শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৪২, সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। দেশটির ‘রিসিপ্রোকাল’ শুল্কনীতির প্রভাবই এই রপ্তানি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এর বাইরেও দেশটিতে ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের হার ও বৈশ্বিক নানা কারণকেও এই রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ধারায় আঘাত লাগার কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে। তথ্য-উপাত্ত বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে উল্লেখযোগ্য ধীরগতি দেখা গেছে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে।

বাংলাদেশের প্রতিযোগী ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার মতো দেশ পোশাক রপ্তানিতে স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখলেও বাংলাদেশের এভাবে কমে যাওয়া খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাবিয়ে তুলছে। শুধু যে রপ্তানি কমছে তাই নয়, আরো উদ্বেগের বিষয় হলো দেশটিতে ক্রেতারা বাংলাদেশি পোশাকের দামও কম দিচ্ছেন—যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের দপ্তরের (অটেক্সা) সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এ বিষয়ে বলেন, ‘বৈশ্বিক বাণিজ্যে এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। মার্কিন পাল্টা শুল্ক, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, জ্বালানিসংকট এবং দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা—সব মিলিয়ে রপ্তানি খাতের ওপর চাপ বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। ওই বাজারে রপ্তানি কমে গেলে দেশের পোশাকশিল্প সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরই মধ্যে অনেক বৈশ্বিক ক্রেতা অর্ডার কমিয়েছেন। পণ্যের দামের ওপর চাপ বাড়ছে। ক্রেতারা এখন বড় অর্ডারের বদলে ছোট ও স্বল্পমেয়াদি অর্ডারে ঝুঁকছেন। সামনে আরো কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।’

মার্কিন সংস্থা অটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি ছিল ৫৯৯ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭.৮০ শতাংশ কম। জানুয়ারি-মার্চ সময়ে দেশটির মোট আমদানি কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৭৩ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ১১.৬৩ শতাংশ কম।

বাংলাদেশ থেকে মার্চ ২০২৬-এ যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৬৬ কোটি ৪৯ লাখ ডলার, যা মার্চ ২০২৫-এর তুলনায় ৮.০৮ শতাংশ কম। জানুয়ারি-মার্চ সময়ে রপ্তানি কমেছে ৮.৩৮ শতাংশ, মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২০৪ কোটি ডলারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা চাহিদা হ্রাস, উচ্চ সুদের হার এবং আমদানি ব্যয়ের অনিশ্চয়তা বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যে চাপ সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি নতুন ট্যারিফ নীতি ও সরবরাহ শৃঙ্খলের জটিলতাও আমদানি প্রবাহকে প্রভাবিত করছে।

প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে ভিয়েতনাম তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে। মার্চে দেশটির রপ্তানি ২.৫২ শতাংশ এবং জানুয়ারি-মার্চ সময়ে ২.৭৭ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে কম্বোডিয়ার প্রবৃদ্ধি আরো শক্তিশালী—মার্চে ১৬.২২ শতাংশ এবং প্রথম প্রান্তিকে ১৭.৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অন্যদিকে চীনের রপ্তানি বড় ধরনের পতনের মুখে পড়েছে। মার্চে ৩৭.২৪ শতাংশ এবং জানুয়ারি-মার্চ সময়ে ৫২.৯১ শতাংশ কমেছে। ভারতের ক্ষেত্রেও রপ্তানি কমেছে ২৭ শতাংশের বেশি।

মূল্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশের পোশাকের ইউনিট মূল্যও কমেছে। মার্চ ২০২৬-এ গড় ইউনিট মূল্য ছিল প্রতি পিস ২.৮৬ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২.৭৭ শতাংশ কম। জানুয়ারি-মার্চ সময়ে কমেছে ২.৫৬ শতাংশ।

একই সময়ে রপ্তানি ভলিউমেও পতন দেখা গেছে। মার্চে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ কোটি ২৭ মিলিয়ন পিস পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৫.৪৬ শতাংশ কম। প্রথম তিন মাসে মোট ভলিউম কমেছে ৫.৯৭ শতাংশ।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু রপ্তানির পরিমাণ নয়, বরং ইউনিট মূল্য বৃদ্ধি ও পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে উচ্চমূল্যের ফ্যাশন ও টেকনিক্যাল টেক্সটাইল খাতে প্রবেশ না বাড়ালে দীর্ঘ মেয়াদে প্রতিযোগিতা ধরে রাখা কঠিন হবে।

তাঁদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে অনিশ্চয়তা আছে। তবে বাংলাদেশ এখনো যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান পোশাক সরবরাহকারী দেশ। কিন্তু টিকে থাকতে হলে উৎপাদন দক্ষতা, সরবরাহ সক্ষমতা এবং বাণিজ্য কূটনীতি আরো শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি কেডিএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রহমান বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তৈরি পোশাক খাতকে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় বিঘ্ন ও অস্থিরতা এবং বাংলাদেশের আসন্ন এলডিসি-পরবর্তী উত্তরণ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানো, পণ্যের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা এবং উচ্চমূল্যের বাজারে প্রবেশ বাড়ানোর বিকল্প নেই। একই সঙ্গে বাণিজ্য কূটনীতি জোরদার এবং নতুন বাজার অনুসন্ধানেও গুরুত্ব দেওয়ার আহবান জানান তিনি।

বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘মার্কিন বাজারে সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক প্রবণতা থাকলেও বাংলাদেশ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। চীন বাজার থেকে সরে যাওয়ায় সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারলে সামনে বড় সম্ভাবনা রয়েছে। পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে পারলে আরো ভালো করা সম্ভব।’

এপ্রিলের প্রেক্ষাপটে ৩১.২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

এদিকে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৩১.২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, গত বছরের বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিলে এই প্রবৃদ্ধি সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা যাবে না।

২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে দেশের পোশাক রপ্তানি ছিল ২৩৯ কোটি ডলার। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি নেমে আসে ৪৯ কোটি ডলারে, যা ছিল সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম নিম্নস্তর।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদুল ফিতরের কারণে উৎপাদন ও শিপমেন্টে ধীরগতি ছিল। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ‘লিবারেশন ডে’ শুল্কনীতি ঘোষণার পর বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, যার ফলে অনেক ক্রেতা অর্ডার স্থগিত করেন। এর সঙ্গে ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তও রপ্তানি কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি করে। ফলে এপ্রিল ২০২৫ ছিল ব্যতিক্রমী একটি মাস।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা

যুক্তরাষ্ট্রের ‘রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ সংক্রান্ত আদালতের সাম্প্রতিক রায়ে কিছু নির্দিষ্ট পক্ষের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ শুল্ক স্থগিত করা হলেও বেশির ভাগ আমদানিকারকের ক্ষেত্রে এটি এখনো কার্যকর রয়েছে।

এর ফলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের রপ্তানিকারকদের জন্য শুল্ক পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও মূল্য নির্ধারণে সতর্ক অবস্থান নিতে হচ্ছে।

পোশাক খাতের উদ্যোক্তা ও ট্যাড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান তুহিন বলেন, ‘বর্তমানে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন দেশে সুরক্ষামূলক বাণিজ্যনীতি, অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ, জাহাজীকরণ ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা পরিচালনাকে কঠিন করে তুলছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে তৈরি পোশাক খাতে।’

আশিকুর রহমান তুহিনের মতে, শুধু কম খরচে উৎপাদনের কৌশল দিয়ে দীর্ঘ মেয়াদে টিকে থাকা সম্ভব নয়। এখন উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন, প্রযুক্তিনির্ভর কারখানা, দক্ষ মানবসম্পদ এবং দ্রুত সরবরাহ সক্ষমতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে নতুন বাজার অনুসন্ধান ও বাণিজ্য কূটনীতি জোরদার করাও জরুরি।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান রপ্তানি খাতের এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে বাস্তবভিত্তিক ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। শিল্প-কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্রুত পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করতে হবে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’

শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ওপর নির্ভর না করে মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় নতুন বাজার সম্প্রসারণের আহবান জানান তিনি। একই সঙ্গে বন্দর সক্ষমতা বৃদ্ধি, লিড টাইম কমানো, কাস্টমস ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ব্যাংকঋণের সুদহার সহনীয় পর্যায়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সূত্র: কালের কণ্ঠ

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
বাজেটের আকার বড় হলেও এটি বাস্তবায়ন অসম্ভব নয় : এফবিসিসিআই
বাজেটের আকার বড় হলেও এটি বাস্তবায়ন অসম্ভব নয় : এফবিসিসিআই
দেশের সব নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই বাজেট প্রণয়ন: অর্থমন্ত্রী
দেশের সব নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই বাজেট প্রণয়ন: অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
জুনের প্রথম ১০ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি ২৫.৮৩ শতাংশ
জুনের প্রথম ১০ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি ২৫.৮৩ শতাংশ
অর্থনীতি পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে ৪ থেকে ৫ বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী
অর্থনীতি পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে ৪ থেকে ৫ বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী
বাজেটে মানুষের চাওয়ার প্রতিফলন ঘটেছে: অর্থমন্ত্রী
বাজেটে মানুষের চাওয়ার প্রতিফলন ঘটেছে: অর্থমন্ত্রী
ব্যাংকে কত টাকা থাকলে কর দিতে হবে না
ব্যাংকে কত টাকা থাকলে কর দিতে হবে না
সামষ্টিক অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনই বড় চ্যালেঞ্জ: সিপিডি
সামষ্টিক অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনই বড় চ্যালেঞ্জ: সিপিডি
দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
জুনের ১০ দিনে এলো ১২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
জুনের ১০ দিনে এলো ১২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
সর্বশেষ খবর
শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

১ সেকেন্ড আগে | রাজনীতি

মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী
মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী

৫৫ সেকেন্ড আগে | মন্ত্রীকথন

হবিগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
হবিগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা
গাইবান্ধায় ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার ব্রিটিশ কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ বাফুফের
এবার ব্রিটিশ কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ বাফুফের

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুরে অনুদানের চেক প্রদান
দিনাজপুরে অনুদানের চেক প্রদান

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফুটবল উন্মাদনায় হলিউডে বেকহ্যাম-টম ক্রুজ
ফুটবল উন্মাদনায় হলিউডে বেকহ্যাম-টম ক্রুজ

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু
ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁয় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
নওগাঁয় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কুয়াকাটায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
কুয়াকাটায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়াকাটায় ‘সংকটে আনন্দে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা
কুয়াকাটায় ‘সংকটে আনন্দে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা
অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী
রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী

৩১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?
নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ
বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা
জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন
চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা
কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা
আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন
সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ
জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা
নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?
কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর
বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা
নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস
চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা
বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম
নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান
মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান
বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র
বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’
‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল
মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার
ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা
অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান
আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?
মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’
আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু
মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?
আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান
ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ
ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাগেজ হারিয়েছে সৌদিতে, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
লাগেজ হারিয়েছে সৌদিতে, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী
ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট
তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

অবাস্তব পরিকল্পনা নেই
অবাস্তব পরিকল্পনা নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী
অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী

পেছনের পৃষ্ঠা

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম