শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৪৮, শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৬

জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট

রামিসা হত্যার পরে যে প্রতিরোধের মনোভাবটি গড়ে উঠেছিল, সেটি ছিল ব্যাপক; বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কিশোরী ও কিশোরদের সেই সমাবেশটি, যেটিতে তারা বলেছিল, ‘আর না, ধর্ষণ, আর না।’ এই ‘না’ এটা অবশ্য আগেও শোনা গেছে। ধূমপানকে না বলুন, দুর্নীতিকে না বলুন নামে সমাবেশ ও শোভাযাত্রা হয়েছে। কোনো কোনো স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অসদুপায়কে ‘না’ বলার শপথ পর্যন্ত নেওয়ানো হয়েছে, শিক্ষক ও অভিভাবকদের নেতৃত্বে। কিন্তু তাতে ধূমপান, দুর্নীতি, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন, এসব যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে, তা নয়। রয়েই গেছে, বরং লকলকিয়ে বেড়ে উঠেছে। এক সেমিনারে সম্প্রতি বলা হয়েছে দেখলাম, অবৈধভাবে সমুদ্রযাত্রাকে ‘না’ বলুন। সে পরামর্শও কার্যকর হবে বলে মনে হয় না। দেশের সম্পদ অনবরত বাইরে পাচার হবে, আর দেশের কর্মসংস্থানবিহীন মানুষ ভাগ্যান্বেষণে বিদেশে যাওয়ার প্রাণ-বাজি-রাখা প্রচেষ্টায় ব্রতী হবে না, এমনটা আশা করাটা অসংগত বৈকি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবিরোধী গানগুলোর একটি ছিল, ‘আর নয় যুদ্ধ, আর নয় মায়েদের, শিশুদের কান্না।’ কিন্তু তাতে যুদ্ধ থামবার কথা নয়, থামেওনি। যুদ্ধ থেমেছে স্ট্যালিনের নেতৃত্বে রুশ বাহিনীর হাতে হিটলারের দুর্ধর্ষ বাহিনীর শোচনীয় পরাজয়ে। সমাজতান্ত্রিক শক্তি জয়ী হয়েছে, পুঁজিবাদী নাৎসিদের পরাভূত করে।

আজকের বিশ্বেও বিক্ষিপ্ত বিচ্ছিন্ন ‘না’ গুলোকে সংগঠিত করে একটি বৃহৎ ‘না’তে পরিণত করা চাই। এবং ‘না’ বলতে হবে কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা দেশকে নয়, গোটা বিশ্বজুড়ে পুঁজিবাদের যে ফ্যাসিবাদী নৃশংসতা চলছে, তাকেই। বাংলাদেশের দুর্গতিও বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত পুঁজিবাদী ব্যাধির কারণেই। ১৮৪৮ সালে রচিত কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টোতে উল্লেখ ছিল যে বিশ্বে ধনী-দরিদ্রের বিভাজন শতকরা ১০ জন বনাম ৯০ জন। সম্প্রতি নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ জোসেফ স্টিগলিৎজ দাবি করেছেন যে বিভাজনটি বর্তমানে উন্নীত হয়েছে একজন বনাম নিরানব্বইজনে। এই বৈষম্য কোনো একটি শাসক গোষ্ঠীকে বিদায় করলেই যে বিদায় নেবে তা নয়, কারণ ফ্যাসিবাদের নৃশংসতা সৃষ্টি কোনো বিশেষ দলের ‘কৃতিত্ব’ নয়, পুঁজিবাদের ফ্যাসিবাদী চরিত্রটা হচ্ছে বিশ্বজুড়ে বিরাজমান মারাত্মক এক ব্যাধির নাম। আর সে ব্যাধিটা হচ্ছে পুঁজিবাদী উন্নয়ন; যে উন্নয়ন মুনাফা ছাড়া অন্য কিছু চেনে না। স্থূল ভোগবাদ ভিন্ন অন্য কিছুকে মানে না। যার কাজটা হচ্ছে শোষণ ও বৈষম্যে সৃষ্টির মধ্য দিয়ে মানুষের সঙ্গে মানুষের, প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের, এমনকি ব্যক্তির সঙ্গেও তার নিজের বিচ্ছিন্নতা বৃদ্ধি করা। যেসব ঘটনার বিবরণ দিতে এবং পড়তে গিয়ে ঘৃণা ভিন্ন অন্য কিছু উৎপন্ন হয় না, সে ঘৃণাকে পরিচালনা করা দরকার গোটা ব্যবস্থা যে ‘উন্নতি’ ঘটাচ্ছে তার বিরুদ্ধে। ‘না’ বলা চাই গোটা ব্যবস্থাটাকে। পুলিশের পোশাক বদলালেই কি পুলিশি ব্যবস্থার চরিত্র বদলায়?

পুঁজিবাদী ব্যবস্থাটাকে অন্য কোনো নামে চিহ্নিত করাটা বিভ্রান্তিজনক। পুঁজিবাদকে চিনে নিতে হবে পুঁজিবাদ হিসেবেই, যার কেন্দ্রে রয়েছে সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা। ব্যক্তিগত মালিকানার অবসান ঘটিয়ে সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠার যে সংগ্রাম, সেটা যেমন স্থানীয়, তেমনি আন্তর্জাতিক। তবে লড়াইটা তো করতে হবে নিজেদের ভূমিতে দাঁড়িয়েই। এ লড়াই অবশ্যই রাজনৈতিক, কিন্তু এর জন্য প্রস্তুতিটা হওয়া চাই সাংস্কৃতিক। একাত্তরে আমরা স্বাধীন হয়েছি, কিন্তু স্বাধীনতার জন্য আমাদের পর্যাপ্ত সাংস্কৃতিক প্রস্তুতি যে ছিল না, সেটা একটি দুঃখজনক সত্য। ১৯৬৫-এর পাক-ভারত যুদ্ধে বাঙালি সৈন্যরা যেভাবে লড়াই করেছেন এবং প্রাণও দিয়েছেন; তার ভিতরকার জাতীয়তাবাদী অনুপ্রেরণাটা তো ছিল পাকিস্তানকে রক্ষা করার। জনচিত্তেও পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদের উদ্দীপনা জেগে উঠেছিল। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই সেই উদ্দীপনাকে হটিয়ে দিয়ে, সম্পূর্ণ বিপরীত যে চেতনাকে লালন করে আমরা একাত্তরে লড়েছি, সে চেতনাটা যে দুর্দমনীয় ছিল তা সত্য। কিন্তু চর্চা ও অনুশীলনের মধ্য দিয়ে তাকে সত্তার গভীরে নিয়ে যাওয়ার সময়টা তো পাওয়া যায়নি। যার ফলে যে মুক্ত স্বদেশের কথা আমরা ভেবেছি, সেখানে রাষ্ট্র এবং সমাজের চরিত্রটা কী দাঁড়াবে সেই ধারণাটি পরিষ্কার হয়নি। সমাজতন্ত্রের কথা আসে, না বলে উপায় ছিল না বলেই। যুদ্ধটা পরিণত হয়েছিল জনযুদ্ধে এবং যুদ্ধরত মানুষ ঔপনিবেশিক যুগের শোষণমূলক পুরোনো ব্যবস্থার অধীনেই রয়ে যেতে যে কিছুতেই রাজি হবে না, এটা ছিল সুস্পষ্ট। যুদ্ধকালে নেতৃত্ব ছিল যে আওয়ামী লীগারদের হাতে, তাঁরা মোটেই সমাজতন্ত্রী ছিলেন না। উল্টো ছিলেন সমাজতন্ত্রবিরোধী। কিন্তু সমাজতন্ত্রের কথাটা তাদের বলতে হয়, নির্বাচনের সময়ে ভোট পাওয়ার জন্য। এবং যুদ্ধের সময় যুদ্ধক্ষেত্রে অনুপস্থিত থেকেও নেতৃত্বে বহাল রাখার আত্যন্তিক প্রয়োজনে। ভারতের যে সরকার মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হতে আমাদের সাহায্য করে, তারাও ছিল সমাজতন্ত্রবিরোধীই। এবং তাদের বিশেষ রকমের শত্রুতা ছিল সমাজতন্ত্রীদের সঙ্গেই। যেজন্য গাত্রে সামান্য বামপন্থি গন্ধ-আছে-এমন সন্দেহভাজনদেরও তারা মুক্তিবাহিনীতে প্রবেশাধিকার দেয়নি।

কথা ছিল মুক্তিযুদ্ধের ভিতর দিয়ে উপনিবেশবাদী পুরাতন রাষ্ট্রটিকে ভেঙে প্রকৃত অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং পুরাতন সমাজকে বদলে ফেলে নতুন এক সমাজ প্রতিষ্ঠার। উপলব্ধি ছিল প্রকৃত গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজন হবে ব্যক্তিগত মালিকানার জায়গায় সামাজিক মালিকানা কায়েমের। সে স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। দুটি কারণে; প্রথম কারণ পাকিস্তানি বুর্জোয়াদের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে শাসনক্ষমতা উঠতি বাঙালি বুর্জোয়াদের দখলে চলে যাওয়া। দ্বিতীয় কারণ, স্বাধীনতার সংগ্রামকে জাতীয় মুক্তির সংগ্রামে পরিণত করার কর্তব্য পালনে সমাজতন্ত্রীদের ব্যর্থতা। ব্যর্থতার ওই ইতিহাস করুণ ও হতাশাব্যঞ্জক। জগৎজুড়ে আজ যে সংকট, সেটি সভ্যতার নয়, এমনকি মানবতারও নয়। সরাসরি মনুষ্যত্বের, এবং তার পেছনে ও সামনে রয়েছে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা। সামাজিক মালিকানার নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলাটাই হচ্ছে মনুষ্যত্বকে রক্ষা করার একমাত্র কার্যকর উপায়। সেই লক্ষ্যেই প্রয়োজন ব্যাপক সাংস্কৃতিক অনুশীলনের। যে কাজটা শুধু সমাজতন্ত্রীরাই করতে পারেন। এই সত্যটা সর্বক্ষণ সামনে থাকা দরকার যে সংস্কার আবশ্যক বটে, তবে সংস্কারে কুলাবে না; প্রয়োজন হবে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের, এবং সে পরিবর্তন সম্ভব করে তোলার জন্য সমাজবিপ্লবের কোনো বিকল্প নেই।

‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ বলেছেন ‘ভাঙ্ ভাঙ্ ভাঙ্ কারা, আঘাতে আঘাতে কর’। কারাগার ভাঙার সেই সমষ্টিগত আঘাতই এখন প্রয়োজন। নতুন কারাগার তৈরির জন্য নয়, বিশ্বকে পুঁজিবাদের পাষাণ কারাগার থেকে মুক্ত করার প্রয়োজনে।

ব্যক্তিগত মালিকানার বিপরীতে সামাজিক মালিকানা কীভাবে সফল হয়, তার অত্যন্ত ক্ষুদ্র কিন্তু কৌতূহলোদ্দীপক একটি দৃষ্টান্তও পাওয়া গেছে ফরিদপুর অঞ্চলের একটি গ্রামে। সেখানে উদ্যোগী এক ব্যক্তি তাঁর পিতা ও পিতামহের কবরের পাশে তিনটি ফুলের চারা রোপণ করেছিলেন। প্রথমটি কামিনীর, দ্বিতীয়টি হাসনাহেনার, তৃতীয়টি শিউলির। একসময়ে গাছে ফুলও ফুটেছিল। কিন্তু একবার গ্রামে গিয়ে তিনি দেখেন তিনটি গাছের একটি নেই; চুরি হয়ে গেছে। তিনি চিন্তা করলেন পুনরায় গাছ লাগাবেন। কিন্তু তাদের রক্ষা করার কাজটা কঠিন তো বটেই, ব্যয়বহুলও হবে। রাত্রির অন্ধকারে ও দিবালোকে দৈনিক আট ঘণ্টা করে পাহারা দিতে তিনজন পাহারাদার, তাদের বেতন, থাকার জায়গা, তদারকির ব্যবস্থা ইত্যাদি ইত্যাদি ছাড়া চলবে না। এবং রক্ষণের ব্যবস্থাটাকে অনেক দিন ধরে চালু রাখতে হবে। বুদ্ধি খাটিয়ে তিনি এক কাজ করেন।

গ্রামের পাঁচ শ পরিবারের প্রতিটির জন্য তিনটি করে চারা বরাদ্দ দিয়ে মোট পনেরো শটি চারা বিতরণ করেন। ব্যক্তিগত মালিকানার জায়গায় বৃক্ষের সামাজিক মালিকানার প্রতিষ্ঠা ঘটেছে। তাতে তাঁর খরচ কতটা কমল সে হিসাবটা বড় কথা নয়, বৃক্ষ ও ফুলে শোভিত হওয়ার সম্ভাবনায় গ্রামের মানুষ যে খুশি হলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশের যে উপকারটা ঘটল, ফুল ফোটার আগেই তার নিজের এবং গ্রামের যে সুনাম ছড়িয়ে পড়ল, এবং বাপদাদার কবরের পাশে বৃক্ষের শোভা ও সুরভি যে নিশ্চিত হলো, সেসব অর্জন মোটেই সম্ভবপর হতো না যদি পাহারাদার বসিয়ে গ্রামবাসীর ঈর্ষা উৎপাদনের এবং চৌর্যবৃত্তিতে উৎসাহীদের দমনের অনুৎপাদক কাজে নিজের উদ্ভাবনশীল বুদ্ধিমত্তাকে নিয়োজিত করতেন।

♦ লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: সংকট, সম্ভাবনা ও টেকসই সংস্কারের সময় এখনই
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: সংকট, সম্ভাবনা ও টেকসই সংস্কারের সময় এখনই
তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ভূরাজনীতি : বদ্বীপের অর্থনৈতিক মুক্তির কৌশলগত রূপরেখা
তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ভূরাজনীতি : বদ্বীপের অর্থনৈতিক মুক্তির কৌশলগত রূপরেখা
জুলাই চেতনা বনাম জুলাই নিয়ে ব‍্যবসা
জুলাই চেতনা বনাম জুলাই নিয়ে ব‍্যবসা
জামায়াতের রাজনৈতিক হতাশা ও অর্থনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা
জামায়াতের রাজনৈতিক হতাশা ও অর্থনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা
জিয়া পরিবারের কূটনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নতুন অধ্যায়
জিয়া পরিবারের কূটনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নতুন অধ্যায়
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
সংস্কার নাকি ক্ষমতা? জামায়াতের পরিকল্পিত রাজনৈতিক আন্দোলনের নেপথ্যের আসল কারণ কী
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কূটনীতিতে অনন্য উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
তুরস্কের বাংলাদেশ নীতি: মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানপন্থী, পরবর্তীতে জামায়াতকে সমর্থন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
জামায়াতের রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে কিছু প্রশ্ন
সর্বশেষ খবর
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে বাগড়া দিতে পারে বৈরী আবহাওয়া
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে বাগড়া দিতে পারে বৈরী আবহাওয়া

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, পাঁচ দিনজুড়ে বৃষ্টি; আট জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, পাঁচ দিনজুড়ে বৃষ্টি; আট জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

আত্মঘাতী গোলে সমতায় অস্ট্রেলিয়া
আত্মঘাতী গোলে সমতায় অস্ট্রেলিয়া

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ
শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনার সামনে সেমিফাইনালের 'সহজ' রাস্তা, কেপ ভার্দে পার করলেই অপেক্ষা করছে যারা
আর্জেন্টিনার সামনে সেমিফাইনালের 'সহজ' রাস্তা, কেপ ভার্দে পার করলেই অপেক্ষা করছে যারা

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে মিসর
প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে মিসর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির পাশে ছোট কফিনে ১৪ মাসের নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী
খামেনির পাশে ছোট কফিনে ১৪ মাসের নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব
ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট
জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পোশাক খাতের রপ্তানি আয় কমেছে
পোশাক খাতের রপ্তানি আয় কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শনির দশা কাটছে না
শনির দশা কাটছে না

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নকআউটে অস্ট্রেলিয়ার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, মিসরের দাপট
নকআউটে অস্ট্রেলিয়ার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, মিসরের দাপট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আশুরের গোলে মিসরের লিড
আশুরের গোলে মিসরের লিড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাওডোবা বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচজন গ্রেপ্তার
নাওডোবা বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচজন গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত অটোরিকশা থেকে পড়ে দোকানির মৃত্যু
চলন্ত অটোরিকশা থেকে পড়ে দোকানির মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পুঁচকে কেপ ভার্দের সমর্থনে 'পর্তু-জিল' জোট: মেসিদের বিদায় দেখতে একাট্টা যারা
পুঁচকে কেপ ভার্দের সমর্থনে 'পর্তু-জিল' জোট: মেসিদের বিদায় দেখতে একাট্টা যারা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লাকসামে চুরি হওয়া ২ লাখ টাকা উদ্ধার
লাকসামে চুরি হওয়া ২ লাখ টাকা উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা
সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা
ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফাঁদে আটকে ছটফট করা হরিণকে উদ্ধার বন বিভাগের
ফাঁদে আটকে ছটফট করা হরিণকে উদ্ধার বন বিভাগের

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটচাঁদপুরে মামার লাঠির আঘাতে ভাগ্নে নিহত
কোটচাঁদপুরে মামার লাঠির আঘাতে ভাগ্নে নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান
গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি কমছে, নদীভাঙন অব্যাহত
গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি কমছে, নদীভাঙন অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নয় : মির্জা ফখরুল
জামায়াত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নয় : মির্জা ফখরুল

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হরমুজে ফি আরোপকে ‘অনিবার্য’ ভেবে সব দেশের জন্য সমান নীতি চায় ইউরোপ
হরমুজে ফি আরোপকে ‘অনিবার্য’ ভেবে সব দেশের জন্য সমান নীতি চায় ইউরোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা অনুমোদনে আনন্দ মিছিল ও গণসংবর্ধনা
দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা অনুমোদনে আনন্দ মিছিল ও গণসংবর্ধনা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খেলতে হবে এমবাপেদের
৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খেলতে হবে এমবাপেদের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর মিরপুর ও মুগদায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৫৪
রাজধানীর মিরপুর ও মুগদায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৫৪

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৈরী আবহাওয়ায় উত্তাল সাগর, নিরাপদ আশ্রয়ে মাছ ধরার ট্রলার
বৈরী আবহাওয়ায় উত্তাল সাগর, নিরাপদ আশ্রয়ে মাছ ধরার ট্রলার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খুলনায় স্কুল ছাত্রীকে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি
খুলনায় স্কুল ছাত্রীকে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আমির খানের বিয়ে রবিবার, অতিথি তালিকা নিয়ে যা জানা গেল
আমির খানের বিয়ে রবিবার, অতিথি তালিকা নিয়ে যা জানা গেল

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভারতীয় ভিসা নিয়ে বিশেষ বার্তা হাইকমিশনের
ভারতীয় ভিসা নিয়ে বিশেষ বার্তা হাইকমিশনের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির বিদায় প্রস্তুতির মাঝে দীর্ঘ আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে আসলেন আইআরজিসি প্রধান
খামেনির বিদায় প্রস্তুতির মাঝে দীর্ঘ আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে আসলেন আইআরজিসি প্রধান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল
নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্প থেকে মুখ ফেরালেন সৌদি যুবরাজ?
ট্রাম্প থেকে মুখ ফেরালেন সৌদি যুবরাজ?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোথায় ছিল খামেনির লাশ, কেন এত দেরিতে দাফন প্রক্রিয়া?
কোথায় ছিল খামেনির লাশ, কেন এত দেরিতে দাফন প্রক্রিয়া?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা
শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিরকে বিয়ে করলেন মেক্সিকোর মেয়র!
কুমিরকে বিয়ে করলেন মেক্সিকোর মেয়র!

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী
বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন
অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা
ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবির আট বিভাগ একীভূত করে তিনটি করার প্রস্তাব
ঢাবির আট বিভাগ একীভূত করে তিনটি করার প্রস্তাব

১৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ব্রাজিলের জন্য যে কারণে এই নরওয়ে আরও ভয়ংকর
ব্রাজিলের জন্য যে কারণে এই নরওয়ে আরও ভয়ংকর

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল
দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল

১৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান
গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১০০০ গোলের মাইলফলকের আরও কাছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
১০০০ গোলের মাইলফলকের আরও কাছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ক্যামেরায় ধরা পড়ল রহস্যময় বন্যপ্রাণী
ক্যামেরায় ধরা পড়ল রহস্যময় বন্যপ্রাণী

১০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘মাইক্রোচিপ’ বাঁচিয়ে দিল পর্তুগালকে
‘মাইক্রোচিপ’ বাঁচিয়ে দিল পর্তুগালকে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষায় বসছে ১৮ এইচএসসি পরীক্ষার্থী
শনিবার বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষায় বসছে ১৮ এইচএসসি পরীক্ষার্থী

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ
স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মদ্রিচকে নিয়ে যা বললেন রোনালদো
মদ্রিচকে নিয়ে যা বললেন রোনালদো

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা
সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খামেনিকে চিরবিদায়ের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, জানাজা ঘিরে নজিরবিহীন প্রস্তুতি
খামেনিকে চিরবিদায়ের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, জানাজা ঘিরে নজিরবিহীন প্রস্তুতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিফা কি আর্জেন্টিনাকে বিশেষ সুবিধা দেয়— কী বললেন স্কালোনি
ফিফা কি আর্জেন্টিনাকে বিশেষ সুবিধা দেয়— কী বললেন স্কালোনি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদোকে ম্যাচসেরা ঘোষণা, এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময়-তীব্র বিতর্ক
রোনালদোকে ম্যাচসেরা ঘোষণা, এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময়-তীব্র বিতর্ক

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এখনো হৃতিকের পরিবারের প্রিয়পাত্র সুজান, আসল সত্য ফাঁস করলেন বোন ফারাহ
এখনো হৃতিকের পরিবারের প্রিয়পাত্র সুজান, আসল সত্য ফাঁস করলেন বোন ফারাহ

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগেই বিশ্বকাপ জয়ের ঘোষণা কেপ ভার্দের
আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগেই বিশ্বকাপ জয়ের ঘোষণা কেপ ভার্দের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুপুরের মধ্যে ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
দুপুরের মধ্যে ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চট্টগ্রামে অধরা দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারীরা
চট্টগ্রামে অধরা দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

স্পেন যে আছে ভুলতে বসেছিলাম
স্পেন যে আছে ভুলতে বসেছিলাম

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রে পালালেন দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ
যুক্তরাষ্ট্রে পালালেন দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ

মাঠে ময়দানে

স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের পর হত্যা
স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের পর হত্যা

দেশগ্রাম

বিগ ব্যাং-এর পরেই কি জ্বলে উঠেছিল এই নক্ষত্ররা?
বিগ ব্যাং-এর পরেই কি জ্বলে উঠেছিল এই নক্ষত্ররা?

টেকনোলজি

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার  ‘সামার স্যালাড’
প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার  ‘সামার স্যালাড’

শোবিজ

জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট
জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট

সম্পাদকীয়

শাহজাহান চৌধুরী
শাহজাহান চৌধুরী

শোবিজ

ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি ইয়াছিন সম্পাদক মুন্না
ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি ইয়াছিন সম্পাদক মুন্না

নগর জীবন

তিমির মহাসমাবেশ
তিমির মহাসমাবেশ

পরিবেশ ও জীবন

নাটক ‘আমাদের বিশ্বকাপ’
নাটক ‘আমাদের বিশ্বকাপ’

শোবিজ

বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড
বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড

নগর জীবন

আকিজ সিমেন্টের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স
আকিজ সিমেন্টের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স

নগর জীবন

চীনের শিলিন : পাথরের বনে প্রকৃতির শিল্পকর্ম
চীনের শিলিন : পাথরের বনে প্রকৃতির শিল্পকর্ম

পরিবেশ ও জীবন

জল ও যানজটমুক্ত করতে আরও ১২ প্রকল্প
জল ও যানজটমুক্ত করতে আরও ১২ প্রকল্প

নগর জীবন

ই-বর্জ্যরে বিষে ঝুঁকিতে গর্ভের শিশুও
ই-বর্জ্যরে বিষে ঝুঁকিতে গর্ভের শিশুও

পরিবেশ ও জীবন

খান আতা জোর করেই সিনেমায় আনেন
খান আতা জোর করেই সিনেমায় আনেন

শোবিজ

গাছ পেল জীবন্ত সত্তা ও আইনি অধিকার
গাছ পেল জীবন্ত সত্তা ও আইনি অধিকার

পরিবেশ ও জীবন

১৭১তম মহান সাঁওতাল বিদ্রোহ (হুল) দিবস
১৭১তম মহান সাঁওতাল বিদ্রোহ (হুল) দিবস

নগর জীবন

চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ক
চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ক

সম্পাদকীয়

আলুবোখারা চাষে বাজিমাত
আলুবোখারা চাষে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

টি স্পোর্টস
টি স্পোর্টস

মাঠে ময়দানে

ছয় পেশাদার ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
ছয় পেশাদার ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

ভর্তি স্থগিত হচ্ছে রাজশাহীর ১৫৪ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের!
ভর্তি স্থগিত হচ্ছে রাজশাহীর ১৫৪ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের!

নগর জীবন

জোভান-তটিনীর ‘কাজল চোখের মেয়ে’
জোভান-তটিনীর ‘কাজল চোখের মেয়ে’

শোবিজ

একসঙ্গে পাঁচ শিশুর জন্ম
একসঙ্গে পাঁচ শিশুর জন্ম

দেশগ্রাম

মারধরের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ
মারধরের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

সড়কে চাচি-ভাতিজিসহ ছয়জনের প্রাণহানি
সড়কে চাচি-ভাতিজিসহ ছয়জনের প্রাণহানি

দেশগ্রাম

ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে জনসচেতনতামূলক সভা
ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে জনসচেতনতামূলক সভা

দেশগ্রাম