শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৪৫, রবিবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০২৪

ঈমানের উপকারিতা এবং কুফরের ভয়াবহতা

শাহাদাত হোসাইন
অনলাইন ভার্সন
ঈমানের উপকারিতা এবং কুফরের ভয়াবহতা

ঈমান অর্থ আস্থা, বিশ্বাস, প্রত্যয়, প্রতিজ্ঞা। ঈমান বলতে একক অদ্বিতীয় আল্লাহকে বিশ্বাস করা বোঝায়। আর কুফর হলো অস্বীকার, অবিশ্বাস ও অমান্যতার নাম। পরিভাষায়, এক আল্লাহয় অবিশ্বাস ও অমান্যতাকে কুফর বলে।

ঈমান মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করার মাধ্যমে সৌভাগ্যবান বানায়। পক্ষান্তরে কুফর মানুষকে হতভাগ্য ও দুর্ভাগা বানায়। ঈমান মানুষকে আলোর পথ দেখায়, আর কুফর মানুষকে অন্ধকারের পথে পরিচালিত করে। ঈমানের শেষ পরিণাম জান্নাত আর কুফরের চূড়ান্ত পরিণতি জাহান্নাম।

আমাদের উচিত ঈমানের পথে পরিচালিত হওয়া, কুফরের পথ পরিহার করা। আসুন, কোরআন-হাদিসের আলোকে ঈমানের উপকারিতা এবং কুফরের ভয়াবহতা সম্পর্কে জেনে নিই।
 
ঈমানের উপকারিতা

ঈমান হলো আল্লাহ তাআলার একত্ববাদে বিশ্বাস করা। তার ফেরেশতা, কিতাব, নবী-রাসুল, শেষ দিবস ও ভাগ্যের ভালো-মন্দের ওপর বিশ্বাস রাখা (মুসলিম, হাদিস : ১)

এগুলো মনেপ্রাণে বিশ্বাস করা, মুখে স্বীকৃতি দেওয়া এবং কার্যে পরিণত করা। যে ব্যক্তি এমনটা করবে সে মুমিন বলে স্বীকৃত হবে। সে দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ ঘোষিত বিভিন্ন পুরস্কারে পুরস্কৃত হবে।

পবিত্র ও আনন্দময় জীবন লাভ : ঈমানের কারণে ব্যক্তি দুনিয়ায় পবিত্র ও আনন্দময় জীবন লাভ করবে। মুমিন ব্যক্তি আল্লাহর পক্ষ থেকে দুনিয়ায় কলুষমুক্ত, স্বচ্ছ-সফেদ, নির্ঝঞ্ঝাট জীবনের উত্তারাধিকারী হবে। আল্লাহ পকিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘মুমিন হয়ে পুরুষ ও নারীর মধ্যে যে কেউ সৎকাজ করবে, অবশ্যই আমরা তাকে পবিত্র জীবন দান করব।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৯৭)

বেশির ভাগ মুফাসসিরের মতে, আয়াতে ‘হায়াতে তাইয়্যিবা’ বলতে দুনিয়ার স্বাচ্ছন্দ্যময় পবিত্র জীবনকে বোঝানো হয়েছে। (মাআরেফুল কোরআন : ১৪৪৬)

নিজ কর্মে দৃঢ়তা ও অবিচলতা অর্জন : ঈমানের কারণে ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা লাভ করে। কাজকর্মে অবিচলতা ও অটলতা অর্জন করে। আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য লাভে ধন্য হয়। ঈমানহারা মানুষ প্রবৃত্তির তাড়নায় যখন দিশাহারা হয়ে যায়, উদ্ভ্রান্তের মতো ঘুরতে থাকে, ঈমানদাররা তখন আল্লাহ বিশ্বাসের কারণে তাড়না ও হতাশামুক্ত জীবনের তাওফিক পায়। আবার কবরে ফেরেশতাদের প্রশ্নে এবং কিয়ামতের বিভীষিকায়ও আল্লাহ তাআলার নিরাপত্তার চাদরে বেষ্টিত থাকবে এবং দৃঢ়তা অর্জন করবে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহ তাদের সুদৃঢ় বাক্যের দ্বারা দুনিয়ার জীবনে ও আখিরাতে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন।’ (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ২৭)

দুনিয়ার জীবনে বরকতপ্রাপ্তি : ঈমানের কারণে ব্যক্তি দুনিয়ার জীবনে বরকত লাভ করবে, প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। বরকত বলতে শুধু কোনো কিছুর আধিক্য বোঝায় না; বরকত হচ্ছে কোনো কিছু নিয়মিত থাকা। ঈমানের কারণে ব্যক্তি আসমান ও জমিনের বরকত লাভে ধন্য হয়। সঠিক সময়ে আসমান বৃষ্টি বর্ষণ করে আর জমিন থেকে মনঃপূত জিনিস উৎপন্ন হয়। সুরা আরাফের ৯৬ নম্বর আয়াতে এসেছে, ‘আর যদি সেই সব জনপদের অধিবাসীরা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত তাহলে অবশ্যই আমরা তাদের জন্য আসমান ও জমিনের বরকতসমূহ উন্মুক্ত করে দিতাম।’ একমাত্র ঈমানের কারণে মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতের এই বরকত পেতে পারে।

আল্লাহর নিরাপত্তা লাভে ধন্য হওয়া : আল্লাহর নিরাপত্তাই প্রকৃত নিরাপত্তা। সেই ব্যক্তি ধন্য, যে তা লাভ করবে। ঈমানদাররা দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ তাআলার আজাব, গজব, শাস্তি ও বিভীষিকা থেকে নিরাপত্তা লাভ করবে একমাত্র ঈমানের ওপর অটল থাকার কারণে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমানকে জুলুম (শিরক) দ্বারা কলুষিত করেনি, নিরাপত্তা তাদেরই জন্য এবং তারাই হিদায়াতপ্রাপ্ত।’(সুরা : আনআম, আয়াত : ৮২)

শত্রুদের থেকে হেফাজত থাকবে : ঈমানের কারণে আল্লাহ তাআলা ব্যক্তিকে শারীরিক, মানসিক, আর্থিকসহ সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে হেফাজতে রাখবেন। কোরআনে এসেছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের পক্ষ থেকে প্রতিরোধ করেন।’ (সুরা : হাজ, আয়াত : ৩৮)

চিরকাঙ্ক্ষিত জান্নাত অর্জন : ঈমানের চূড়ান্ত পরিণাম হলো, ঈমান ব্যক্তিকে চিরকাঙ্ক্ষিত জান্নাতে প্রবেশ করাবে। যারা ঈমান আনবে, আল্লাহ খুশি হয়ে তাদের জন্য চিরস্থায়ী জান্নাতে বসবাসের সুযোগ করে দেবেন। অনন্তকালের জন্য সুখের বন্দোবস্ত হয়ে যাবে। কোরআনে এসেছে, ‘আর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে তাদের শুভ সংবাদ দিন যে তাদের জন্য আছে জান্নাত, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত।’(সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৫)

কুফরের ভয়াবহতা

কুফর অর্থ অবিশ্বাস করা, অস্বীকার করা, অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ইত্যাদি। ইসলামী পরিভাষায় কুফর বলতে বোঝায় আল্লাহ, তার রাসুল ও ঈমানের অন্যান্য বিষয়ে বিশ্বাসের অবিদ্যমানতা। কুফর ব্যক্তিকে আল্লাহর অবাধ্য বানায় এবং জাহান্নামের উপযুক্ত করে। কোরআনে এসেছে, ‘তারা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যারা আল্লাহর সাক্ষাৎ অস্বীকার করেছে।’ (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ৪৫)

সংকীর্ণ জীবনের অধিকারী হওয়া : মনুষ্যজীবনে কুফর এমন এক অভিশাপের নাম, যার কারণে আল্লাহ ব্যক্তির জীবন সংকীর্ণ করে দেন। দুনিয়াবি আসবাব আর ধন-সম্পদ পরিপূর্ণ থাকার পরও মনে হবে, যেন কিছুই নেই। মনের স্বস্তি ও শান্তি উবে যাবে। কোনো কিছুতেই মন ভরবে না। চারদিক থেকে সংকীর্ণতা জেঁকে বসবে। আল্লাহ বলেছেন, ‘আর যে আমার স্মরণ থেকে বিমুখ হয়, তার জীবনযাপন হবে সংকুচিত আর আমরা তাকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করব অন্ধ অবস্থায়।’(সুরা : ত্বহা, আয়াত : ১২৪)

সংঘাতময় অশান্ত পৃথিবী : কুফর এমন একটি খারাপ কর্ম, যার কারণে মানুষ নিজ স্রষ্টাকে অস্বীকার করে। তার ওপর এমন কিছু অপবাদ আরোপ করে, যা তার সত্তার সঙ্গে যায় না। তখন আল্লাহর গোসসা ও ক্রোধ এতটাই বেড়ে যায় যে আসমান-জমিন ধ্বংস হওয়ার উপক্রম হয়। তবে আল্লাহ তার অনুগ্রহে পৃথিবীকে শান্ত রাখেন। কোরআনে এসেছে, ‘আর তারা বলে, দয়াময় সন্তান গ্রহণ করেছেন। তোমরা তো এমন এক বীভৎস বিষয়ের অবতারণা করেছ, যাতে আসমানসমূহ বিদীর্ণ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়, আর জমিন খণ্ডবিখণ্ড এবং পর্বতমালা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে আপতিত হবে।’(সুরা : মারইয়াম, আয়াত : ৮৮-৯০)

কুফর ব্যক্তিকে দয়ামায়াবঞ্চিত করে : পৃথিবীকে সংঘাতময়, বসবাসের অনপুযোগী করার দায়ভার একমাত্র কুফরের। আল্লাহর ওপর অবিশ্বাসীরাই দুনিয়াকে অশান্ত করার পেছনে একমাত্র দায়ী। তাই কাফেরের প্রতি দুনিয়ার কোনো সৃষ্টজীবের মায়া থাকে না। তাদের কষ্টে ও ধ্বংসে কেউ ব্যথিত হয় না। কাঁদে না। কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘আকাশ ও পৃথিবী কেউই তাদের জন্য অশ্রুপাত করেনি এবং তাদের অবকাশও দেওয়া হয়নি।’(সুরা : দুখান, আয়াত : ২৯)

আল্লাহর ঘৃণা ও আজাবের উপযুক্ত করে : কুফর ব্যক্তিকে আল্লাহর ঘৃণা ও আজাব-গজবের উপযুক্ত করে। দুনিয়ায় যত জাতি ধ্বংস হয়েছে, তারা নিজেদের পাপ ও কুফরির কারণে ধ্বংস হয়েছে। পরকালে যারা জাহান্নামে চিরস্থায়ী হবে, তারাও কুফরের কারণে শাস্তির সম্মুখীন হবে। দুনিয়ায় বালা-মুসিবত নাজিলের কারণ মানুষের কুফরি। আল্লাহ বলেন, ‘যারা কুকর্মের ষড়যন্ত্র করে, তারা কি এ বিষয়ে নির্ভয় হয়েছে যে আল্লাহ তাদের ভূগর্ভে বিলীন করবেন না অথবা তাদের ওপর আসবে না শাস্তি এমনভাবে যে তারা উপলব্ধিও করবে না। অথবা চলাফেরাকালে তিনি তাদের পাকরাও করবেন না? আর তারা তা ব্যর্থ করতে পারবে না।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৪৫,৪৬)

অনিবার্য ধ্বংসের মুখোমুখি করে : কিয়ামতের সফলতা প্রকৃত সফলতা, আর সেদিনের ব্যর্থতা প্রকৃত ব্যর্থতা। কুফর ব্যক্তিকে সেদিন অনিবার্য ধ্বংসের মুখোমুখি করে। তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপের মাধ্যমে চূড়ান্ত ব্যর্থ করে। আল্লাহ বলেন, ‘আর যাদের নেকির পাল্লা হালকা হবে, তারা হবে সেই সব লোক, যারা নিজেদের ধ্বংস ও ক্ষতি নিজেরাই করেছে, কারণ তারা আমার নিদর্শনসমূহ প্রত্যাখ্যান করত।’(সুরা : আরাফ, আয়াত : ৯)

কুফরের চূড়ান্ত পরিণাম চিরস্থায়ী জাহান্নাম : কুফর কাফেরকে চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে, যা থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায় তাদের থাকবে না। আল্লাহ বলেছেন, ‘আর আপনি যদি সেই অবস্থা দেখতেন, যখন ফেরেশতারা তাদের রুহ কবজ করার সময় তাদের মুখমণ্ডলে ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করেন।’ (সুরা : আনফাল, আয়াত : ৫০) (লেখক : খতিব, বাইতুল আজিম জামে মসজিদ, রংপুর)

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৭৭ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৫৫
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৭৭ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৫৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৩০ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৩০ জুন ২০২৬
শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা
শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা
হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬  বাংলাদেশি
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৯ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৯ জুন ২০২৬
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৮ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৮ জুন ২০২৬
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের তাগিদ
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের তাগিদ
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
সর্বশেষ খবর
মারধরের ক্ষোভে স্বামীকে হত্যা করে মাটিচাপা, স্ত্রীর স্বীকারোক্তি
মারধরের ক্ষোভে স্বামীকে হত্যা করে মাটিচাপা, স্ত্রীর স্বীকারোক্তি

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কর্ণফুলী নদীতে ট্রলারে আগুন, দগ্ধ ৬
কর্ণফুলী নদীতে ট্রলারে আগুন, দগ্ধ ৬

২২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাহাড়ি ফলের বাজার সম্প্রসারণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা পার্বত্য সচিবের
পাহাড়ি ফলের বাজার সম্প্রসারণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা পার্বত্য সচিবের

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালক সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০
কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালক সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

লামায় দুই নারী পর্যটক হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার ২
লামায় দুই নারী পর্যটক হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার ২

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভিনির চেয়েও দ্রুতগতির মার্কিনিওস, চষে বেড়ালেন গিমারাইস
ভিনির চেয়েও দ্রুতগতির মার্কিনিওস, চষে বেড়ালেন গিমারাইস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেপ ভার্দের বিপক্ষে একাদশ নিয়ে ভাবনায় আর্জেন্টাইন কোচ
কেপ ভার্দের বিপক্ষে একাদশ নিয়ে ভাবনায় আর্জেন্টাইন কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ে নেতৃত্বে হালিম পাটোয়ারী-মাহমুদা
ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ে নেতৃত্বে হালিম পাটোয়ারী-মাহমুদা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রিভিউয়ে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে: আসলাম চৌধুরী
রিভিউয়ে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে: আসলাম চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নকআউটের লড়াই—‘আসল রোমাঞ্চ এখন শুরু’ বললেন স্কালোনি
নকআউটের লড়াই—‘আসল রোমাঞ্চ এখন শুরু’ বললেন স্কালোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অতি চালাকের গলায় দড়ি
অতি চালাকের গলায় দড়ি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুড়িগ্রামে শিয়ালের আক্রমণে ২ নারী আহত
কুড়িগ্রামে শিয়ালের আক্রমণে ২ নারী আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ভেন্যুর আকাশে সহস্রাধিক ড্রোন শনাক্ত, ৩০০টি নিষ্ক্রিয় করল এফবিআই
বিশ্বকাপ ভেন্যুর আকাশে সহস্রাধিক ড্রোন শনাক্ত, ৩০০টি নিষ্ক্রিয় করল এফবিআই

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাইব্রেকারে বাদ জার্মানি-নেদারল্যান্ডস, সতর্ক ইংল্যান্ড
টাইব্রেকারে বাদ জার্মানি-নেদারল্যান্ডস, সতর্ক ইংল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে আটকা ৮৫০০ নাবিক, উদ্ধারকাজ শুরুর আগে ইরানের প্রতিশ্রুতি চায় আইএমও
হরমুজে আটকা ৮৫০০ নাবিক, উদ্ধারকাজ শুরুর আগে ইরানের প্রতিশ্রুতি চায় আইএমও

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনা ধনকুবেরকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিল মার্কিন আদালত
চীনা ধনকুবেরকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিল মার্কিন আদালত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মবিশ্বাসী আইভরি কোস্ট, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস নরওয়ের
আত্মবিশ্বাসী আইভরি কোস্ট, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস নরওয়ের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১০ মহাতারকার শেষ বিশ্বকাপ!
১০ মহাতারকার শেষ বিশ্বকাপ!

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে চমকের পর এবার কি রূপালি পর্দায় জুড বেলিংহ্যাম?
বিশ্বকাপে চমকের পর এবার কি রূপালি পর্দায় জুড বেলিংহ্যাম?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার ফ্রান্স-সুইডেন দ্বৈরথ, ফেবারিট কে?
বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার ফ্রান্স-সুইডেন দ্বৈরথ, ফেবারিট কে?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে মদ ও সিগারেট জব্দ করলো কোস্টগার্ড
চট্টগ্রামে মদ ও সিগারেট জব্দ করলো কোস্টগার্ড

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি
সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের নজিরবিহীন হুমকি
সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের নজিরবিহীন হুমকি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বোলিং-ব্যাটিং কোনোটিতেই আমরা ভালো করিনি : শান্ত
বোলিং-ব্যাটিং কোনোটিতেই আমরা ভালো করিনি : শান্ত

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুধকুমার নদের পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে, বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত
দুধকুমার নদের পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে, বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির অংশীজন সভা
কুমিল্লায় বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির অংশীজন সভা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?
শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’
ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

১৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার
অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক
একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ
পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা
এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী
একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো
অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে
রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?
সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট
মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি
জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের
৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের কড়া হুঁশিয়ারি
সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের কড়া হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম