নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির বলেছেন, ‘কোনো প্রার্থী নির্বাচিত হলেও তার আইন লঙ্ঘন প্রমাণিত হলে, সেটা বাতিল করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে। আমরা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে, প্রয়োজনে সব ধরনের আইন প্রয়োগ করব। কোনো বিশৃঙ্খলা বরদাশত করব না।’
সোমবার দুপুরে আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীকে নিয়ে এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
রায়হান কবির আরও বলেন, ‘কোনো অভিযোগ থাকলে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন। তার পক্ষে সম্ভব হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনাদের প্রতিটি আসনে একজন করে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্য রয়েছেন। তিনি একজন বিচারকও তার কাছে লিখিত অভিযোগ জানাবেন। কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে লিখিত অভিযোগ করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের আপত্তি থাকলে, অভিযোগ থাকলে জানাবেন। নিজেরা সমাধান করতে যাবেন না। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। আপনারা অভিযোগ দেবেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রার্থী একা অথবা নির্বাচনি এজেন্ট নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। কিন্তু প্রচারণা বা ভোট চাইতে পারবেন না। শুধু ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. আসাদুর রহমান, সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান ইমন। বিশেষ অতিথি ছিলেন আড়াইহাজারের আর্মি ক্যাম্পের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল যুবায়ের আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) তাসমিন আক্তার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ও আনসার ভিডিপির জেলা কমান্ডেন্ট কানিজ ফারজানা শান্তাসহ অন্যরা।
সভায় বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ও জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক ইলিয়াস মোল্লাসহ সাত প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।
বিডি-প্রতিদিন/এমই