শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:০০

খুলনার উন্নয়নে যত বৃহৎ প্রকল্প

কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসেছে কেডিএ

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

খুলনার উন্নয়নে যত বৃহৎ প্রকল্প

মাস্টারপ্লানে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০ ফুট সড়ক না থাকলে বাড়ির নকশা অনুমোদন দেওয়া হবে না- এমন সিদ্ধান্তে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)। তবে বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে পরিস্থিতি বুঝে ১২ ফুট সড়কেও ৫ তলা ভবনের নকশা অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প এবং সাতক্ষীরা সড়ক ও সিটি বাইপাস সড়ককে সংযুক্ত করে তিনটি লিংক রোড নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে কেডিএ। প্রায় ৬৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শহরের যানজট কমবে। জানা যায়, আবাসন সংকট নিরসনে কেডিএর আহসানাবাদ আবাসিক এলাকার (ময়ূরী প্রকল্প) উন্নয়ন ও রেস্টহাউস নির্মাণকাজ রয়েছে শেষ পর্যায়ে। এরই মধ্যে আবাসিক প্রকল্পে খেলাপি গ্রহীতাদের জরিমানা ও সারচার্জ মওকুফ করা হয়েছে।  কেডিএর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবদুল মুকিম সরকার বলেন, বিগত দিনে নানা কারণে প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়নে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে বর্তমানে কেডিএর সব প্রকল্পই গতি ফিরে পেয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে শহরের জনসংখ্যা, অবকাঠামো বৃদ্ধি ও যানজটের কথা চিন্তা করে ২০ ফুট সড়ক না থাকলে বাড়ির নকশা অনুমোদন দেওয়া হবে না- এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে ওই সিদ্ধান্ত বদলে বর্তমানে পরিস্থিতি বুঝে ১২ ফুট সড়কেও ৫ তলা ভবনের নকশা অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।

জানা যায়, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে প্রায় ৮৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও সাতটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে কেডিএ। প্রকল্পগুলো হচ্ছে- শেখ রাসেল সিভিক (কনভেনশন) সেন্টার নির্মাণ, খুলনা-মোংলা মাস্টারপ্লান পুনর্মূল্যায়নসহ মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন, কেডিএ বাস টার্মিনাল আধুনিকায়ন, ফুলবাড়িগেট রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস নির্মাণ, সিটি আউটার বাইপাস, জিমনেশিয়াম-সুইমিং কমপ্লেক্স ও মুজগুন্নি শিশুপার্ক পুনসংস্কার। এসব প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন, ফিজিবিলিটি স্টাডি কাজ চলমান রয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, মুজগুন্নি পার্কটিকে সংস্কার করে উন্মুুক্ত ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। যেখানে নির্মল বিনোদনের পাশাপাশি জনগন হাঁটাচলা ও বিশ্রাম নিতে পারবেন। এ ছাড়া নিজেদের অর্থায়নে নিউমার্কেট আধুনিকায়ন-পুনর্নির্মাণ, আধুনিক বিপণিবিতান নির্মাণ ও বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করবে কেডিএ।

বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির মহাসচিব শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন, কেডিএ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে কিছুটা হলেও কেডিএর প্রকল্পগুলোতে গতি আসতে শুরু করেছে। এগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হলে সুফল পাবে খুলনাবাসী।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর