শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯ ২২:৪৮

নতুন জাতের বোরো আবাদে ব্যস্ত কৃষক

নাটোর প্রতিনিধি

নতুন জাতের বোরো আবাদে ব্যস্ত কৃষক
চলনবিলে বোরো ধানের চারা রোপণ করছেন কৃষক

বালাইমুক্ত, উৎপাদন সময় কম, খরচ সাশ্রয় এবং ফলন ভাল হওয়ার আশা নিয়ে নতুন জাতের বোরো ধান আবাদের জন্য জমি প্রস্তুত ও রোপণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন নাটোরের কৃষকরা।  বোরো চাষে নতুন জাতের বীজ নিয়ে নতুন আশায় বিশাল কর্মযজ্ঞে নেমেছেন তারা। কৃষি বিভাগের পরামর্শে ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কৃষকরা ইতোমধ্যে নতুন জাতের বীজ (ব্রি- ধান-৮১, ৮২, ৮৪ ও ৫৮ জাতের) রোপণ শুরু করেছেন।  আবহাওয়া ভাল থাকলে এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ অনুকূলে  থাকলে অন্যান্য জাতের তুলনায় একটু আগেই ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এমন আশা করছেন দেশের বৃহত্তম চলনবিল ও হালতিবিলের কৃষকরা। আর কৃষি বিভাগের দাবি এসব নতুন জাতের বোরো ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হলে এই জাতের বীজের উৎপাদনও বাড়বে। এছাড়া কৃষক ভাল ও গুণগত মানের বীজ পাবে। তাদের কারো জন্য অপেক্ষা বা ধর্ণা দিতে হবে না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি ২০১৮-১৯ বোরো মৌসুমে ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৭০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ৫৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। বীজতলা থেকে চারা তুলছেন কৃষকরা। এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে প্রায় ৬২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হতে পারে। হালতিবিলের কৃষক বেলাল হোসেন, আব্দুল গফুর জানান, তারাও পরীক্ষামূলকভাবে নতুন জাতের ধানের বীজ ইতোমধ্যে জমিতে রোপণ করেছেন। আশানুরূপ ফলন হলে আগামীতে আরো বেশি করে এসব জাতের ধান চাষ করবেন এবং বীজ সংগ্রহ করবেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো.রফিকুল ইসলাম  জানান, এবার জেলার বেশির ভাগ কৃষক নতুন নতুন জাতের বীজ সংগ্রহ করেছেন। বিশেষ করে জিরাশাইলের বিপরীতে ব্রি ধান-৮১ জাত, ব্রি জাত-২৮ ও ২৯ এর বিপরীতে ব্রি ধান-৫৮, ৮১ ও ৮৪ জাত, ব্রি ধান ২৯ এর বিপরীতে ব্রি ধান-৫৮ জাত এবং স্বর্ণার বিপরীতে ব্রি ধান-৮২ জাত।  এরপরও কৃষকরা সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ধান বীজ রোপণ করছেন ব্রি ধান ২৮ ও ২৯ জাত।


আপনার মন্তব্য