শিরোনাম
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট, ২০২০ ২১:১১

ডিজে শাকিলকে সহযোগিতা করতেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের এক কর্মচারী

আবদুর রহমান টুলু, বগুড়া

ডিজে শাকিলকে সহযোগিতা করতেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের এক কর্মচারী
গ্রেফতার ডিজে শাকিল

চাকরি এবং ঋণ পাইয়ে দেয়ার নামে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নেয়া ১২০০ কোটি টাকার চেকসহ আটক হয়েছেন প্রতারক ডিজে শাকিল। এ ঘটনায় ডিজে শাকিলসহ তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে বগুড়ায় দায়ের করা পৃথক দু’টি মামলায় ৫ দিন করে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। 

গ্রেফতারের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ডিজে শাকিলের কাছ থেকে পাওনাদাররা টাকা পাওয়ার আশায় হন্য হয়ে ঘুরছে। এ ঘটনায় ডিজে শাকিলকে বহিষ্কার করা হয়েছে উপজেলা যুবলীগ থেকে। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বগুড়া ডিবি পুলিশের পরিদর্শক এমরান মাহমুদ তুহিন জানান, প্রতারক চক্রের ডিজে শাকিলসহ তিন সদস্যকে বগুড়া সদর থানায় দায়ের হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও প্রতারণার পৃথক দু’টি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। 

তিন জনকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হলে আদালতের বিচারক বিল্লাল হোসাইন তিন জনের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বর্তমানে তাদেরকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

ডিজে শাকিল এবং তার দুই সহযোগী হুমায়ুন কবির ও হারুনুর রশিদ সাইফুলকে গ্রেফতারের পর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য ভুক্তভোগী তাদের কাছে ফোন করতে শুরু করেছেন। যাদের অধিকাংশই শাকিলের প্রতারণার ফাঁদে ৫ লাখ থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত খুঁইয়েছেন। 

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাকিল গ্রেফতার হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা যুবলীগ থেকে শাকিলকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাড়াশ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চেত করেছেন। প্রতারক শাকিলের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে রয়েছেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মচারী। শরিফুল ইসলাম নামের পিয়ন পদের এই কর্মচারীর বাড়ি সিরাজগঞ্জে। মূলত বিভিন্ন নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য পাচার ও ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরিতে শরিফুল সহযোগিতা করেন শাকিলকে। সব জাল কাগজপত্রও তৈরি করা হয় তারই সহযোগিতায়। প্রতিটি জালিয়াতিতে প্রাপ্য টাকার অর্ধেক ভাগ নেন তিনি।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর