শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩১ জুলাই, ২০২১ ২৩:৫২

লকডাউনে বন্ধ মেজর সিনহা হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ

কক্সবাজার প্রতিনিধি

Google News

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার এক বছর পূর্ণ হলো গতকাল। গত বছরের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার টেকনাফ মেরিনড্রাইভ সড়কের টেকনাফ বাহারছড়া পুলিশ চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। এ ঘটনায় সিনহার বোনের করা হত্যা মামলায় র‌্যাবের দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ এবং চার্জ গঠন করেছে আদালত। তবে লকডাউনে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়নি। ২৬ থেকে ২৮ জুলাই তিন দিন এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ছিল। কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম জানান, ২৭ জুন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল আসামিদের উপস্থিতিতে মামলাটির চার্জ গঠন করে ২৬, ২৭ ও ২৮ জুলাই বাদীসহ ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছিলেন। কিন্তু লকডাউনে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। ওই আদালতের পেশকার সন্তোষ বড়ুয়া জানান, লকডাউনের পরে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হলে জেলা ও দায়রা জজ নতুন করে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ দেবেন।

আদালতে দেওয়া চার্জশিটে জানা যায়, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিনড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান।

হত্যার পাঁচ দিনের মাথায় ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত, টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপসহ নয়জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাব-১৫। হত্যার পর চার মাসের বেশি সময় তদন্ত শেষে ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অভিযুক্ত ও ৮৩ জনকে সাক্ষী করে মামলার চার্জশিট জমা দেন র‌্যাব-১৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

মামলায় অভিযুক্ত বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর