শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬ আপডেট: ০০:৪৬, রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধ কখনো হারে না, জামায়াত কেন তা বোঝে না?

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
মুক্তিযুদ্ধ কখনো হারে না, জামায়াত কেন তা বোঝে না?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের বয়স চার মাসও পূর্ণ হয়নি। কিন্তু এর মধ্যেই জামায়াতের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য, দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে ’৭১-এর পরাজিত শক্তি জামায়াত নিত্যনতুন কর্মসূচি ঘোষণা করছে। দেশ যখন নানা সংকটে, একটি নতুন সরকার রীতিমতো ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে দেশ পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে তখন জামায়াত সরকারকে আর সময় দেওয়া যায় না কিংবা আরেকটি জুলাই বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত হতে হবে- এ ধরনের কথাবার্তা বলে দেশে একটি রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

সংসদ নির্বাচনের পর গত চার মাসে রাজধানীতে অন্তত ১০ দিন বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। ঢাকার বাইরেও মহানগর ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি হয়েছে। গত ১৬ মে রাজশাহী বিভাগ থেকে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয়েছে। আগামী ২৫ জুলাই তা শেষ হওয়ার কথা। এরপর অক্টোবরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের যেকোনো গণতন্ত্রে এটা নজিরবিহীন ঘটনা। বিশেষ করে, যে পটভূমিতে এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তারপর জামায়াত এবং এনসিপির দায়িত্ব ছিল সংসদ কেন্দ্রিক রাজনীতির মাধ্যমে সংসদ এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা। কিন্তু জামায়াত সংসদকে যেমন কার্যকর করতে বাধা দিচ্ছে তেমনি দেশকে আবার বিভক্তির পথে ঠেলে দিচ্ছে। সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনা, একাধিক বিষয়ে আপত্তি এবং চারবার ওয়াকআউট করেছে জামায়াত। জনগণের ইস্যু, এলাকার সমস্যার চেয়ে জামায়াত তাদের রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের দিকে বেশি মনোযোগী। জামায়াতের সংসদ সদস্যরা জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি সংসদে তুলছেন কিন্তু জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গঠিত কমিটিতে যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশগ্রহণ না করলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কীভাবে?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জামায়াত ইচ্ছাকৃতভাবেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করে দেশে একটি সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি করতে চাইছে। মুখে জুলাই সনদের জন্য মায়াকান্না আর ভিতরে সনদ বাস্তবায়নে অসহযোগিতা- এটাই জামায়াতের রাজনীতি।

জনগণের কথা জোরালোভাবে না বললেও, নিজেদের জন্য বরাদ্দ ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেন ও পর্দা দেওয়ার দাবি কিন্তু ঠিকই করছে ’৭১-এর ভূমিকার কারণে প্রশ্নবিদ্ধ রাজনৈতিক দলটি।

দলটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দ্বিচারিতার রাজনীতি করছে। এই দলটি ১৯৪৭-এ দেশ বিভাগের বিরোধিতা করেছিল। মওদুদিবাদ প্রচারের আড়ালে দেশে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করেছিল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে পাকিস্তানি গণহত্যা এবং নৃশংসতম বর্বরতার সহযোগী হয়েছিল। ১৯৭১-এ যখন স্বাধীনতার জন্য বীর বাঙালি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল তখন সামরিক জান্তার মন্ত্রিসভায় যোগ দেয় জামায়াত। দলটির নেতা আব্বাস আলী খান শিক্ষা এবং এ কে এম ইউসুফ রাজস্ব বিভাগের মন্ত্রী ছিলেন। জামায়াত রাজাকার, আলবদর, আলশামস এবং শান্তি কমিটি গঠন করে ’৭১-এর গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে সরাসরি যুক্ত ছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, (যা এখনো বহাল আছে) জামায়াতকে অপরাধী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে। ঠিক ১৩ বছর আগে ২০১৩ সালের ১৫ জুলাই সোমবার গোলাম আযমের রায়ের পর্যবেক্ষণে এই মন্তব্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১। রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, দালিলিক প্রমাণ ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বলা যায়, অধ্যাপক গোলাম আযমের নেতৃত্বাধীন জামায়াতে ইসলামী একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে ইচ্ছাকৃতভাবে একটি অপরাধী সংগঠনের মতো কাজ করেছে, বিশেষ করে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়ে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ের মধ্যে বেশ কয়েকটিতে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীকে পাকিস্তানি সেনাদের ‘সহযোগী বাহিনী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব রায়ের পর্যবেক্ষণে ট্রাইব্যুনাল মুক্তিযুদ্ধকালীন নৃশংসতার জন্য পাকিস্তানি সেনাদের পাশাপাশি জামায়াতকেও দায়ী করেছেন। অথচ জামায়াত কখনো একাত্তরের ভূমিকার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭১ সালের ভূমিকা স্পষ্ট না করে জামায়াত কখনোই বাংলাদেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারবে না। ’৭১-এর বাংলাদেশবিরোধী ভূমিকা এবং দ্বিচারিতার রাজনীতির ধারক জামায়াত। যে কারণে সুযোগ পেলেই মহান মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করা, একাত্তর নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করা জামায়াতের রাজনীতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ’২৪-এর গণ আন্দোলনের বিজয়ের পর একটি গণ অভ্যুত্থানকে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করার ধৃষ্টতা দেখায় জামায়াত। সেই সময় বিএনপির দৃঢ় অবস্থান ও মনোভাবের কারণে জামায়াতের প্রোপাগান্ডা সফল হয়নি। কিন্তু একাধিক সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশজুড়ে মুক্তিযুদ্ধের স্থাপনা ও ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিল জামায়াত। গত দুই বছরে, একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে, জামায়াত মহান মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে না। জামায়াতের রাজনৈতিক আদর্শের ভিত্তিই হলো ’৭১ কে অস্বীকার করা। জামায়াত সেই রাজনৈতিক চিন্তা সুযোগ পেলেই প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এদেশের সাধারণ মানুষ কখনোই এটা মেনে নেবে না। জামায়াত সবসময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী। এ কারণেই জনগণের রায়ে নয়, ভিন্ন কৌশলে ক্ষমতায় যেতে চায় জামায়াত। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী দলটির রাজনৈতিক কৌশল সাজানো।

জামায়াত ’৭১ সালে ও যেসব অপকর্ম করেছে, তা তাদের আদর্শিক চর্চারই অংশ। সুযোগ পেলেই দলটি ভিন্নমত নিষ্ঠুরভাবে দমন করে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুপ্ত বাহিনীর সংস্কৃতি, ভিন্নমতের প্রতি পাশবিক আচরণ এসব জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্ত গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। এজন্যই তিনি সব রাজনৈতিক দলকে সুযোগ দিয়েছিলেন। এই সুযোগে জামায়াত রাজনীতিতে পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু গবেষণায় দেখা যায়, ’৭১-এর পর থেকে জামায়াত এবং শিবির বাংলাদেশে গুপ্ত রাজনীতির প্রচলন করে। আজকে জামায়াতের আমিরসহ একাধিক জামায়াত নেতা জাসদ, উগ্র বামে যুক্ত ছিলেন।

বিএনপির দয়ায় রাজনীতিতে ফিরে এলেও জামায়াত সুযোগ পেলেই বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে। ১৯৮৬ সালে বিএনপি এরশাদের অধীনে নির্বাচন বর্জনের ডাক দিলেও জামায়াত ক্ষমতার হালুয়া রুটির লোভে আওয়ামী লীগের সঙ্গে এরশাদের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার পতনের আন্দোলন করে। এই দ্বৈত আচরণই হলো জামায়াতের রাজনীতির বৈশিষ্ট্য।

আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করলে জামায়াত-শিবির আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগে গুপ্ত বাহিনী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছিল। ছাত্রলীগের হেলমেট বাহিনী ছিল আসলে ছাত্রশিবির।

’৭৫-এর পর রাজনীতি শুরু করে জামায়াত নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাস, রগ কাটার রাজনীতি শুরু করেছিল। এখন আবার তাদের সেই সহিংস রূপ উন্মোচিত হচ্ছে। ’২৪-এর জুলাইয়ের পর সারা দেশে জামায়াতের গুপ্তরা প্রকাশ্যে আসে এবং আধিপত্য বিস্তারের জন্য আগের মতোই সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয়। যার সর্বশেষ উদাহরণ হলো ২৩ জুন ধানমন্ডিতে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা।

ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসন, পুলিশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিচার বিভাগসহ সরকারের সব স্তরে জামায়াতের গুপ্তবাহিনীর অনুপ্রবেশ ঘটে। অন্তর্বর্তী সরকারের মদদে প?্যারালাল সরকার গঠন করে জামায়াত। এখনো এই গুপ্তরা অনেক জায়গায় আছে। এরা সুযোগ পেলেই নির্বাচিত সরকারকে বিপাকে ফেলতে তৎপর। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে একযোগে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে ১৭ জন আইন কর্মকর্তার পদত্যাগের ঘটনা তার ছোট্ট একটি উদাহরণ মাত্র। ইউনূস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জামায়াতের ছাত্র সংগঠন সবগুলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় দখল করেছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে। ’২৪-এর আগস্টের পর বিভিন্ন গণমাধ্যম এখন জামায়াতের দখলে।

প্রশাসন, পুলিশ এবং বিচার বিভাগের আছে জামায়াতের গুপ্ত বাহিনী। আর সে কারণেই জামায়াতের নেতারা ক্ষমতায় যাওয়ার খোয়াব দেখছেন। জামায়াত কখনো জনগণের মতামতকে তোয়াক্কা করে না। তারা তাদের নিজেদের ছকে ক্ষমতা দখল করতে চায়। জামায়াত মনে করে, ’২৪-এর গণ অভ্যুত্থান তাদের ক্ষমতার কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। জামায়াতের অনেক নেতাই এখন ক্ষমতার সুবাস পাচ্ছেন। তাই তাদের কথাবার্তা ও চালচলনে এক ধরনের অহঙ্কার ও দম্ভ দেখা যাচ্ছে। কিন্তু জনগণের কাছে জামায়াতের গ্রহণযোগ্যতা নেই এখনো। জামায়াত আর মুক্তিযুদ্ধ এখনো প্রতিপক্ষ। এই কারণেই জামায়াতের পক্ষে জনগণের রায়ে ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়। তাই তারা ক্ষমতায় যাওয়ার চোরা গলি খুঁজতে ব্যস্ত। সে জন্যই তাদের এত অসহিষ্ণুতা। এ কারণেই তারা একটি নবনির্বাচিত সরকারকে সময় দিতে রাজি নয়। কিন্তু একাত্তরের ভূমিকা স্পষ্ট না করলে জামায়াতকে এদেশের মানুষ গ্রহণ করবে না।

জামায়াত সবসময় ’৭১ কে ছোট মনে করে, এখনো তারা মুক্তিযুদ্ধ মেনে নেয়নি- এটাই তাদের ভুল। এটাই তাদের পাপ। বাংলাদেশ যত দিন থাকবে তত দিন একাত্তর থাকবে। মুক্তিযুদ্ধ কখনো হারে না। জামায়াত কেন সেটা বোঝে না।

এই বিভাগের আরও খবর
মাদক থেকে বাঁচতে ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত হতে হবে
মাদক থেকে বাঁচতে ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত হতে হবে
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
বিদ্যুৎ ও চার্জিং স্টেশনসংকট ইভি চালুর বড় বাধা
বিদ্যুৎ ও চার্জিং স্টেশনসংকট ইভি চালুর বড় বাধা
ইসরায়েলিবলয়ে ঢুকে পড়ছে মোদি সরকার
ইসরায়েলিবলয়ে ঢুকে পড়ছে মোদি সরকার
সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়া মডেলে হবে ব্যবসাবাণিজ্য
সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়া মডেলে হবে ব্যবসাবাণিজ্য
ইতিহাসের দায়মোচন
ইতিহাসের দায়মোচন
রাজধানীতে নারী চিকিৎসকের অর্ধগলিত লাশ
রাজধানীতে নারী চিকিৎসকের অর্ধগলিত লাশ
ডিজিটাল সাংবাদিকতা এখন প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে
ডিজিটাল সাংবাদিকতা এখন প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে
দুটি প্রকল্পে ১৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
দুটি প্রকল্পে ১৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না
সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
সুন্দরবনে কোস্টগার্ড বনদস্যু গোলাগুলি
সুন্দরবনে কোস্টগার্ড বনদস্যু গোলাগুলি
সর্বশেষ খবর
সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড
সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪
দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

২১ মিনিট আগে | শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি
১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু
আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা

দেশগ্রাম

হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন