শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ জুলাই, ২০১৯ ২৩:৪৮

হস্তক্ষেপ করবে না হাই কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

হস্তক্ষেপ করবে না হাই কোর্ট

বরগুনায় প্রকাশ্য দিবালোকে শাহ নেওয়াজ রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় নিহতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে নেওয়া রিমান্ড বাতিল চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করা হলেও আদালত কোনো আদেশ দেয়নি। আদালত বলেছে, ‘মামলাটি তদন্ত পর্যায়ে রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে আমরা হস্তক্ষেপ করব না।’ বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ গতকাল এ মন্তব্য করে। মিন্নির রিমান্ড নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন রিমান্ড বাতিলের নির্দেশনা চেয়েছিলেন। বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখিয়ে আইনজীবী ফারুক হোসেন বলেন, ‘এ মামলার প্রধান সাক্ষী ছিলেন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। বাদীর সবচেয়ে আস্থাভাজন হিসেবেই মিন্নিকে এক নম্বর সাক্ষী করা হয়েছে। অথচ তাকে ১২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে নির্যাতন করে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এরপর রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এটা অমানবিক। মূল হোতাদের আড়াল করতেই মামলার প্রধান সাক্ষীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো কয়েকজন গ্রেফতার হয়নি। তাদের গ্রেফতারে প্রশাসন বড় কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ প্রধান সাক্ষীকে গ্রেফতার করা হলো।’ আইনজীবী ফারুক হোসেন বলেন, ‘মিন্নি এ মুহূর্তে স্বামীশোকে কাতর। আমরা আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির রিমান্ড বাতিল ও মামলা সঠিক পথে পরিচালনার নির্দেশনা চাইছি।’ এ সময় আদালত বলে, ‘পুলিশ তদন্ত করছে। এ অবস্থায় আমরা হস্তক্ষেপ করতে পারি না।’

 

আইনজীবী বলেন, ‘তদন্ত সঠিক পথে হতে হবে। মিন্নিকে ১২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে আদালতে তোলা হয়। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড দিয়েছে। তিনি তো সাক্ষী। তাকে পরেও গ্রেফতার করা যেত। তাই বিষয়টি উচ্চ আদালতের দেখা উচিত। এ ছাড়া তার পক্ষে কোনো আইনজীবীও দাঁড়াচ্ছেন না।’

এ সময় আদালত বলে, ‘পুলিশ বলছে, তার (মিন্নি) বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে। এখন আপনার কিছু করার থাকলে ফৌজদারি আইন ও নিয়ম মেনে করুন। যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন।’ আদালত বলে, ‘নিম্ন আদালতেই এই আবেদন (রিমান্ড বাতিল) করার সুযোগ রয়েছে। আপনারা সেখানে যান। আদালত পরিবর্তনের আবেদনও করতে পারেন। এমনকি ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী হাই কোর্টেও বিচার করার আবেদনের সুযোগ রয়েছে।’


আপনার মন্তব্য