শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ মে, ২০২১ ১৯:১২
প্রিন্ট করুন printer

ঈদ শেষে বগুড়া থেকে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

ঈদ শেষে বগুড়া থেকে ঢাকায় ফিরছে মানুষ
Google News

বগুড়া থেকে ঢাকায় ছেড়ে গেছে দূরপাল্লার যানবাহন। ঈদের পরের দিন শনিবার রাত থেকে বগুড়া অঞ্চলের সড়ক মহাসড়ক দিয়ে দূরপাল্লার বাস চলপাচল করতে দেখা গেছে। অভ্যন্তরীণ রুট ছাড়াও ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়া দিয়ে নন ব্রান্ডের পরিবহন চলাচল করতে দেখা যায়। শনিবারের পর রবিবারও বগুড়া শহরের চারমাথা, ঠনঠনিয়া বাসস্ট্যান্ড, বনানী ও তিনমাথা থেকে বাস চলাচল করেছে।

অনেকেই আবার বাসের পরিবর্তে দুর্ভোগ নিয়ে ট্রাকে করে ঢাকায় নিজ নিজ কর্মে ফিরতে দেখা গেছে। ঢাকা ফেরক কর্মীজীবীরা জানান, ঢাকা থেকে ঈদ করতে বাড়ি ফেরার সময় তারা দুর্ভোগ মাথায় নিয়ে ট্রাকে করে ফিরলেও এবার তারা বাসে ফিরতে পারছে বলে দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে। তবে বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন থেকে দাবি করা হয়েছে, কোন বাসাই ছাড়ছে না। দুই একটা বাস গেলেও সেগুলো বগুড়া সীমানার মধ্যে প্রশাসন থেকে আটকে দিয়ে ফেরত দিচ্ছে। 

জানা যায়, চলতি মে মাসে করোনাভাইরাসের মধ্যে লকডাউনের কারণে দূরপাল্লার বাস চলাচলের কোন সিদ্ধান্ত না থাকলেও কিছু পরিবহন ব্যবসায়ী নিজেদের কথা ভেবে বাস ছেড়ে দিয়েছে। যদিও সরকারি নতুন প্রজ্ঞাপনে ১৬ মে মধ্যরাত থেকে বাস চলাচল পূর্বের মত বন্ধ রাখার ঘোষণা থাকলেও পরিবহন শ্রমিকরা সেসব মানছেন না। ঢাকা ফেরত কর্মীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ দামে সিট ভাড়া নিয়ে ঢাকায় ছেড়ে যাচ্ছে। বগুড়া শহরের তিনমাথা ও চারমাথা থেকে শনিবার রাত থেকে চলাচল করলেও শহরের ঠনঠনিয়া বাস স্ট্যান্ডে যাত্রীদের চাপে রোববার বেলা ১১টা থেকে বাস চলাচল করতে দেখা গেছে।

পরিবহন শ্রমিকরা সঠিক স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই প্রতিসিট ভাড়া নিচ্ছেন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা করে। তবে পরিবহনগুলো কোন নামী পরিবহন নয়। অধিকাংশ পরিবহনই লক্কর ঝক্কর মার্কা। কোন পরিবহন শ্রমকিরা আমরা অভ্যন্তরীণ রুটের বাসে যাত্রী নিয়ে ঢাকা চলে যাচ্ছে। এদিকে বগুড়া জেলার মহাসড়ক দিয়ে আন্তঃজেলা ট্রাক, বাস চলাচল করছে। যে কারণে করোনাভাইরাসের বিস্তার আরো বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ থাকায়, করোনাভাইরাসের লকডাউনের মধ্যে ঈদ করতে বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলে ফিরেছে হাজার হাজার যাত্রী। নানা কষ্ট আর দুর্ভোগ নিয়ে নাড়ীর টানে ঈদ করতে ঘরে ফিরে ঈদ উৎসব পালন করে আবারো কর্মেই ফিরছে অসংখ্য স্বজন। 

বগুড়া অঞ্চলের সড়ক মহাসড়কে চোখ রাখলে দেখা যায় খোলা ট্রাকে, মিনি ট্রাকে করে কর্মে ফিরছে। কোন কোন ট্রাক চালক দিগুণ ভাড়ায় ত্রিপল টানিয়ে দিয়ে ভাড়া হাঁকছেন দ্বিগুণ
লকডাউনে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বাসে ট্রাকে করে স্বাস্থ্য ঝুঁকিয়ে নিয়ে বগুড়া অঞ্চল থেকে কর্মে ফিরছে শতশত মানুষ।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, বাস চলাচল করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 
বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুবর রহমান জানান, বাস ছেড়ে যায়নি। দুই একটা বাস বের হলেও সেগুলো আবার জেলার শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল, বনানী ও শেরপুর উপজেলা, বগুড়ার শেষ সিমানা চান্দাইকোনায় ফেরত দিয়েছে। সব বাস লকডাউনে মধ্যে বাসস্ট্যান্ডে রয়েছে। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন

এই বিভাগের আরও খবর