মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কচুরগুল সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
যাচাইবাছাই শেষে বাংলাদেশি পরিচয়ের বৈধ কোনো কাগজপত্র না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতেই তাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজন পুরুষ, সাতজন নারী ও একজন শিশু রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে গতকাল সকালে ৫২ বিজিবির বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান জানান, ভোরে স্থানীয়দের সহায়তায় ওই ১০ জনকে আটক করা হয়। তাদের পরিচয় যাচাইয়ের সময় বাংলাদেশি নাগরিকত্বের পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। পরে রাতেই তাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইনের বিষয়ে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে ৯ বাংলাদেশি আটক : অবৈধ অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ৯ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। রাজ্যটির মুর্শিদাবাদ জেলার ভগবানগোলা থানার পুলিশ তাদের আটক করে। বৃহস্পতিবার রাতে ভগবানগোলা রেলস্টেশন চত্বর থেকে তাদের আটক করা হয়। তারা প্রত্যেকেই বেশ কয়েক বছর আগে ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ এবং অন্য রাজ্যে কর্মরত ছিলেন। ভারত থেকে ফের অবৈধ পথে বাংলাদেশে যাওয়ার পথে তাদের আটক করা হয় বলে জানা গেছে। তারা সবাই পুরুষ। তাদের গড় বয়স ২৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। গতকাল তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে হোল্ডিং ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হয়।
অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক করে কারাগারে না পাঠিয়ে রাখা হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টারে। পরে তথ্য যাচাইবাছাই করে বিএসএফের হাত ঘুরে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।