শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১ আপডেট:

কাল থেকে সীমিত, বৃহস্পতিবার শুরু সর্বাত্মক লকডাউন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
কাল থেকে সীমিত, বৃহস্পতিবার শুরু সর্বাত্মক লকডাউন

ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় আগামীকাল থেকে সীমিত পরিসরে এবং আগামী ১ জুলাই থেকে সাত দিন সারা দেশে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ ঘোষণা করছে সরকার। প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার গতকাল জানান, সোমবার থেকে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করার কথা থাকলেও তা আগামী ১ জুলাই থেকে সাত দিন ঘোষণা করা হবে। সোমবার থেকে সীমিত পরিসরে লকডাউন চলবে। আগামীকাল (আজ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে বিধিনিষেধ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে।

গতকাল সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে  উচ্চপর্যায়ের এক ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছিলেন, সোমবার থেকে সাত দিন এ কঠোর লকডাউন চলবে। এরপর প্রয়োজন মনে করলে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করা হবে। এবারের লকডাউনের মধ্যে জরুরি কারণ ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে যেতে পারবে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, মানুষ যাতে বিধিনিষেধ মানে, সে জন্য কাজ করবে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী। বিধিনিষেধের মধ্যে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্ট  সূত্রগুলো বলছে, আগামীকাল থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দেওয়া হলেও অর্থবছরের শেষ সময় হওয়ায় সিদ্ধান্তে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। সোমবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ হয়ে যাবে। মার্কেট, হোটেল রেস্তোরাঁসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে লকডাউন শুরু হবে। এ সময়ে কিছু কার্যক্রম চালু থাকবে। আর ১ জুলাই থেকে সাত দিনের সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হবে।

বাজেটের কাজে সহযোগিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক শাখা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ কয়েকটি অফিস আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত খোলা থাকবে বলে জানিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী। লকডাউনের সময়ে জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত যানবাহন এবং গণমাধ্যম নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না।

কঠোর লকডাউনে শিল্পকারখানা খোলা, ব্যাংক চলবে সীমিত পরিসরে : আগামীকাল থেকে বুধবার পর্যন্ত বর্তমান নিয়মে শিল্পকারখানা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। আর বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর লকডাউন শুরু হলে তখনো শিল্পকারখানা খোলা থাকবে।  আর ওই সময় রপ্তানি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং সেবাও চালু থাকবে। তবে ব্যাংকের লেনদেনের সময়সীমা কী হবে, তা নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাংক খোলা থাকলে শেয়ারবাজারও চালু থাকবে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পণ্য পরিবহন যথারীতি চলবে। বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া সর্বাত্মক লকডাউনেও কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে পোশাক কারখানাসহ শিল্পকারখানা চালু থাকবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈঠকে অংশ নেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

এদিকে আগামীকাল থেকে লকডাউনের আগাম ঘোষণায় এরই মধ্যে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিকল্পভাবে মানুষজন ঢাকা ছাড়ছেন। অনেকেই ঢাকায় ফিরছেন ব্যক্তিগত পরিবহন বা ছোট পরিবহনে।

গতকাল সকালে ঢাকার প্রবেশমুখে মানুষের ঢল নামে। ঘাটে ঘাটে ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বাস বন্ধ থাকায় কয়েক ধাপে ভেঙে ভেঙে কয়েক গুণ ভাড়া বেশি দিয়ে গন্তব্যে ছুটছেন সাধারণ মানুষ। একইভাবে ঢাকায় ফিরছেন বিকল্প উপায়ে। সকাল থেকেই পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ঘাটে জনস্রোত দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে রাজধানীতে দিনভরই ছিল যানজট। ঢাকার চারপাশে সাত জেলায় লকডাউন থাকলেও যানজট ছিল চোখে পড়ার মতো।

রাজধানীতে প্রবেশমুখগুলোতে দেখা গেছে, প্রতিটি গাড়িকেই পুলিশের তল্লাশি চৌকি পার হতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনো গাড়িকেই ঢাকায় ঢুকতে বা বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতেও ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না মানুষের ঢল। সকালে ঢাকায় প্রবেশ ও বাহিরের অন্যতম সড়ক গাবতলী এলাকা, ঢাকা-মাওয়া রোড, ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে সবকিছু উপেক্ষা করেই ছুটছেন নারী-পুরুষ। লকডাউনের কথা শুনেই আগে আগে রাজধানী ছাড়ছেন তারা। এমন পরিস্থিতিতে যানবাহন না পেয়ে অনেকেই কাভার্ড ভ্যান, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন বিকল্প বাহনে অনেক গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। মানুষের দুর্ভোগও বেড়েছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধ যাত্রীদের কষ্টের সীমা ছিল না।

আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

মুন্সীগঞ্জ : করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সারা দেশে কঠোর লকডাউনের পঞ্চম দিনেও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে যাত্রীর চাপ বেড়েছে। শাটডাউনের ঘোষণায় মানুষ বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছেন। এ কারণে গত কয়েক দিনের তুলনায় মাওয়ার শিমুলিয়া ঘাটে মানুষের চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ। ফেরিতে পারাপার হচ্ছেন হাজারো মানুষ। ফেরিতে পণ্যবাহী ট্রাক ও জরুরি যানবাহন থেকে যাত্রীর সংখ্যাই বেশি। তবে কাউকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। আবার অনেকে মুখে মাস্কও পরেননি। গতকাল সকালে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ঢাকামুখী যাত্রীর সংখ্যা কিছুটা বেশি। শুধু পণ্যবাহী ও জরুরি যানবাহন পারাপারের কথা থাকলেও ফেরিতে ব্যক্তিগত গাড়িও পারাপার হতে দেখা যায়। এদিকে, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের কয়েকটি পয়েন্টে ও শিমুলিয়া ঘাটের প্রবেশ মুখে রয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। চেকপোস্টে যাত্রী চলাচল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে পুলিশ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘নৌরুটে ১৬টি ফেরির মধ্যে বর্তমানে ১৪টি ফেরি সচল রয়েছে। দুটি ফেরি মেরামতের কাজ চলছে। সকাল থেকে যাত্রীদের কিছুটা ভিড় রয়েছে। তবে গাড়ির চাপ নেই। লকডাউনের আওতামুক্ত গাড়ি পারাপারের কথা থাকলেও যাত্রীরা ঘাটে আসছে। যাত্রী নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব আমাদের নয়।’ মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ জাকির হোসেন জানান, লকডাউনের নির্দেশনা মানার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। কিন্তু যাত্রীরা বিভিন্নভাবে ঢাকা থেকে ঘাটে আসছেন। আবার বাংলাবাজার ঘাট থেকে আসা যাত্রীরা ঢাকা যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

নারায়ণগঞ্জ : লকডাউনে নারায়ণগঞ্জের সড়ক-মহাসড়কে ছিল জনতার স্রোত। প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মূল রাস্তায় প্রবেশ ঠেকাতে পারলেও অলিগলির রাস্তা ব্যবহার করছেন সাধারণ মানুষ। হাজারো অজুহাত আর নানা কৌশলে লকডাউনে চলাফেরা করছেন মানুষ। এ ছাড়া সোমবার থেকে সারা দেশে লকডাউনের ঘোষণায় গ্রামের বাড়ির দিকে ছুটছেন সাধারণ মানুষ। অনেকেই কয়েকবার যানবাহন পাল্টে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। বিশেষ করে মহাসড়কে জনতার স্রোত থামানো যাচ্ছে না।

লকডাউনের পঞ্চম দিনে বাণিজ্যিক নগরী নারায়ণগঞ্জে কোনো মার্কেট, শপিং মল, বিপণিবিতান খোলা হয়নি। জেল-জরিমানা অথবা সতর্ক করলে কোথায় কোথায় মোবাইল কোর্ট বা পুলিশের টিম আছে তা এড়িয়ে চলছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে বেশির ভাগ মানুষের হাতে ওষুধের প্রেসক্রিপশন, নানা টেস্ট রিপোর্ট, বাড়িতে বাবা-মা একা, শিশু-বাচ্চা দেখার কেউ নেই এসব অজুহাত দিয়ে বের হচ্ছেন বাসা থেকে। খেয়াঘাট এলাকায় নদী পারাপার বিড়ম্বনায় নদীর পাড়ে জড়ো হয়েছেন কয়েক হাজার যাত্রী। যেখানে ছিল না স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকায় পার হয়েছেন গার্মেন্টের নারী শ্রমিকসহ হাজার হাজার সাধারণ যাত্রী।

জেলা প্রশাসনের ২০টি মোবাইল কোর্ট ও পুলিশ প্রশাসনের প্রায় ৩০টি টিম গুরুত্বপূর্ণ সড়কে কাজ করছে। মহাসড়কে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। সেখানে পুলিশ সদস্যরা কঠোর অবস্থানে থাকলেও থামানো যায়নি জনস্রোত। পায়ে হেঁটেই সাধারণ মানুষ ছুটে চলেছেন তাদের গন্তব্যে।

মানিকগঞ্জ : রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় বেড়েছে মানুষের চাপ। ঘাটে নেমেই গন্তব্যে পৌঁছাতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে তাদের। গতকাল দুপুর ১২টায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় এমন চিত্র দেখা যায়। এ সময় যাত্রীদের পাটুরিয়া প্রান্ত থেকে ফেরিতে গাদাগাদি করে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব না মেনে আসতে দেখা যায়। এ ছাড়া দৌলতদিয়া প্রান্তে এসে গণপরিবহন না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পড়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে অটোরিকশা, মাহিন্দ্রা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন বাহনে যাত্রীরা গন্তব্যে যাচ্ছেন। এদিকে দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকেও যাত্রীরা নদী পার হয়ে ঢাকায় যাচ্ছেন। তবে ঘাটে ছোট গাড়ির চাপ থাকলেও নেই কোনো সিরিয়াল। এ ছাড়া সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তেমন কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।

 

যাত্রী লিমন সরদার বলেন, ‘কঠোর লকডাউনে কাজ বন্ধ ও এর পরিসর বাড়তে পারে বলে আগেই পরিবার নিয়ে বাড়িতে যাচ্ছি। তবে মানিকগঞ্জে লকডাউন চলায় অনেক কষ্টে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে পাটুরিয়ায় এসে নদী পার হয়েছি। কিন্তু রাজবাড়ীতে চলছে লকডাউন। ফলে গণপরিবহন না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছি। বিভিন্ন বাহনে চলাচল করায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।’

সিলেট : কঠোর লকডাউন শুরুর আগেই শপিংয়ের জন্য গতকাল সাধারণ মানুষ ছুটেছেন বাজারে। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানে ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। বেশির ভাগ মানুষ পুরো মাসের বাজার একসঙ্গে করে নিচ্ছেন। ক্রেতাদের ধারণা, কঠোর লকডাউন শুরু হলে নানা অজুহাত দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেবেন। তাই আগেভাগেই তারা মাসের বাজার করে নিচ্ছেন। সিলেটের একমাত্র পাইকারি বাজার কালিঘাটেও দিনভর ছিল উপচে পড়া ভিড়। সিলেট নগর ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এসে ট্রাক ভরে বাজার নিতে দেখা গেছে। ফলে কালিঘাটের ভিতর ট্রাক ও পিকআপের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।

গাজীপুর : কঠোর লকডাউনের কথা চিন্তা করে অনেক সাধারণ মানুষ আগেই গ্রামের বাড়ি ফিরছেন। গাজীপুরের বিভিন্ন প্রবেশমুখে সকাল থেকেই ভিড় ছিল। বাস বন্ধ থাকায় তারা সিএনজি অটোরিকশা, পণ্যবাহী গাড়ি আবার কেউ হেঁটে নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছেন। কয়েক গুণ ভাড়া বেশি দিয়ে গন্তব্যে ছুটছেন মানুষ। আবার কোথাও যাত্রীরা চেকপোস্টের কাছাকাছি নেমে হেঁটে ওই এলাকা পেরিয়ে অন্য যানবাহনে করে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছেন। সব ধরনের গাড়ি নিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে প্রশাসনের।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় আবদুল কাইয়ুম বলেন, সিএনজি করে ভেঙে ভেঙে যাচ্ছি। একই পথের যাত্রী আলী আকবর জানান, ডিমের গাড়ির সঙ্গে কন্ট্রাক্ট হয়েছে। গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছি। গাড়ি এলে সেই গাড়িতে করে বাড়ি যাব।

মানিকগঞ্জ : রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট। গতকাল সকাল থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে পাটুরিয়া ঘাটমুখী যাচ্ছেন কর্মজীবী মানুষ। জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রশাসনের চেকপোস্ট থাকলেও নানা কৌশলে তারা গন্তব্যে ছুটছেন। গণপরিবহন ও দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় রিকশা, ভ্যান, হ্যালো বাইক, সিএনজি, মোটরসাইকেলে যাত্রীরা কয়েক গুণ ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। কয়েক দফা যানবাহন পরিবর্তন করে যেতে হচ্ছে তাদের।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক মহীউদ্দীন রাসেল জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ১৪টি ফেরির মধ্যে ১২টি ফেরি দিয়ে জরুরি পরিষেবার আওতাধীন যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এসব যানবাহন পারাপারের সময় কিছু সাধারণ যাত্রী পারাপার হচ্ছেন। তবে ঘাট এলাকায় যানবাহন ও যাত্রীর কোনো চাপ নেই।

এই বিভাগের আরও খবর
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ১০ দফা ইশতেহার
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ১০ দফা ইশতেহার
সীমান্ত হত্যা নিয়ে পুরোনো সুর বিএসএফের
সীমান্ত হত্যা নিয়ে পুরোনো সুর বিএসএফের
আবু সাঈদের মাথা থেকে রক্ত ঝরছিল বুকে গুলির চিহ্ন
আবু সাঈদের মাথা থেকে রক্ত ঝরছিল বুকে গুলির চিহ্ন
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
চীন সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
চীন সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা
রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড জরুরি
রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড জরুরি
আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন
সর্বশেষ খবর
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

৫৯ সেকেন্ড আগে | রাজনীতি

শ্রীপুরে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
শ্রীপুরে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার একমাত্র পথ নির্বাচন : ডা. জাহিদ
জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার একমাত্র পথ নির্বাচন : ডা. জাহিদ

৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভারত আমাদের ডলার দিয়ে রুশ তেল কিনছে: ট্রাম্পের উপদেষ্টা
ভারত আমাদের ডলার দিয়ে রুশ তেল কিনছে: ট্রাম্পের উপদেষ্টা

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১৬৫
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১৬৫

১২ মিনিট আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কলাপাড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে জরিমানা
কলাপাড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে জরিমানা

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শখ করে মাছ ধরতে গিয়ে সাগরে ভেসে গেল দুুই কিশোর
শখ করে মাছ ধরতে গিয়ে সাগরে ভেসে গেল দুুই কিশোর

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন ডেটা সেন্টার ও এআই প্রশিক্ষণে বড় পদক্ষেপ গুগলের
নতুন ডেটা সেন্টার ও এআই প্রশিক্ষণে বড় পদক্ষেপ গুগলের

২৫ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

ইন্টারনেট স্লো? যেসব স্থানে রাখা উচিত নয় রাউটার
ইন্টারনেট স্লো? যেসব স্থানে রাখা উচিত নয় রাউটার

৪৪ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মরক্কোতে পাওয়া গেল সবচেয়ে প্রাচীন ডাইনোসরের জীবাশ্ম
মরক্কোতে পাওয়া গেল সবচেয়ে প্রাচীন ডাইনোসরের জীবাশ্ম

৪৬ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

ফরিদপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুমন গ্রেফতার
ফরিদপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুমন গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২৮ বছর পর মাদাগাস্কারকে রাজার খুলি ফিরিয়ে দিল ফ্রান্স
১২৮ বছর পর মাদাগাস্কারকে রাজার খুলি ফিরিয়ে দিল ফ্রান্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘুষের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডির বিরুদ্ধে মামলা
ঘুষের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডির বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানুষকে পরিবর্তন এনে দিতে হবে বিএনপিকে : মির্জা ফখরুল
মানুষকে পরিবর্তন এনে দিতে হবে বিএনপিকে : মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আমাজনে আটক ৩৩ কলম্বিয়ান সৈনিকের মুক্তি
আমাজনে আটক ৩৩ কলম্বিয়ান সৈনিকের মুক্তি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে চাঁদা দাবি, নারীসহ গ্রেফতার ৭
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে চাঁদা দাবি, নারীসহ গ্রেফতার ৭

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে হত্যা মামলায় ৩ ভাই গ্রেপ্তার
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় ৩ ভাই গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিডিসির নতুন পরিচালকের নাম ঘোষণা করল হোয়াইট হাউস
সিডিসির নতুন পরিচালকের নাম ঘোষণা করল হোয়াইট হাউস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় সেপটিক ট্যাংক থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
বগুড়ায় সেপটিক ট্যাংক থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধের আহ্বান খাজার
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধের আহ্বান খাজার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাম বেড়েছে আরও কিছু পণ্যের, খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ
দাম বেড়েছে আরও কিছু পণ্যের, খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১
কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের
হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গফরগাঁওয়ে বলাকা কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন
গফরগাঁওয়ে বলাকা কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে
জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা
প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে
পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'
'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন
৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা
শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস
ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে যুক্তরাজ্য ও ইইউ
রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে যুক্তরাজ্য ও ইইউ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন
চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন

মাঠে ময়দানে

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম

ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’
ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’

শোবিজ

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম

গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর
গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা