শিরোনাম
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২০ ১২:৩২
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২০ ১৬:৪৩

ঢাকা উত্তর সিটিকে ফ্রি ওয়াইফাই জোনে আনার প্রতিশ্রুতি সিপিবি প্রার্থীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর সিটিকে ফ্রি ওয়াইফাই জোনে আনার প্রতিশ্রুতি সিপিবি প্রার্থীর
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনোনীত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ সাজেদুল হক রুবেল তার ইশতেহার প্রকাশ করেছেন। এতে তিনি শিক্ষা, কাজ, জ্ঞান চর্চা, নিরাপত্তা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকাকে ফ্রি ওয়াইফাই জোনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
 
ইশতেহারে আরও আছে, যুব কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কর্পোরেশনের উদ্যোগে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। "সেলফ হেল্পগ্রুপ' গঠন করে যুবকরা যে পরিমাণ পুঁজি গঠন করবে তার সমপরিমাণ কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠান থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেয়া হবে। একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উদ্যোক্তা সব শেয়ার বাই ব্যাক করে নিজেরা প্রতিষ্ঠানটির মালিক হয়ে যাবে।
 
ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের মাধ্যমে ছোট-বড় সকল ব্যবসায়ীর ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করে এর প্রক্রিয়া সহজ করা হবে।
 
ডাটা এন্ট্রি শিল্পের ব্যাপক ভিত্তি গড়ে তোলা হবে। প্রতিষ্ঠান গড়ার পাশাপাশি ফ্রি-ল্যান্স কাজ করে শিক্ষিত তরুণ-তরুণী বিশেষ  করে, শিক্ষিত গৃহবধূ নিজেদের আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে, এজন্য ব্যাংকিংসহ যে সকল বাধা সামনে আসবে, তা দূর করতে কর্পোরেশন তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকবে।
 
যানজট নিরসনে প্রধান সড়ক থেকে রিক্সা ব্যবহার কমিয়ে আনা হবে; ব্যক্তিগত গাড়ীকে নিরুৎসাহিত করে সকলকে গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহিত করা হবে।
 
পানি, বায়ু, শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিগ্রহণ করা হবে। ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করার জন্য সকল পতিত ও দখলকৃত জায়গা পুনরুদ্ধার করে এ শহর সবুজায়ন করা হবে।
 
স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও সহজ করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনে তাদের জন্য পৃথক পরিবহন ব্যবস্থার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এলাকা ভিত্তিক স্কুলবাসের ব্যবস্থা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সকল সড়কে বাইসাইকেল লেন করা হবে। 
 
গৃহস্থালি বর্জ্য সংগ্রহে প্রতিটি বাড়ির সামনে ভিন্ন ভিন্ন রঙের ময়লা রাখার পাত্র থাকবে। সিটি করপোরেশনের নিজস্ব কর্মীরা বাসা বাড়ি থেকে বিনামূল্যে ময়লা সংগ্রহ করবে। বর্জ্য রিসাইকেলের মাধ্যমে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সারের মতো সম্পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়া হবে। বর্জ্য সংগ্রহ পদ্ধতি পর্যায়ক্রমে উন্মুক্ত থেকে আচ্ছাদিত পদ্ধতিতে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে। জনসচেতনতার মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার অভ্যাস তৈরি করা হবে। 
 
গ্যাস-পানি-বিদ্যুতের অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে করপোরেশন সবসময় সোচ্চার থাকবে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলা হবে। সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বৃষ্টির পানি ধরে রাখা ও ভূ-উপরিভাগের পানি ব্যবহারে বিশেষ প্রণোদনা দেয়া হবে। এসব পানি ব্যবহারোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ ও পর্যাপ্ত পনির ট্যাংক স্থাপন করা হবে।
 
পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে নদী ও খালগুলো দখলমুক্ত করে পানি প্রবাহ ঠিক রাখা হবে।  
  
বস্তিতে আগুন লাগলে বা কেউ কোনো প্রকার জুলুম-অত্যাচার চালালে দ্রæততম সময়ে তার তদন্ত করে জনসম্মুখে প্রতিবেদন প্রকাশ ও এক্ষেত্রে কেউ ইচ্ছাকৃত এ কাজ করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করে বিচারের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সিটি করপোরেশন।
 
বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

আপনার মন্তব্য