শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:৩১

শূন্যে ঠেকল ডেঙ্গু

নিজস্ব প্রতিবেদক

শূন্যে ঠেকল ডেঙ্গু

ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে গত বছরের জুন থেকে আলোচনা ছিল তুঙ্গে। রাজধানীর গন্ডি ছাড়িয়ে এডিস মশা বাহিত এই জ্বর ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ায় হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগী ধারণের জায়গা ছিল না। গত নয় মাসের মধ্যে এই প্রথম গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের হাসপাতালে কোনো ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতালে কোনো ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়নি। তবে এখন পর্যন্ত ২৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ২৬ জন এবং অন্য বিভাগে ৩ জন। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ১৫২ জন। কন্ট্রোল রুম সূত্রে আরও জানা যায়, গত বছর জানুয়ারিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩৮ জন। অথচ এ বছর জানুয়ারির অর্ধেক পার না হতেই আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় চার গুণ বেশি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের কীটতত্ত্ববিদ খলিলুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ডেঙ্গু জ্বর ঠেকাতে এডিস মশার প্রজনন উৎস নষ্ট করতে হবে। এডিস মশার প্রধান বংশবিস্তার উৎস অর্থাৎ মাদার বিডিং সোর্স থাকায় লার্ভা বেঁচে থাকছে। বৃষ্টির পানি পেলেই এগুলো ফুটে বের হবে। তখন মশার ঘণত্ব নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

 তিনি আরও বলেন, শুষ্ক মৌসুমে জরিপ করেও আমরা মাদার বিডিং সোর্স হিসেবে চৌবাচ্চা, প্লাস্টিকের ড্রাম, লিফটের গর্ত, টায়ার, নির্মাণাধীন দালানের পানি জমে থাকা মেঝেকে চিহ্নিত করেছি। এসব উৎস নষ্ট করতে পারলে এডিস মশার ঘনত্ব কম থাকবে। দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ এবং নাগরিকরা সচেতন হলে আগামী বর্ষার আগে এডিস মশার বংশবিস্তারের উৎস কমানো সম্ভব। মশা কম থাকলে মানুষও কম আক্রান্ত হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর