কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে কোহিনুর আক্তার (১৫) নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার হাত-পা বেঁধে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে। তারা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে পুলিশের কাছে। স্বজন প্রতিবেশীরা জানান, শনিবার বিকালে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয় কোহিনুর। আর বাড়িতে ফিরেনি সে। পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পায়নি। পরদিন রাতে বাড়ি থেকে তিন কিলোমিটার দূরে হামিদ পল্লীর কাছে নদীতে লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরনের পোশাক দেখে লাশ কোহিনুরের বলে শনাক্ত করেন তার মা। ঘটনাস্থলে পুলিশ যাওয়ার আগেই লাশটি স্রোতে ভেসে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করে। তারা হলো মিঠামইনের মহরপুর বেড়িবাঁধ এলাকার হৃদয় ও ইমরান। জিজ্ঞাসাবাদে তারা মেয়েটিকে নৌকায় নিয়ে তিনজন মিলে ধর্ষণের পর হত্যার করে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে।
ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল দুপুরে মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন মিঠামইনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান।