শিরোনাম
২৬ জুন, ২০২২ ১৯:২৬

বাজেট বাস্তবায়ন, প্রথম বছরেই ‘হোঁচট’ খেলেন মেয়র

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

বাজেট বাস্তবায়ন, প্রথম বছরেই ‘হোঁচট’ খেলেন মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর গত বছরের ২৭ জুন তিনি প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন। রবিবার তিনি তার মেয়াদের দ্বিতীয় বাজেট ঘোষণা করেন। কিন্তু চসিক মেয়র প্রথম অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন ৫০ শতাংশেরও কম। ফলে প্রথম অর্থবছরের ঘোষিত বাজেট বাস্তবায়নে তিনি কারিশমা দেখাতে না পেরে হোঁচট খেয়েছেন।  

আজ রবিবার দুপুরে নগরের থিয়েটার ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে চসিকের ষষ্ঠ নির্বাচিত মেয়র ২০২২-২৩ অর্থ বছরের জন্য ২ হাজার ১৬১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেন। এবারের বাজেটেও অতীতের ধারাবাহিকতায় উন্নয়ন অনুদান এবং কর আদায়কে অন্যতম খাত হিসাবে নির্ধারণ করা হয়।  

জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে চসিক বাজেট ঘোষণা করে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার। অর্থবছর শেষে অর্থ ব্যয় করা হয় ১ হাজার ২০২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার। প্রায় ৪৬ শতাংশ বাজেট বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন। গত অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৪০ কোটি টাকা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চসিক ব্যয় করতে পেরেছে ৬৫৪ কোটি টাকা। গত অর্থ বছরে চসিক সরকার ও দাতা সংস্থা থেকে উন্নয়ন অনুদান খাতে ১ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা পাওয়ার আশা করেছিল। 

কিন্তু চসিক পেয়েছিল ৬৮৯ কোটি টাকা। এবার চসিক সরকার ও দাতা সংস্থার কাছ থেকে অনুদান প্রত্যাশা করেছে ১ হাজার ২১২ কোটি টাকা। গত অর্থ বছরে নিজস্ব উৎস থেকে ৮৫২ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য ঠিক করেছিল। কিন্তু এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৪৭৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এবার নিজস্ব উৎস থেকে ৯০৪ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজেটে সর্বসাকূল্যে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।   

চসিক মেয়র বলেন, নগরে জলাবদ্ধতা ও জলমগ্নতাসহ নানা সমস্যা আছে। চসিক এই নগরের অভিভাবকতুল্য প্রধান সেবা সংস্থা। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে। তাছাড়া, নগরীর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রধান কারণ হলো অবৈধভাবে পাহাড় কাটা এবং খাল, নালা-নর্দমায় বর্জ্য ফেলা। আমরা লক্ষ্য করি, কর্ণফুলী নদী যেভাবে ভরাট হয়ে যাচ্ছে, যেভাবে খাল হয়ে পলিথিন কর্ণফুলী নদীতে যাচ্ছে। তা অব্যাহত থাকলে কর্ণফুলী নদীর মরণদশা হবে। তখন চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর

এই রকম আরও টপিক

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর