শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ জুন, ২০১৯ ২৩:৫৬

ডিবিএমের সভায় বক্তারা

বাজেটে গরিবদের জন্য কিছু নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘বাজেট করা হয় দেশের সব মানুষের উন্নয়নের জন্য। কিন্তু এ বছরের বাজেট হয়েছে আগের মতোই প্রথাবদ্ধ ধনী-ব্যবসায়ী শ্রেণির জন্য। বাজেটে কৃষক-শ্রমিক, গরিবদের জন্য কিছু নেই। এ ছাড়া শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কোনো বড় বরাদ্দ রাখা হয়নি। কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি।’ গতকাল ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন (ডিবিএম) এ সভার আয়োজন করে।

সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নেতা আবদুল্লাহ আল কাফী, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) কর্মকর্তা জাকির হোসেন প্রমুখ। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার মোস্তফা। স্বাগত বক্তব্য দেন ডিবিএমের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুরুল আলম মাসুদ।

এ বছরের বাজেট ঋণনির্ভর এবং তা লুটেরাদের পকেট ভারী করবে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ‘এ বাজেটের মাধ্যমে বৈষম্য কমবে না বরং বাড়বে।’ এ বাজেট মুক্তিযুদ্ধের দর্শনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মন্তব্য করে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘বাজেট পেশের আগে জনগণের মতামত নেওয়া হয় না। জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করা হয় না। এমনকি সংসদীয় কমিটিগুলোতেও এ বিষয়ে মতামত চাওয়া হয় না। বাজেটে ধনীদের জন্য সুবিধা দেওয়া হয়। গরিবের জন্য কিছু রাখা হয় না।’  জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘১০০ টাকা বরাদ্দ দিয়ে ৬০ টাকা লুটে নেওয়া হচ্ছে। তাই সরকারের নীতিতে পরিবর্তন না এলে বরাদ্দ বাড়িয়েও লাভ নেই। সরকার প্রতি বছর লাগামহীনভাবে প্রকল্পের ব্যয় বাড়াচ্ছে। এতে শুধু ঋণ বাড়ছে।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর