Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper

শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ আগস্ট, ২০১৯ ২২:২৯

বর্জ্য অপসারণ কাজে নামে সাধারণ মানুষও

নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্জ্য অপসারণ কাজে নামে সাধারণ মানুষও
বর্জ্য অপসারণে ব্যস্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটির কর্মীরা

ডেঙ্গুর ভয়াবহতার কারণে সারা দেশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে কোরবানির ঈদের পরও বেশ সতর্ক ছিলেন ঢাকাবাসী। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় সেই চিত্র লক্ষ করা গেছে।

কুরবানির বর্জ্য অপসারণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের পাশাপাশি নামেন সাধারণ মানুষও। এবারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে খুশি প্রায় সব পক্ষই। নির্দিষ্ট সময়েই বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা আগেই দিয়েছিল দুই সিটির কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে দুই সিটি করপোরেশনের বেশিরভাগ কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত জায়গায় কোরবানি হয়নি বললেই চলে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোরবানি হয়েছে বাসাবাড়ির সামনে ও রাস্তার ওপরে। অনেক এলাকাতেই এর কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে অনেককে। আবার অনেকেই নিজ দায়িত্বে পানি ছিটিয়ে পশুর রক্ত পরিষ্কার করেছেন। বর্জ্যগুলো প্যাকেটে ভরে রেখেছেন, যা পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পরে এসে অপসারণ করেছেন। রামপুরা ওয়াপদা রোডের ধলা মিয়া জানান, কোরবানির আগের দিন রাতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বর্জ্য রাখার জন্য প্লাস্টিকের বস্তা দেওয়া হয়। সকালে  কোরবানির পর সেই বস্তায় পশুর বর্জ্য ভরে নির্দিষ্ট স্থানে রাখি আমরা। পরে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা এসে সেগুলো নিয়ে গেছেন। একই অবস্থা দেখা গেছে ফার্মগেট গ্রিন রোড, কারওয়ানবাজার, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, বাড্ডা, মহাখালী, তেজগাঁও, জিগাতলা, কল্যাণপুর, জুরাইনসহ অন্য কয়েকটি এলাকায়। গ্রিন রোড এলাকায় দেখা গেছে, কোরবানি শেষে ব্যক্তিগতভাবে বর্জ্য পরিষ্কার করেন ভবনের বাসিন্দারা। পানি ছিটিয়ে রক্ত পরিষ্কার করে সেখানে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেওয়া হয়।  বাড্ডা ডিআইটি এলাকার আহমদ আলী জানান, সিটি করপোরেশন থেকে কোরবানির নির্দিষ্ট স্থান দেখিয়ে দিলেও বেশিরভাগ মানুষ নিজেদের বাড়ির সামনেই বা গ্যারেজে কোরবানি করেছেন। আর বর্জ্যগুলো প্রত্যেকে নিজ নিজ উদ্যোগে পরিষ্কার করেছেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নিজেদের তাগিদেই করতে হয়েছে। কারণ এমনিতেই ডেঙ্গুর মৌসুম। তাই অন্যের অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই কাজ করেছি।


আপনার মন্তব্য