শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ মে, ২০২১ ২৩:৩০

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পে কর বৈষম্য দূর করুন

আবদুর রাজ্জাক

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পে কর বৈষম্য দূর করুন
Google News

২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দেশের বিকাশমান লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পে কর বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী একদিকে ২০২০ সালকে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পবর্ষ ঘোষণা করেছেন অন্যদিকে রাজস্ব প্রশাসন কর বাড়িয়েছে। আবার আমদানিতে ভ্যাট নেই। কিন্তু উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। কাঁচামাল আমদানিতে ৪৩ শতাংশ শুল্ককর বসানোর পর আরও ১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ মোট ৫৮ শতাংশ কর দিয়ে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা পূরণ হবে না। এ কর বৈষম্য দূর করতে হবে।

গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে আলাপকালে   বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমদানি পর্যায়ে আইন অনুযায়ী বাস্তবসম্মত শর্তাবলি পালন সাপেক্ষে মূলধনি যন্ত্র ও যন্ত্রাংশে মূসক অব্যাহতি রাখা হলেও উৎপাদন পর্যায়ে বেশ কিছু শর্ত পরিপালন করতে বলা হয়েছে। এর সঙ্গে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দাখিল এবং পরবর্তী অন্তত তিনটি ধাপে প্রায় তিন মাস যাচাই-বাছাইপূর্বক মূলধনি যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী হিসেবে অনুমোদন লাভের পরই কেবল মূসক প্রদান ছাড়া উৎপাদন করা যাবে।

তিনি বলেন, অর্থনীতি ও শিল্পের স্বার্থে মূলধনি যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ উভয় ক্ষেত্রে অর্থাৎ আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে একই রকম বিধিবিধান রাখা বাঞ্ছনীয়। নইলে দেশি শিল্পায়নের পথ রুদ্ধ হবে। বিদেশি পণ্যের বাজার সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে; যা আমাদের কারোরই কাম্য নয়। ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অন্তরায়।

ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, পণ্যের বিনিময়ে করযোগ্য পণ্য মেরামত বা সার্ভিসিংয়ের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি আগের মতো বহাল করা হোক। তাই সরকার-ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের আওতাভুক্ত অন্যতম সম্ভাবনাময় লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প খাতের বিকাশ ও প্রসারের স্বার্থে ভ্যাট অব্যাহতির তালিকা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। আমদানিকৃত পণ্য মালিকানা পরিবর্তন করলে ও পণ্যের ওপর স্বাভাবিক হারে শুল্ক ও কর প্রদান করতে হবে।

আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমদানিকৃত মূলধনি যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ যেহেতু কেবল শিল্পে উৎপাদনের জন্য ব্যবহার হওয়ায় ট্যারিফ সুবিধা দেওয়া হয়েছে তাই মালিকানা পরিবর্তনের পর একই কারণে অর্থাৎ শিল্পে উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হবে বিধায় মূসক অব্যাহতি দেওয়া যৌক্তিক।

এই বিভাগের আরও খবর