Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৪০

রূপপুরের বালিশকাণ্ডে আরও ৭ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

রূপপুরের বালিশকাণ্ডে আরও ৭ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ

পাবনার রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বালিশকা-সহ দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গণপূর্ত বিভাগের সাত প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বলে কমিশনের জনসংযোগ কার্যালয় জানিয়েছে। দুদকের তলবে গতকাল কমিশন কার্যালয়ে হাজির হন গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম জিল্লুর রহমান, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম এবং উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, সুমন কুমার নন্দী, শাহীন উদ্দিন ও জাহিদুল করিম। এ বিষয়ে অনুসন্ধানে নিয়োজিত দুদকের একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। এর আগে বুধবার প্রথম দিন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. তারেক, তাহাজ্জুদ হোসেন এবং মো. মোস্তফা কামাল, উপসহকারী প্রকৌশলী মো. কামারুজ্জামান, মো. আবু সাঈদ ও মো. ফজলে হককে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। ৩ নভেম্বর গণপূর্তের ৩৩ প্রকৌশলীকে তলবি নোটিস পাঠায় দুদক। এরই অংশ হিসেবে গতকাল সাত প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো। এ ছাড়া দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আজও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা রয়েছে। ১৭ অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বালিশকা সহ দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানে মাঠে নামে দুদক। ওইদিন কমিশনের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি টিম গঠন করে সংস্থাটি। ওই টিমের দুই সদস্য হলেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ। জানা গেছে, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান ও অন্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী অস্বাভাবিক দামে কেনা দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হবে।

রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মাণাধীন গ্রিনসিটি আবাসন প্রকল্পের ২০ ও ১৬ তলা ভবনের আসবাব ও প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা ও ভবনে উত্তোলন কাজে অস্বাভাবিক ব্যয় নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, সেখানে একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে বালিশের দাম ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা, আর আর সেই বালিশ ফ্ল্যাটে ওঠানোর খরচ ৭৬০ টাকা দেখানো হয়েছে। এভাবে রেফ্রিজারেটর, টেলিভিশন, খাট, বিছানা, ওয়ারড্রোব, বৈদ্যুতিক চুলা, বৈদ্যুতিক কেটলি, রুম পরিষ্কারের মেশিন, ইলেকট্রিক আয়রন, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি কেনাকাটা ও ভবনে তুলতে অস্বাভাবিক খরচ দেখানো হয়েছে।


আপনার মন্তব্য