শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৬

লটকনের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

শাইখ সিরাজ
প্রিন্ট ভার্সন
লটকনের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

গ্রামের সেই আদি রূপ, যা আমাদের শৈশব কিংবা কৈশোরের স্মৃতির পাতায় জমা হয়ে আছে, তা আজ আর সহজে চোখে পড়ে না। নগরায়ণ, শিল্পায়ন আর আধুনিকতার তীব্র গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে সবুজের সেই চাদর। কিন্তু এর মধ্যেও কিছু ব্যতিক্রমী অঞ্চল এখনো প্রকৃতির আদিম রূপটি ধরে রেখেছে। বুক ভরে শ্বাস নেওয়ার মতো সবুজ আর মনোরম পরিবেশ জিইয়ে রেখেছে। এমনই এক জনপদ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার নয়নপুর গ্রাম। নামটির মতোই এর রূপ-সত্যিই নয়ন জুড়ানো সুন্দর। এই নয়নপুর গ্রামের একজন সাধারণ মানুষ হাফেজ রোকন উদ্দিন। আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ হলেও তাঁর চিন্তা ও উদ্যোগ কিন্তু একেবারেই অসাধারণ। নিজের চার বিঘা জমিতে তিনি গড়ে তুলেছেন স্থানীয় জাতের লটকনের এক বিশাল সমাহার, যেখানে কাজ করছেন লটকনের জাত উন্নয়নে। প্রথাগত কৃষির বাইরে গিয়ে একক প্রচেষ্টায় একটি বুনো ফলকে কীভাবে বাণিজ্যিক ও মানসম্মত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া যায়, রোকন উদ্দিনের বাগানটি তারই উদাহরণ।

বাংলাদেশে লটকন চাষের ইতিহাসের সঙ্গে নরসিংদী জেলার নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রায় ২৫০ বছর আগে থেকেই নরসিংদীর মানুষ লটকনের সঙ্গে পরিচিত। তবে শুরুতে এটি কেবল পাহাড়ি বা জঙ্গল এলাকার একটি সাধারণ ‘বুনো ফল’ হিসেবেই পরিচিত ছিল। গ্রামাঞ্চলে একে অনেকে ‘কানা টক’ বা ‘বুবি’ নামেও ডাকত। সে সময় এর কোনো বাণিজ্যিক কদর তো ছিলই না, বরং বনের ফল হিসেবে মানুষ অবহেলা করত।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কৃষকদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে শুরু করে। তারা বুঝতে পারেন যে লটকন চাষে উৎপাদন খরচ খুবই কম, কিন্তু এর লাভ অন্য অনেক প্রচলিত ফলের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। বিশেষ করে নরসিংদীর শিবপুর, বেলাব এবং রায়পুরা এলাকায় লটকনের ব্যাপক বাণিজ্যিক চাষ শুরু হয়। আর এর মাধ্যমেই বুনো ফলটি রূপান্তরিত হয় কৃষকের ভাগ্য বদলের অন্যতম প্রধান হাতিয়ারে। এই রূপান্তরের সবচেয়ে বড় মাইলফলকটি অর্জিত হয় ২০০৮ সালে। সে বছর থেকে নরসিংদীর লটকন ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হতে শুরু করে। যা ছিল এই ফলের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। আজ লটকন কেবল নরসিংদীতে সীমাবদ্ধ নেই; এর পুষ্টিগুণ ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারণে এখন সারা দেশেই কম-বেশি লটকনের চাষ হচ্ছে। তবে সমস্যা একটাই, বাণিজ্যিক সফলতার জন্য যে ধরনের ভালো ও উন্নত জাতের চারা প্রয়োজন, তা পাওয়া এখনো বেশ কঠিন। আর ঠিক এই সংকটটি দূর করতেই ভালুকার রোকন উদ্দিনের মতো উদ্যোক্তারা নিজেদের মতো করে সিলেকশন ও জাত উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

