শিরোনাম
প্রকাশ : ৯ মে, ২০২১ ২২:১৪
প্রিন্ট করুন printer

ফরিদপুরে দেবে গেছে মহাসড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে দেবে গেছে মহাসড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন
Google News

ফরিদপুরে মহাসড়কের এক পাশের এক কিলোমিটার অংশ দেবে গেছে। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ফরিদপুর সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া সেতু থেকে শুরু করে দক্ষিণে মুসলিম মিশন কলেজ পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের এমন দশা।

সড়কের এমন অবস্থায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এর মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে চলছে সব ধরনের যানবাহন। দীর্ঘদিন ধরে এমন অবস্থা থাকলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি ফরিদপুর সড়ক বিভাগ।

গত শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, দেবে যাওয়া ওই অংশের গভীরতা  দুই থেকে তিন ইঞ্চি পর্যন্ত। সড়কের পাশে নেই কোনো অ্যাপ্রোচ সড়ক। ফলে বড় বড় যানবাহনের পাশাপাশি ছোট ছোট যানবাহন চলাচল ও পথচারীদের যাতায়তের ক্ষেত্রে সীমাহীন দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে।

কোমরপুর এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসনা বলেন, পাথর ভর্তি দশ চাকার ট্রাক চলায় সড়কের এই সর্বনাশ হয়েছে। গত দেড় বছর ধরে সড়কের ওই অংশ দেবে আছে। অথচ সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি সড়ক বিভাগ। বর্তমানে তীব্র রোদের কারণে প্রতিনিয়ত দেবে যাওয়ার পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে।

ফরিদপুর সদরের বৈঠাখালী গ্রামের বাসিন্দা ইজিবাইক চালক সুমন ইসলাম (৩২) বলেন, গাড়ি চালিয়ে ফরিদপুর শহর থেকে বাড়িতে আসতে কোনো সমস্যা হয় না, বিপদে পড়তে হয় শহরে যাওয়ার পথে। সড়কের যে অবস্থা তাতে প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা বড় বিপদের মুখে আছি। অ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকায় যানবাহনের কারণে প্রায়ই পথচারীদের পাশের খাদে পড়ে যেতে হয়।

অম্বিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ চৌধুরী বলেন, মহাসড়কের ওই এক কিলোমিটার অংশের অবস্থা খুবই নাজুক। প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করতে হয়, পথচারীদের চলতে হয়। গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়কের ওই অংশটি দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।

ফরিদপুর সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবুল হোসেন বলেন, মহাসড়কে সংস্কার কাজ একবার হলে তিন বছরের মধ্যে আর করা যায় না। ওই অংশে সর্বশেষ সংস্কার কাজ হয়েছে আড়াই বছর আগে। ফলে ইচ্ছে থাকলেও আমরা সংস্কার কাজ করতে পারছি না।

তিনি বলেন, সড়কের বাহিরদিয়া সেতু থেকে রাজবাড়ী রাস্তার মোড় এলাকা পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প সড়ক বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে। ওই প্রকল্পের মধ্যে সড়কের ওই অংশ কেটে সমান করে তার উপরে একটি প্রলেপ দেওয়া হবে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

 

এই বিভাগের আরও খবর