শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা

পশুর হাটে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

পশুর হাটে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

আর মাত্র পাঁচ দিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গরুর হাটগুলোতে প্রচুর দেশি গরু আমদানি শুরু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে স্থানীয় গ্রাহক থাকলেও বাহির থেকে ব্যাপারী না আসায় অনেকটাই হতাশ বিক্রেতারা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরুত্ব নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও পশুরহাটে তা মানা হচ্ছে না। জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে ইজারদারদের গরুর হাট চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলার পাঁচ উপজেলায় ছোট-বড় ২২-২৩টি গরুর হাটে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এই হাটগুলোতে কোরবানির ঈদের এক মাস আগে থেকেই গরু বিকিকিনি শুরু হয়। এবার করোনাভাইরাস মহামারী তীব্র আকার ধারণ করায় প্রশাসন পশুর হাট বন্ধ করে দেয়। সম্প্রতি স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট চালুর নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা মানছে না কেউ। শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মাহফুজুর রহমান বলেন, হাটগুলোতে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে না পারলে করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে শিবগঞ্জ উপজেলার বৃহত্তম তর্ত্তীপুর ও কানসাট হাট ঘুরে দেখা যায় দেশি গরুর আমদানি বেশি। এই দুই হাটের ইজারাদার মোজাম্মেল হোসেন এবং ডালিম হোসেন বলেন, ঈদ ঘনিয়ে এলেও এখনো হাট জমে উঠেনি। ইজারার আসল টাকা উঠবে কি না সন্দেহ রয়েছে। কারণ হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা কম। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ বছর জেলায় কোরবানি পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার। বিপরীতে ছোট-বড় ১৩ হাজার ১৬২টি খামারে গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৮৬টি। জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ জানান, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের সব গরুর হাটে গবাদিপশু বেচাকেনা করা যাবে। তিনি বলেন, পশুর হাটগুলোতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে।

সর্বশেষ খবর