শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:৫৪
প্রিন্ট করুন printer

মানসিক অস্থিরতা দূর করে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক অস্থিরতা দূর করে যেসব খাবার
প্রতীকী ছবি

বিষণ্ণতা ধীরে ধীরে আমাদের মন থেকে শরীরে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। মনের অসুখের দ্রুত চিকিৎসা না করালে ছুটতে হয় শরীর নিয়েও। ঘন ঘন মন খারাপ বা মানসিক অস্থিরতায় ভুগলে তাই পরামর্শ নিতে হবে মনরোগ বিশেষজ্ঞের। অবশ্য সমাধান দিয়েছেন পুষ্টিবিদরাও। মন খারাপ ভাব কাটানোর জন্য আছে বিশেষ কিছু খাবার। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে সেই সব খাবারের কথাই তুলে ধরা হলো-

ভিটামিন ডি

মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকতে ভিটামিন ডি ভালো কাজ করে। এই ভিটামিন মেজাজ খিটখিটে হতে বাধা দেয়। কোনও কারণ ছাড়া হতাশা গ্রাস করলে বুঝবেন শরীরে হয়তো 'ভিটামিন ডি' এর ঘাটতি আছে। এর অভাব পুষিয়ে নেওয়া যায় সহজেই। দুধ, কুসুমসহ ডিম, সূর্যের আলো 'ভিটামিন ডি' এর জন্য যথেষ্ট। প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যালোকে থাকার চেষ্টা করুন।

ভিটামিন বি-১২

অবসাদ, ক্লান্তি ইত্যাদি বেড়ে যায় 'ভিটামিন বি ১২' এর অভাবে। গড়ে প্রতিটি মানুষের প্রতিদিন ২.৪ মাইক্রোগ্রাম পরিমাণ 'ভিটামিন বি ১২' এর দরকার হয়। পনির, কম চর্বিযুক্ত দই, দুধ- এসব 'ভিটামিন বি ১২' এর চাহিদা পূরণে বেশি ভূমিকা রাখে। আধুনিক বিজ্ঞান বলে 'ভিটামিন বি ১২' আমাদের শরীরে ভালো লাগার হরমোনকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে মেজাজ ফুরফুরে থাকে।

ম্যাগনেসিয়াম

মানসিক যেকোনও সমস্যা মোকাবিলায় ম্যাগনেসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে প্রাকৃতিক ব্যাথানাশক বললেও ভুল হবে না। ডার্ক চকলেট, পালং শাক, বাদামে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।

ভিটামিন সি

'ভিটামিন সি'-কে বলা যেতে পারে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার যম। জটিল পরিস্থিতিতে পড়লে আগে এক গ্লাস কমলার জুস খেয়ে দেখা যায়। মাথার ভার অনেকটাই কমে আসবে। মনকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতে ভিটামিন সি অনবদ্য।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৪৩
প্রিন্ট করুন printer

দাঁত দিয়ে নখ কাটার বদভ্যাস, কেন এমন হয়?

অনলাইন ডেস্ক

দাঁত দিয়ে নখ কাটার বদভ্যাস, কেন এমন হয়?
প্রতীকী ছবি

প্রতিদিন আপনার চারপাশে এমন অনেককেই দেখতে পান, যারা দাঁত দিয়ে নখ কাটেন। নখ হাতে না থাকলেও দেখা যায়, হঠাৎ করেই নখের চামড়া কাটছেন দাঁত দিয়ে। অনেকে এটিকে বদভ্যাস বললেও চিকিৎসকের ভাষায় বলা হয় 'ওনিকোফেজিয়া' । ছোটবেলা থেকে এই বদভ্যাস অনেকে পরেও ছাড়তে পারেন না। কিন্তু কেন এমন হয়? এর কারণ জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকদের মতে, বিশেষত কয়েকটি কারণের জন্য সাধারণ মানুষ দাঁত দিয়ে নখ কেটে থাকেন। বিরক্তিভাব, একঘেয়েমিভাব বা চঞ্চল স্বভাবের জন্য অনেকে দাঁত দিয়ে নখ কেটে থাকেন। কোনও কাজ প্রচন্ড মনোযোগে করলেও নিজের অজান্তেই নখ চলে যায় দাঁতের কাছে। আবার অনেকে উদ্বেগ কাটাতে নখ দিয়ে দাঁত কেটে থাকেন। আবার এই ধরনের অভ্যাস অনেক সময় মানসিক রোগের লক্ষণও হতে পারে। এডিএইচডি, ওসিডি, ডিপ্রেসিভ ডিসওর্ডারের মত সমস্যার লক্ষণ হতে পারে মত চিকিৎসকদের।

দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস থেকে থাকলে তা শীঘ্রই বন্ধ করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে নখ দাঁত দিয়ে কাটতে থাকলে শুধু নখের গঠন নষ্ট হয়না, হতে পারে ফাংগাল ইনফেকশনও। এমনকী পেটের মধ্যে নখের কণা গিয়ে নানারকম সমস্যা তৈরি করতে পারে। নখ কাটার বদভ্য়াস থেকে বেরিয়ে আসার বেশ কয়েকটি সহজ উপায়ের কথাও বলেছেন চিকিৎসকরা। দেখে নিন একনজরে- 

নখ বাড়লে তা দাঁত দিয়ে না কেটে নেল কাটার দিয়ে সুন্দর করে কাটুন। অথবা বিউটি পার্লারে গিয়ে মেনিকিউর করান। যদি আপনি নখের পিছনে টাকা খরচ করেন তাহলে তা দাঁত দিয়ে কেটে নষ্ট করার প্রবণতা অনেকটাই কমে যাবে। নেইল পলিশ ব্যবহারের দিক নজর দেওয়া উচিত। কারণ নেল পলিশ থাকলে যখনই দাঁত দিয়ে নখ কাটতে যাবেন অদ্ভুদ স্বাদ মুখে আসবে। স্বভাবতই মুখ থেকে হাত এমনই সরে যাবে।

মনকে সচেতন করুন। একদিনে নয়, এটা সম্পূর্ণ অভ্যাসের ব্যাপার। যখনই দাঁত দিয়ে নখ কাটতে যাবেন, নিজেকেই নিজে শাসন করুন। দেখবেন এই বদঅভ্যাস খুব সহজে ছেড়ে যাবে আপনাকে। আর সবশেষে ধৈর্য রাখুন। ভাল হোক বা খারাপ, অভ্যাস বদলাতে সময় লাগে। তাই সময় দিন নিজেকেও। শরীর সুস্থ রাখতে যত্ন রাখুন নিজের।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

হজম শক্তি বাড়াবে ও পাকস্থলির সমস্যা দূর করবে আলু

অনলাইন ডেস্ক

হজম শক্তি বাড়াবে ও পাকস্থলির সমস্যা দূর করবে আলু

আমরা সবাই খাই ফলের রস। কিন্তু আলুর রস কী খাবো? এই আলুর রসে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। আলুর রসে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকায় এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। নিয়মিত আলুর রস খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। 

আলুর রস হজম শক্তি বাড়ায়, অ্যাসিডিটি কমায় ও পাকস্থলির সমস্যা দূর করে। লাল আলুর রস আলসার কমাতে সাহায্য় করে। আলুর রসে ভিটামিন-সি থাকায় এটি সর্দি-কাশি কমাতে সাহায্য় করে। 

কাঁচা আলুর রসে প্রাকৃতিক সুগার ও কার্বোহাইড্রেট থাকায়, এটি শারীরিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য় করে। 

ওজন কমাতে ও ক্ষত স্থান থেকে রক্তপাত কমাতে আলুর রস ভাল কাজ দেয়। লিভার পরিষ্কার রাখতে খুব ভাল কাজ দেয় আলুর রস। আলুর রস হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:৩৬
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে বেল

অনলাইন ডেস্ক

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে বেল

অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাসের কারণে প্রায়ই অনেকের হজমের সমস্যা দেখা দেয়। ফলে বদহজম, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ব্যাথা সমস্যা লেগেই থাকে। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য বেলের শরবত একমাত্র সমাধান। রোজ বেলের শরবত হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে।

সর্বরোগ থেকে মুক্তি পেতে বেল স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বেল আধা পাকা সেদ্ধ ফল আমাশয়ে অধিক কার্যকরী। বেল পেট ঠাণ্ডা রেখে খাবার হজমে অত্যন্ত সহায়তা করে। বেলের শরবত হজমশক্তি বাড়ায় এবং শক্তি বৃদ্ধি করে। বেলের পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে চোখের ছানি ও জ্বালা উপশম হয়। পাতার রস, মধু ও গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে জন্ডিস রোগ নিরাময় হয়।
 
বেল পুষ্টিগুনে ভরপুর। ১০০ গ্রাম বেলের শাঁসে থাকে- পানি ৫৪.৯৬-৬১.৫ গ্রাম, আমিষ ১.৪-২.৬২ গ্রাম; স্নেহ পদার্থ ০.২-০.৩৯ গ্রাম; শর্করা ২৮.১১-৩১.৮ গ্রাম; ক্যারোটিন ৫৫ মিলিগ্রাম; থায়ামিন ০.১৩ মিলিগ্রাম; রিবোফ্ল্যাবিন ১.১৯ মিলিগ্রাম; নিয়াসিন ১.১ মিলিগ্রাম; এসকর্বিক এসিড ৮-৬০ মিলিগ্রাম এবং টারটারিক এসিড ২.১১ মিলিগ্রাম।

নানা ঔষধি গুণে ভরপুর বেলের মৌসুম চলছে। সর্বরোগ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত এই ফল খেতে পারেন। বেলের ভিটামিন সি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বেল নিয়মিত খেলে কোলন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায়।

 

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:০৩
প্রিন্ট করুন printer

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বাদাম কার্যকর

অনলাইন ডেস্ক

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বাদাম কার্যকর

বাদাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। বাদামে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ খনিজ দ্রব্য। ২১ শতাংশ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে বাদাম। এই খনিজ উপাদানটি ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, মেটাবলিজম, কোষে ক্যালসিয়াম শোষণ এবং ব্লাডসুগার কমাতে সাহায্য করে।

হার্ট সুস্থ রাখতে বাদামের কোন বিকল্প নেই। বাদামে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং মিনারেল থাকে। যা হার্ট অ্যাটাক এবং হৃদযন্ত্রজনিত অন্যান্য সমস্যা কমিয়ে দেয়। বাদামে ট্রিপটোফ্যানও থাকে যা ডিপ্রেশন কমাতেও সাহায্য করে।

বাদাম ত্বকের তারুণ্যতা ধরে রেখে ত্বকের উজ্জ্বল বাড়ায়। বাদামে উপস্থিত মনোস্যাচুরেটেড অ্যাসিড ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে ও ত্বকে উজ্জ্বলতা নিয়ে আসে। এটি দেহকোষ বাড়তেও সাহায্য করে। বাদামে প্রচুর প্রোটিন থাকে। দেহকোষের বাড়াতে প্রোটিন সাহায্য করে।

শিশুদের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাদামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এর মধ্যে দুধের গুণাগুণও বিদ্যমান থাকে । তাই কেউ যদি দুধ খেতে না পারেন সেক্ষেত্রে বাদাম বিকল্প হতে পারে।

এছাড়াও, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে সাহায্য করে। ভিটামিন ‘সি’ বাদামেও পাওয়া যায়।  শীতে সর্দি-কাশির মত সমস্যা প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন বাদাম খেলে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে   শরীরেরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী হয়।

আমাদের দেশে চিনা, কাঠ ও কাজুবাদাম বেশি পাওয়া যায়। চিনা বাদাম সহজলভ্য হওয়াই আমরা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারি। বাদাম সব বয়সীদের জন্য বেশ উপকারী।  

 

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:৫৯
আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:০৪
প্রিন্ট করুন printer

ক্যান্সার ও টিউমার বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয় মাশরুম

অনলাইন ডেস্ক

ক্যান্সার ও টিউমার বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয় মাশরুম

দৈনন্দিন জীবনে খাদ্যতালিকায় মাশরুম রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। মাশরুমের মধ্যে প্রায় ৭ হাজার প্রজাতি আছে, তন্মধ্যে ১০০ প্রজাতির মতো মানুষের ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। এটি মাংসল ছত্রাক থেকে হয়, যা আদিকাল থেকে সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

মাশরুম একটি এন্টিঅক্সিডেন্ট ধারণকারী উচ্চতর খাদ্য উপাদান যা স্তন ক্যান্সার, উচ্চ কোলেস্টেরল, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং মেদ প্রতিরোধে সাহায্য করে। গর্ভবতী মহিলাদের মাশরুম রক্তস্বল্পতার দূর করে। মাশরুমের মধ্যে আলু, গাজর এবং বীটের মতো বেশি প্রোটিন থাকে যা শরীরের ওজন কমানোর জন্য ভালো উৎস।

মাশরুমের প্রোটিন অতি উন্নতমানের। একটি পরিপূর্ণ প্রোটিনের পূর্বশর্ত হলো মানব দেহের অত্যাবশ্যকীয় ৯টি অ্যাসিডের উপস্থিতি। মাশরুমে এই ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড বিদ্যমান। ১০০ গ্রাম শুকনো মাশরুমে ২৫-৩৫ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। অন্যদিকে, মাছ, মাংস, ডিম এর মধ্যে ১০০ গ্রাম মাছ, মাংস ও ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ হলো যথাক্রমে ১৬-২২ গ্রাম , ২২-২৫ গ্রাম  ও ১৩ গ্রাম মাত্র।

মাশরুমে শস্য, ডাল, শাক সবজি হতে অনেক বেশি প্রোটিন এবং অ্যামাইনো এসিড বিদ্যমান থাকে যার পরিমাণ ১টি ডিমের চেয়েও বেশি। মাশরুমে নাইসিন নামক খনিজ পদার্থ রয়েছে, যা অন্য কোন সবজির চেয়ে দশ গুণ বেশি।

সূর্যের আলোর সংস্পর্শে যে মাশরুম উৎপন্ন হয় তাতে প্রচুর ভিটামিন ডি থাকে, যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে মাশরুম বেশ উপকারী। নিয়মিত মাশরুম খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সার ও প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। মাশরুমের ফাইটোকেমিক্যাল টিউমারের বৃদ্ধিতে বাঁধার সৃষ্টি করে।  

গবেষণায় জানা যায়, 'লাল মাংসের পরিবর্তে সাদা মাশরুম গ্রহণ করলে ওজন কমে। মাশরুমে উচ্চমাত্রার ফাইবার বা আঁশ থাকে, সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে এবং প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। অন্যান্য প্রাণিজ আমিষ যেমন -মাছ, মাংস, ডিম চর্বি সম্পৃক্ত অবস্থায় থাকায়  অতি তা মাত্রায় গ্রহণ করলে শরীরে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পেয়ে মেদ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ প্রভৃতি জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।' 

মাশরুমের ফাইবার বা আঁশ পাকস্থলী দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখতে সাহায্য করে। মাশরুম রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে। মাশরুম ঠাণ্ডা জনিত রোগ প্রতিরোধ করে। ত্বককে নরম ও কোমল রাখে মাশরুম কারণ এতে ৮০-৯০ ভাগ পানি থাকে। 

 


সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর