাচনে দুটি ভোট দিবেন একটি শাপলাকলি আরেকটি হ্যাঁ ভোট। পরবর্তী বাংলাদেশের বিনির্মাণ হ্যাঁ ভোটের উপর নির্ভর করে গড়ে উঠবে।
এ সময় কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কুমিল্লা জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জামসেদ হোসেন, দেবিদ্বার উপজেলা জামাতের আমির মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. শরীফুল ইসলাম সরকার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা এনসিপির সার্চ কমিটির সভাপতি সমাঈল হোসেন ও সুবিল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির তাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।