শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৪১

রংপুরে দেড় কোটি মানুষের জন্য পিসিআর ল্যাব মাত্র দুটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

প্রতিদিনই করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়ছে। কিন্তু  রংপুর বিভাগে করোনা পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়েনি। বিভাগের দেড় কোটি মানুষের জন্য রয়েছে মাত্র দুটি পিসিআর মেশিন ল্যাব। এর একটি রংপুরে অপরটি দিনাজপুরে। রংপুর স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের মার্চে করোনা প্রকোপ শুরু হলে ঢাকার বাইরেও করোনা পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় রংপুর মেডিকেল কলেজে একটি, দিনাজপুর এম আবদুর রহমান মেডিকেল কলেজে একটি পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়। প্রতিদিন ল্যাবে ১৮৮ জনের পরীক্ষা করা সম্ভব। সে হিসাবে দুটি ল্যাবে প্রতিদিন ৩৭৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব। গত দুই সপ্তাহ থেকে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনক হারে। পরীক্ষাগার না থাকায় অনেকেই করোনা পরীক্ষা করাতে পারছেন না। করোনা পরীক্ষা করাতে আগ্রহী হলেও পিসিআর ল্যাবে সিরিয়ালের কারণে অনেকেই নমুনা পরীক্ষার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। আবার নমুনা দিলেও এর রিপোর্ট আসতে কয়েক দিন লেগে যাচ্ছে। এই সংকটকালে আরও পিসিআর মেশিন বাড়ানো না হলে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা জটিল হয়ে পড়বে। 

গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে ৩৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট পরীক্ষা হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৫০৯ জনের। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৫৭১ জন। ২৪ ঘণ্টায় এই বিভাগে মৃত্যুবরণ করেছেন দুইজন। এর মধ্যে একজন ঠাকুরগাঁওয়ে এবং একজন দিনাজপুরে। এ বিভাগে এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৩৬ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক দিয়ে বিভাগে সবচেয়ে বেশি দিনাজপুর জেলা। এই জেলায় ৫ হাজার ২৫৭ জন আক্রান্ত এবং এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ১২০ জন। এর পরের অবস্থানে রয়েছে রংপুর জেলা। এ জেলায় এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫৩ জন আক্রান্ত এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ৭৭ জন। সবচেয়ে কম শনাক্ত ও মৃত্যুবরণ করেছেন লালমনিরহাট জেলায়। এই জেলায় মোট আক্রান্ত ১ হাজার ৩২ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১২ জন। রংপুর বিভাগের ১২টি হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. আহাদ আলী জানান, রংপুর ও দিনাজপুরের দুটি পিসিআর মেশিন দিয়েই করোনা শনাক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ে এন্টিজেন পদ্ধতিতে পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। 

এই বিভাগের আরও খবর