রাজধানীর খুচরা বাজারে আবারও বেড়েছে মুরগির দাম। কয়েক সপ্তাহ আগে কেজিতে চালের দাম ২-৪ টাকা বেড়েছিল। সেটা এখনো কমেনি। সবজির দাম স্থিতিশীল। মাছ আগের দামে বিক্রি হচ্ছে।
গতকাল মিরপুর-১১ ও মিরপুর-৬ কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১০-২০ টাকা বেড়ে ১৮০-১৯০ ও সোনালি মুরগি ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া লাল লেয়ার মুরগি ৩৭০ এবং দেশি মুরগি ৭০০-৭২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের লাল ডিম ডজন ১২০ ও সাদা ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া হাঁসের ডিম ডজন ২০০-২২০, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। ভালো মানের চিকন চালের কেজি ৮৫-৮৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের চালের কেজি ৬৫ এবং মোটা চাল ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা, মাঝারি মানের পাইজাম ৫৮-৬৫ টাকা এবং স্বর্ণা ও চায়না ইরি চাল ৫৫-৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেটের মধ্যে প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮৫-৮৮ ও রশিদ মিনিকেটের দাম ৭৮-৮০ টাকায় কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর দামি মিনিকেট মোজাম্মেল বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকায়। সবজির মধ্যে পটল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, ধুন্ধল ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ৫০-৬০, আলু ৩০, পিঁয়াজ ৪০-৫০ এবং কাঁচা মরিচ ১০০-১২০ টাকায় কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। মাঝারি সাইজের লাউ পিস প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়। টম্যাটো ১৫০-১৬০, পেঁপে ৪০-৫০ ও বেগুন ৫০-৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মানভেদে এক ডজন লেবু বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। চিকন মসুর ডাল কেজিপ্রতি ১৬০-১৭০ এবং মোটা মসুর ডাল ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় মুগ ডাল ১৪০, ছোট মুগ ডাল ১৭০, খেসারি ডাল ১০০, বুটের ডাল ১১৫ এবং মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের মধ্যে রুই ও কাতলা কেজিপ্রতি ৩০০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০ এবং তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। চিংড়ির দাম কেজিপ্রতি ৬৫০-৭৫০ টাকা। মাঝারি আকারের কই মাছ ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। টেংরা ৫০০-৭০০, কাচকি মাছ ৪০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৩০০-২৫০০ টাকা।