শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ এপ্রিল, ২০২০ ২৩:৪২

বড় শিল্পের উদ্যোক্তারাও সংকটে

-ড. মোস্তাফিজুর রহমান

বড় শিল্পের উদ্যোক্তারাও সংকটে

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডির) সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, করোনার কারণে ছোট ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্পের মালিক- সবাই বিপাকে পড়েছেন। এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মানুষের জীবন রক্ষা। এজন্য তাদের খাদ্য ও স্বাস্থ্যসহায়তা দিতে হবে। উদ্যোক্তারা যাতে তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ধরে রাখতে পারেন। কোনোরকম ছাঁটাইয়ের চিন্তা না করেন সে ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকে। এমন বিপর্যয়ে নির্দিষ্ট তহবিল গঠন করে তাদের সহায়তা দিতে হবে। শুধু রপ্তানিমুখী শিল্পকে রক্ষা করলেই তো অর্থনীতি বাঁচবে না। মোট জিডিপির মাত্র ১৫ শতাংশ রপ্তানি খাত থেকে আসে। বাকিটা অন্য অভ্যন্তরীণ শিল্প, ভারী শিল্প; ছোট কিংবা মাঝারি শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। এমনকি এর সঙ্গে বড় একটা অবদান রয়েছে কৃষি খাতের। সরকার চাইলে এ শিল্প খাতের শ্রমিকদের মধ্যে রেশনিং করে খাদ্যসহায়তা দিতে পারে বলে তিনি মনে করেন। মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, স্বল্প সুদে ঋণের জন্য আলাদাভাবেও সহায়তা দেওয়া যেতে পারে। সবার আগে সরকারের উচিত নীতিসহায়তা নিশ্চিত করা। এরপর খাত ধরে ধরে সবাইকে সহায়তার আওতায় আনা যেতে পারে। এজন্য বন্ড ইস্যু করে একটা বড় তহবিল গঠন করা যেতে পারে বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরও বলেন, আমরা তো মাত্রই শিল্পর পথে হাঁটা শুরু করেছিলাম। এরই মধ্যে এমন বড় ধরনের দুর্যোগ শিল্প খাতকে বিপর্যস্ত করে ফেলেছে। সবই এখন স্থবির। আমাদের কৃষি খাত আগে থেকেই বেশ সমৃদ্ধ। কিন্তু শিল্প খাতের বিকাশ তো শুরু হয়েছে মাত্র। ফলে এ খাতকে সহায়তা দিয়ে টিকিয়ে রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পৃথিবীর ধনী দেশগুলো তো অনেক বড় প্যাকেজ ঘোষণা করছে। তাদের সে সামর্থ্যও রয়েছে।

কিন্তু আমাদের সম্পদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে; তার পরও সামর্থ্য অনুযায়ী সংকটকালীন সহায়তা দিতে হবে সব খাতকেই।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর