শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ মে, ২০১৯ ২৩:৩২

পাল্টে গেছে চিত্র

ঢাকা-কুমিল্লা দেড় ঘণ্টায়

মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা

ঢাকা-কুমিল্লা দেড় ঘণ্টায়

পাল্টে গেছে কুমিল্লা-ঢাকা যাতায়াতের চিত্র। এখন মাত্র দেড় ঘণ্টায় কুমিল্লা থেকে ঢাকা বা ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাতায়াত করা যাচ্ছে। এ ঘটনা অনেকটা স্বপ্নের মতো। কারণ আগে ঈদের সময় এই মহাসড়কে যাতায়াত করা ভয়াবহ দুর্ভোগের ছিল, যাতায়াত সময়ের কোনো হিসাব ছিল না। গত শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গোমতী নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় সেতু ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় সেতু উদ্বোধনের পর দেড় ঘণ্টায় যাতায়াতের এই স্বস্তি মিলেছে। এদিন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতু দুটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সরেজমিন দেখা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গোমতী ও মেঘনা সেতুর দুই পাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। রঙিন নতুন ব্রিজের ওপর দিয়ে বাস-ট্রাক চলে যাচ্ছে শাঁ শাঁ শব্দ তুলে। টোল প্লাজায় টোল আদায়ের পর আগের মতো সেতুতে ওঠার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। চার লেনের গাড়িগুলো সেতুতে উঠতে গিয়ে জটও সৃষ্টি হচ্ছে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকার দুর্ভোগও নেই। কামাল উদ্দিন ও মনিরুল ইসলাম নামের দুই বাসচালক জানান, ‘মেঘনা ও গোমতী নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় সেতু চালুর কারণে আমাদের আর যানজটে পড়তে হচ্ছে না। খুব সহজে ঢাকা থেকে আসা-যাওয়া করতে পারছি।’ খালেদ আহমেদ নামে এক যাত্রী বলেন, ‘বহু কাক্সিক্ষত দ্বিতীয় মেঘনা ও গোমতী সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের অবসান ঘটেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে না।

ঢাকা এখন বাড়ির পাশে চলে এসেছে।’ কুমিল্লা বাস মালিক সমিতির মহাসচিব তাজুল ইসলাম ও বাস মালিক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোতাহের হোসেন বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনের হলেও যানবাহনের চাপ বাড়লে দুই লেনের মেঘনা ও গোমতী সেতুর দুই পাশে যানজট সৃষ্টি হতো। এতে আমাদের ব্যবসার ক্ষতি হতো। দুর্ভোগে পড়তেন চালক ও যাত্রীরা। এখন সেতু চার লেন হওয়ায়  কোনো যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে না।’


আপনার মন্তব্য