শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ২৩:২২

ইতিহাসের সাক্ষী মাইসাহেবা মসজিদ

মাসুদ হাসান বাদল, শেরপুর

ইতিহাসের সাক্ষী মাইসাহেবা মসজিদ

ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে শেরপুরের আনুমানিক ২৫০ বছর আগে নির্মিত ‘মাইসাহেবা’ মসজিদ। মুসলিম স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে বৃহত্তর অঞ্চলজুড়ে এর খ্যাতি রয়েছে। নানা সময়ে সংস্কারের মধ্যদিয়ে মসজিদটিতে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। আকার-আয়তন বেড়ে এটি এখন অত্র অঞ্চলের সবচেয়ে বড়, দৃষ্টিনন্দন স্থাপনায় পরিণত হয়েছে।

মসজিদের দুই পাশের সুউচ্চ দুটি মিনার ও মিনারের বর্ণিল আলোকচ্ছটা এর সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্র সরকারি কলেজের দক্ষিণ পাশে এ মসজিদের অবস্থান। স্থাপনাটি তিন তলা বিশিষ্ট। ছয় হাজার মানুষ এক সঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন। মহিলাদের জন্য আছে আলাদা নামাজের স্থান। সমগ্র মসজিদ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করার কাজ চলছে। নিরাপত্তার জন্য রয়েছে সিসি ক্যামেরা। মসজিদের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সংরক্ষণ ও তত্ত্বাবধান করেন  সালেমুন নেছা বিবি (জীবদ্দশা পর্যন্ত)। তার মৃত্যুর পর ভাগনে সৈয়দ আবদুল আলীর ওপর দায়িত্ব অর্পণ হয়। খোদার ধ্যানে সর্বদা মগ্ন ওই সালেমুন নেছাকে সবাই মা সাহেবা বলে সম্বোধন করতেন। ওই মা সাহেবা থেকেই                এর নামকরণ করা হয় ‘মাইসাহেবা মসজিদ’। মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা যায়, এর উন্নয়নে কোনো দিন টাকার সমস্যা হয়নি। প্রতি সপ্তাহের জুমার নামাজের পর কমিটির লোকেরা দানবাক্সের টাকা গণনা করেন। সপ্তাহে গড়ে অন্তত দুই লাখ টাকা আসে দানবাক্স থেকে। জেলা ও জেলার বাইরে থেকে অসংখ্য মানুষ এখানে আসেন জুমার নামাজ পড়তে। মসজিদ কমিটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন, কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে। কখনো টাকার কোনো অভাব হয়নি। এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি এখানের সব মানুষের আস্থার প্রতীক।


আপনার মন্তব্য