হাফেজ রোকন উদ্দিনের বাগানটিতে ঢুকলে চোখ জুড়িয়ে যায়। বাড়ির পাশেই চার বিঘা জমিতে গড়ে তোলা এই বাগানে বর্তমানে প্রায় ২০০টি লটকন গাছ রয়েছে। গাছগুলোর বৈশিষ্ট্য হলো, এদের কাণ্ড থেকে শুরু করে ডালপালা পর্যন্ত থোকায় থোকায় লটকন ঝুলে থাকে। ইতোমধ্যে তিনি তাঁর বাগান থেকে প্রায় ২০-২৫ মণ লটকন বিক্রি করেছেন, যা স্থানীয় বাজারে বেশ ভালো দামে বিক্রি হয়েছে। রোকন উদ্দিনের সিলেকশন করা এই জাতের লটকনের স্বাদ নেওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। এর মিষ্টি ও ঈষৎ টক-মিষ্টির যে ভারসাম্য, তা সত্যি চমৎকার। রোকন উদ্দিনের বাগানে গাছ ভর্তি লটকন দেখছিলাম আর গাছ থেকে পাকা লটকন পেড়ে খাচ্ছিলাম। শুধু আমি নই, আমার সঙ্গীরা ও গ্রামের বেশ কয়েকজন। রোকন উদ্দিন আমাকে নিয়ে গেলেন তাঁর গ্রামেরই আরেক বাড়িতে, প্রায় শত বছরের পুরোনো লটকনের একটি মাতৃগাছ দেখাতে। প্রবীণ অথচ এখনো ফলবান গাছটি দেখে মন এক অদ্ভুত ভালো লাগায় ভরে ওঠে। একসময় আমাদের প্রতিটি গ্রামেই ‘জংলা’ বা গভীর অরণ্যের মতো একটা অংশ থাকত। সেখানে প্রাকৃতিকভাবেই লটকন গাছ জন্মাত। কালের বিবর্তনে সেই জঙ্গলগুলো কেটে সাবাড় করা হয়েছে, যার সঙ্গে হারিয়ে গেছে লটকনের প্রাচীন জিন ব্যাংক।

শৈশবগত কয়েক দশকে লটকন দেশের কৃষি অর্থনীতিতে একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও উচ্চ লাভজনক ফসল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এর অর্থনৈতিক ও চাষাবাদসংক্রান্ত সুবিধাগুলো বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি প্রধান দিক দেখতে পাই। লটকন চাষের অন্যতম বড় সুবিধা হলো এর অত্যন্ত কম উৎপাদন খরচ। এই গাছের জন্য কোনো উচ্চমাত্রার রাসায়নিক সার বা অতিরিক্ত কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। একবার একটি লটকন গাছ রোপণ করে তা সঠিকভাবে বড় করতে পারলে, পরবর্তী ২০ থেকে ৩০ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে কোনো বড় ধরনের খরচ ছাড়াই ফলন পাওয়া যায়। লটকন গাছ মূলত ছায়াপ্রেমী। অন্য ফল গাছ যেখানে তীব্র সূর্যালোক খোঁজে, লটকন সেখানে বড় বড় গাছের ছায়ায়, বাড়ির আঙিনায় বা মিশ্র বাগানের ভিতরে অনায়াসেই বেড়ে ওঠে। ফলে জমির বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত হয়। কম বিনিয়োগে অধিক মুনাফা পাওয়ায় এটি দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য একটি টেকসই ও স্থায়ী আয়ের উৎস হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে বছরের নির্দিষ্ট একটি সময়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতে চাঙাভাব আনতে লটকন বড় ভূমিকা রাখছে। ভালুকার নয়নপুরের মতো দেশজুড়ে লটকনের এই বিপুল সম্ভাবনা যদি আমরা একটি সুসংহত শিল্পে রূপান্তর করতে চাই, তবে সনাতনী চাষপদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগাতে হবে। এর জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর লটকনের জাত উন্নয়নে জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে। রোকন উদ্দিনের মতো স্থানীয় উদ্যোক্তারা যে জাতগুলো সিলেকশন করছেন, সেগুলোকে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে বৈজ্ঞানিক উপায়ে অবমুক্ত করতে হবে, যাতে রোগবালাইমুক্ত এবং উচ্চ ফলনশীল জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া যায়। লটকন চাষের সবচেয়ে বড় বাধা হলো ভালো চারার অভাব। সরকারি হর্টিকালচার সেন্টারগুলোর মাধ্যমে কলমপদ্ধতিতে উন্নত জাতের স্ত্রী-গাছের চারা উৎপাদন করে কৃষকদের মধ্যে সুলভ মূল্যে বিতরণের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ বীজ থেকে হওয়া গাছে ফল আসতে সময় বেশি লাগে এবং অনেক সময় তা পুরুষ গাছ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, যা কৃষকের জন্য ক্ষতিকর। লটকনের ফলন পরবর্তী পরিচর্যা, ফল সংগ্রহ এবং রোগবালাই দমনে প্রান্তিক চাষিদের আধুনিক কারিগরি প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

লটকন একটি পচনশীল ফল। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে এর দ্রুত ও আধুনিক বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ায়। কোল্ড স্টোরেজ বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে দেশের এক প্রান্তের ফল অন্য প্রান্তে সতেজ অবস্থায় পৌঁছানো সম্ভব। লটকন দিয়ে জ্যাম, জেলি, জুস বা ক্যান্ডি তৈরির মতো প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তুলতে হবে। বেসরকারি বড় বড় ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কোম্পানিগুলো যদি লটকন প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগ করে, তবে মৌসুমের উদ্বৃত্ত ফল নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচবে এবং কৃষকরা সারা বছরই ভালো দাম পাবেন। ২০০৮ সাল থেকে রপ্তানি শুরু হলেও তা এখনো একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ। বেসরকারি রপ্তানিকারকদের উচিত ইউরোপ, আমেরিকা ও দূরপ্রাচ্যের নতুন নতুন বাজার খোঁজা। এর জন্য আন্তর্জাতিক মানের ‘ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট’ বা রোগমুক্তির সনদ নিশ্চিত করতে সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।

ভালুকার নয়নপুর গ্রামের হাফেজ রোকন উদ্দিন দেখিয়েছেন, কীভাবে নিজের ভিতরের তাড়না থেকে একটি ফসলের জাত উন্নয়নে অবদান রাখা যায়। গ্রামীণ পর্যায়ে এমন হাজারো রোকন উদ্দিন ছড়িয়ে আছেন, যাঁরা আমাদের কৃষির প্রকৃত নায়ক।

তবে ব্যক্তি উদ্যোগের একটি সীমাবদ্ধতা থাকে। আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি, সঠিক বিপণনব্যবস্থাপনা এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের প্রসার ঘটাতে না পারলে এই সম্ভাবনা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হতে পারে। লটকনকে যদি  আমরা বাংলাদেশের সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতিতে আরও বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তনের হাতিয়ার বানাতে চাই, তবে জাত উন্নয়নসহ বহুমুখী গবেষণা এবং এর উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ নিয়ে একটি সুপরিকল্পিত, দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তবেই এ মাঠের ফসল কৃষকের ঘরে সমৃদ্ধি আনবে, আর আমাদের অর্থনীতি হবে আরও বেগবান ও টেকসই।

♦ লেখক : মিডিয়াব্যক্তিত্ব

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সাইবার অপরাধ
সাইবার অপরাধ
নতুন ভিসানীতি
নতুন ভিসানীতি
নবী ও সাহাবাগণের মর্যাদা
নবী ও সাহাবাগণের মর্যাদা
চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ক
চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ক
জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট
জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট
ব্যাংকঋণ প্রবাহ
ব্যাংকঋণ প্রবাহ
ট্রমায় ট্রমা সেন্টার
ট্রমায় ট্রমা সেন্টার
দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন
দাম্পত্যজীবন আগলে রাখুন
ফুটবল উন্মাদনার এপিঠ-ওপিঠ
ফুটবল উন্মাদনার এপিঠ-ওপিঠ
স্বচ্ছতা জবাবদিহি ও সুশাসন
স্বচ্ছতা জবাবদিহি ও সুশাসন
দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ
দাবার ঘুঁটি যখন জীবন্ত মানুষ
গাছহীন ঢাকা
গাছহীন ঢাকা
সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা জিম্বাবুয়ের
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা জিম্বাবুয়ের

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বদলে গেল ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচের সময়!
বদলে গেল ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচের সময়!

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অতিরিক্ত সময়ে গড়াল অস্ট্রেলিয়া ও মিসরের ম্যাচ
অতিরিক্ত সময়ে গড়াল অস্ট্রেলিয়া ও মিসরের ম্যাচ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে বাগড়া দিতে পারে বৈরী আবহাওয়া
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে বাগড়া দিতে পারে বৈরী আবহাওয়া

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, পাঁচ দিনজুড়ে বৃষ্টি; আট জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, পাঁচ দিনজুড়ে বৃষ্টি; আট জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মঘাতী গোলে সমতায় অস্ট্রেলিয়া
আত্মঘাতী গোলে সমতায় অস্ট্রেলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ
শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনার সামনে সেমিফাইনালের 'সহজ' রাস্তা, কেপ ভার্দে পার করলেই অপেক্ষা করছে যারা
আর্জেন্টিনার সামনে সেমিফাইনালের 'সহজ' রাস্তা, কেপ ভার্দে পার করলেই অপেক্ষা করছে যারা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে মিসর
প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে মিসর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির পাশে ছোট কফিনে ১৪ মাসের নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী
খামেনির পাশে ছোট কফিনে ১৪ মাসের নাতনি জাহরা মোহাম্মাদী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব
ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট
জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পোশাক খাতের রপ্তানি আয় কমেছে
পোশাক খাতের রপ্তানি আয় কমেছে

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শনির দশা কাটছে না
শনির দশা কাটছে না

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নকআউটে অস্ট্রেলিয়ার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, মিসরের দাপট
নকআউটে অস্ট্রেলিয়ার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, মিসরের দাপট

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আশুরের গোলে মিসরের লিড
আশুরের গোলে মিসরের লিড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাওডোবা বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচজন গ্রেপ্তার
নাওডোবা বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচজন গ্রেপ্তার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত অটোরিকশা থেকে পড়ে দোকানির মৃত্যু
চলন্ত অটোরিকশা থেকে পড়ে দোকানির মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পুঁচকে কেপ ভার্দের সমর্থনে 'পর্তু-জিল' জোট: মেসিদের বিদায় দেখতে একাট্টা যারা
পুঁচকে কেপ ভার্দের সমর্থনে 'পর্তু-জিল' জোট: মেসিদের বিদায় দেখতে একাট্টা যারা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লাকসামে চুরি হওয়া ২ লাখ টাকা উদ্ধার
লাকসামে চুরি হওয়া ২ লাখ টাকা উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা
সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা
ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফাঁদে আটকে ছটফট করা হরিণকে উদ্ধার বন বিভাগের
ফাঁদে আটকে ছটফট করা হরিণকে উদ্ধার বন বিভাগের

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটচাঁদপুরে মামার লাঠির আঘাতে ভাগ্নে নিহত
কোটচাঁদপুরে মামার লাঠির আঘাতে ভাগ্নে নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান
গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি কমছে, নদীভাঙন অব্যাহত
গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি কমছে, নদীভাঙন অব্যাহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নয় : মির্জা ফখরুল
জামায়াত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নয় : মির্জা ফখরুল

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হরমুজে ফি আরোপকে ‘অনিবার্য’ ভেবে সব দেশের জন্য সমান নীতি চায় ইউরোপ
হরমুজে ফি আরোপকে ‘অনিবার্য’ ভেবে সব দেশের জন্য সমান নীতি চায় ইউরোপ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা অনুমোদনে আনন্দ মিছিল ও গণসংবর্ধনা
দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা অনুমোদনে আনন্দ মিছিল ও গণসংবর্ধনা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খেলতে হবে এমবাপেদের
৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খেলতে হবে এমবাপেদের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
আমির খানের বিয়ে রবিবার, অতিথি তালিকা নিয়ে যা জানা গেল
আমির খানের বিয়ে রবিবার, অতিথি তালিকা নিয়ে যা জানা গেল

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভারতীয় ভিসা নিয়ে বিশেষ বার্তা হাইকমিশনের
ভারতীয় ভিসা নিয়ে বিশেষ বার্তা হাইকমিশনের

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির বিদায় প্রস্তুতির মাঝে দীর্ঘ আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে আসলেন আইআরজিসি প্রধান
খামেনির বিদায় প্রস্তুতির মাঝে দীর্ঘ আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে আসলেন আইআরজিসি প্রধান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল
নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্প থেকে মুখ ফেরালেন সৌদি যুবরাজ?
ট্রাম্প থেকে মুখ ফেরালেন সৌদি যুবরাজ?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোথায় ছিল খামেনির লাশ, কেন এত দেরিতে দাফন প্রক্রিয়া?
কোথায় ছিল খামেনির লাশ, কেন এত দেরিতে দাফন প্রক্রিয়া?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা
শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিরকে বিয়ে করলেন মেক্সিকোর মেয়র!
কুমিরকে বিয়ে করলেন মেক্সিকোর মেয়র!

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী
বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা
ম্যাচ শুরুর আগেই আজ যে কারণে জিতে গেছে আর্জেন্টিনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন
অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবির আট বিভাগ একীভূত করে তিনটি করার প্রস্তাব
ঢাবির আট বিভাগ একীভূত করে তিনটি করার প্রস্তাব

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ব্রাজিলের জন্য যে কারণে এই নরওয়ে আরও ভয়ংকর
ব্রাজিলের জন্য যে কারণে এই নরওয়ে আরও ভয়ংকর

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল
দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান
গুঞ্জনের অবসান, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রকাশ্যে এলেন আইআরজিসি প্রধান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা
সৌদিতে হামলার হুমকি ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের, ইরানের বিমান ঘিরে উত্তেজনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১০০০ গোলের মাইলফলকের আরও কাছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
১০০০ গোলের মাইলফলকের আরও কাছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ক্যামেরায় ধরা পড়ল রহস্যময় বন্যপ্রাণী
ক্যামেরায় ধরা পড়ল রহস্যময় বন্যপ্রাণী

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘মাইক্রোচিপ’ বাঁচিয়ে দিল পর্তুগালকে
‘মাইক্রোচিপ’ বাঁচিয়ে দিল পর্তুগালকে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষায় বসছে ১৮ এইচএসসি পরীক্ষার্থী
শনিবার বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষায় বসছে ১৮ এইচএসসি পরীক্ষার্থী

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ
স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মদ্রিচকে নিয়ে যা বললেন রোনালদো
মদ্রিচকে নিয়ে যা বললেন রোনালদো

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনিকে চিরবিদায়ের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, জানাজা ঘিরে নজিরবিহীন প্রস্তুতি
খামেনিকে চিরবিদায়ের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, জানাজা ঘিরে নজিরবিহীন প্রস্তুতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিফা কি আর্জেন্টিনাকে বিশেষ সুবিধা দেয়— কী বললেন স্কালোনি
ফিফা কি আর্জেন্টিনাকে বিশেষ সুবিধা দেয়— কী বললেন স্কালোনি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এখনো হৃতিকের পরিবারের প্রিয়পাত্র সুজান, আসল সত্য ফাঁস করলেন বোন ফারাহ
এখনো হৃতিকের পরিবারের প্রিয়পাত্র সুজান, আসল সত্য ফাঁস করলেন বোন ফারাহ

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগেই বিশ্বকাপ জয়ের ঘোষণা কেপ ভার্দের
আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগেই বিশ্বকাপ জয়ের ঘোষণা কেপ ভার্দের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদোকে ম্যাচসেরা ঘোষণা, এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময়-তীব্র বিতর্ক
রোনালদোকে ম্যাচসেরা ঘোষণা, এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময়-তীব্র বিতর্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুপুরের মধ্যে ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
দুপুরের মধ্যে ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন রোনালদো
অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন রোনালদো

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চট্টগ্রামে অধরা দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারীরা
চট্টগ্রামে অধরা দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের পর হত্যা
স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের পর হত্যা

দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে পালালেন দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ
যুক্তরাষ্ট্রে পালালেন দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ

মাঠে ময়দানে

শাহজাহান চৌধুরী
শাহজাহান চৌধুরী

শোবিজ

স্পেন যে আছে ভুলতে বসেছিলাম
স্পেন যে আছে ভুলতে বসেছিলাম

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার  ‘সামার স্যালাড’
প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার  ‘সামার স্যালাড’

শোবিজ

বিগ ব্যাং-এর পরেই কি জ্বলে উঠেছিল এই নক্ষত্ররা?
বিগ ব্যাং-এর পরেই কি জ্বলে উঠেছিল এই নক্ষত্ররা?

টেকনোলজি

নাটক ‘আমাদের বিশ্বকাপ’
নাটক ‘আমাদের বিশ্বকাপ’

শোবিজ

তিমির মহাসমাবেশ
তিমির মহাসমাবেশ

পরিবেশ ও জীবন

জল ও যানজটমুক্ত করতে আরও ১২ প্রকল্প
জল ও যানজটমুক্ত করতে আরও ১২ প্রকল্প

নগর জীবন

জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট
জগৎজুড়ে মনুষ্যত্বের সংকট

সম্পাদকীয়

ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি ইয়াছিন সম্পাদক মুন্না
ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি ইয়াছিন সম্পাদক মুন্না

নগর জীবন

বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড
বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড

নগর জীবন

আলুবোখারা চাষে বাজিমাত
আলুবোখারা চাষে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ক
চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ক

সম্পাদকীয়

চীনের শিলিন : পাথরের বনে প্রকৃতির শিল্পকর্ম
চীনের শিলিন : পাথরের বনে প্রকৃতির শিল্পকর্ম

পরিবেশ ও জীবন

খান আতা জোর করেই সিনেমায় আনেন
খান আতা জোর করেই সিনেমায় আনেন

শোবিজ

ই-বর্জ্যরে বিষে ঝুঁকিতে গর্ভের শিশুও
ই-বর্জ্যরে বিষে ঝুঁকিতে গর্ভের শিশুও

পরিবেশ ও জীবন

আকিজ সিমেন্টের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স
আকিজ সিমেন্টের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স

নগর জীবন

গাছ পেল জীবন্ত সত্তা ও আইনি অধিকার
গাছ পেল জীবন্ত সত্তা ও আইনি অধিকার

পরিবেশ ও জীবন

১৭১তম মহান সাঁওতাল বিদ্রোহ (হুল) দিবস
১৭১তম মহান সাঁওতাল বিদ্রোহ (হুল) দিবস

নগর জীবন

ছয় পেশাদার ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
ছয় পেশাদার ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

ভর্তি স্থগিত হচ্ছে রাজশাহীর ১৫৪ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের!
ভর্তি স্থগিত হচ্ছে রাজশাহীর ১৫৪ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের!

নগর জীবন

টি স্পোর্টস
টি স্পোর্টস

মাঠে ময়দানে

একসঙ্গে পাঁচ শিশুর জন্ম
একসঙ্গে পাঁচ শিশুর জন্ম

দেশগ্রাম

মারধরের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ
মারধরের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

জোভান-তটিনীর ‘কাজল চোখের মেয়ে’
জোভান-তটিনীর ‘কাজল চোখের মেয়ে’

শোবিজ

ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে জনসচেতনতামূলক সভা
ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে জনসচেতনতামূলক সভা

দেশগ্রাম

সড়কে চাচি-ভাতিজিসহ ছয়জনের প্রাণহানি
সড়কে চাচি-ভাতিজিসহ ছয়জনের প্রাণহানি

দেশগ্রাম