শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

তেল নিয়ে তেলেসমাতি বন্ধ হোক

ড. মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন
প্রিন্ট ভার্সন
তেল নিয়ে তেলেসমাতি বন্ধ হোক

সারা দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে তেলেসমাতির ফলে যানবাহনচালকদের নাভিশ্বাস ওঠার পাশাপাশি যানবাহন চলাচলে একধরনের অস্থিরতা, স্থবিরতার সৃষ্টি হয়েছে! রাতের বেলা লাইন দিয়ে পরদিন দুপুরে দশ-বারো লিটার তেল পাওয়া যাচ্ছে গাড়িচালকদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে! অথচ সরকারি ভাষ্যে বলা হচ্ছে, আগের মতোই স্বাভাবিক পরিমাণে পাম্পসমূহে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। আবার পাম্পমালিকদের পক্ষ থেকেও বলা হচ্ছে, আগের তুলনায় তারা বেশি পরিমাণ তেল বিক্রি করছেন। কিন্তু তারপরও পাম্পগুলোতে মাইলজুড়ে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে! এ অবস্থায় এখন জাজ্বল্যমান প্রশ্নটি হলো,  সরকারের সরবরাহকৃত এবং পেট্রোলপাম্পের মালিকদের কথিত বিক্রয়কৃত এসব তেল যাচ্ছে কোথায়? কারণ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ট্যাঙ্কে তেল তুলে, সেই তেল তারা বাসায় এনে মজুত করছেন বা অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছেন এ কথাটিও সত্যি নয়!  এ ক্ষেত্রে বাংলা ভাষায় ঢুকে পড়া ফারসি ‘তেলেসমাতি’ শব্দটি এখানে উল্লেখযোগ্য! তেলেসমাতি মানে অদ্ভুত, বিস্ময়কর বা ঐন্দ্রজালিক কোনো ঘটনা। আর আমাদের দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান সরবরাহ, বিক্রয় এবং ব্যবহারে তেমন ঐন্দ্রজালিক বা বিস্ময়কর কোনো ঘটনাই যে ঘটে চলেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই! আর সে ক্ষেত্রে সরকার বা সরকারের কোনো সংস্থা সেই ইন্দ্রজাল, ভেলকি বা কৌশলের গূঢ় রহস্য ভেদ করতে পারছে না কেন সেটাও একটা প্রশ্ন? কারণ সরকার কর্তৃক সরবরাহকৃত তেলের সম্পূর্ণটা যে সড়কপথের যানবাহনে ব্যবহৃত হচ্ছে এই কথাটিও বিশ্বাসযোগ্য নয়! বিশেষ করে ঈদের পরে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে যে ক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত রাজধানীসহ সারা দেশে যানবাহনের পূর্ণ তৎপরতাই শুরু হয়নি সে ক্ষেত্রে সরকারের বলা স্বাভাবিক সরবরাহের কথা বা পাম্পমালিকদের আগের তুলনায় বেশি বিক্রির কথা কিন্তু ধোপে টেকে না! সুতরাং এই দুই পক্ষের কথার মধ্যে কোনো ফারাক বা কৌশল আছে কি না, সে কথাটিও এখানে ভেবে দেখার মতো। আবার এই সুযোগে জ্বালানি তেল নিয়ে কেউ খেলা খেলছেন কি না বা মোটাদাগে বললে কোনো স্যাবোটাজ হচ্ছে কি না, সে বিষয়টিও সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে পারে!

তেল নিয়ে তেলেসমাতি বন্ধ হোকউল্লেখ্য জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে আমাদের সরকারকে বিরাট অঙ্কের অর্থ ভর্তুকি প্রদান করতে হয়। আর এই ভর্তুকির অর্থ সরকারি কোষাগার থেকে জোগান দিতে সরকারকে হিমশিম খেতে হয়! অথচ রাস্তাঘাটে চলাচলের জন্য যানবাহন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকার ভীষণভাবে উদাসীন! এ ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা বিআরটিএ অত্যন্ত উদারতার সঙ্গে সারা দেশে প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন দিয়ে চলেছে! আর রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ সরকার শুধু কিছু পরিমাণ অর্থ পায় বলে এমন বেহিসেবিভাবে যানবাহন রেজিস্ট্রেশন প্রদানের কোনো যুক্তি আছে বলে মনে হয় না। কারণ এ ক্ষেত্রে আমাদের দেশের রাস্তাঘাটের পরিমাণ এবং ধারণক্ষমতা দেখে তারপর নতুন নতুন যানবাহন রাস্তায় নামানোর অনুমোদন দেওয়া উচিত। আর সরকারের হাতে এ বিষয়ে যে পরিসংখ্যান আছে তাতে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে আজ এই মুহূর্ত থেকে নতুন যানবাহন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ না করা হলে দেশের মানুষের জন্য রাস্তাঘাটে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। কারণ তেলের সংকট একসময় কাটিয়ে উঠলেও যানবাহনের যানজটে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়বে। তাই এখন থেকেই এ বিষয়ে সাবধান না হলে সরকারের পাশাপাশি সারা দেশের মানুষও যে বেকায়দায় পড়ে যাবে জনান্ততিকে সে কথাটিও এখানে বলে রাখা হলো! তা ছাড়া ফিটনেসবিহীন পুরোনো লক্কড়ঝক্কড় মার্কা যানবাহন রাস্তায় নামানোর ক্ষেত্রেও সরকারি সংস্থা বিআরটিএ কঠোর ভূমিকা পালন করতে না পারলে অবস্থা বেগতিক হবে। কারণ এসব অতি পুরোনো ফিটনেসবিহীন যানবাহন রাস্তায় যেমন দুর্ঘটনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, তেমনি এসব যানবাহনে অধিক পরিমাণ জ্বালানি তেলেরও প্রয়োজন হয়। সুতরাং কোনোমতেই ফিটনেসবিহীন পুরোনো যানবাহন রাস্তায় চলাচল করতে দেওয়া উচিত নয়। আর এসব ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা বিআরটিএ যদি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ায়, কোনো পরিবহন মালিক সমিতি, শ্রমিকসংগঠনের কাছে মাথা নত না করে কেবল তখনই এসব অবৈধ যানবাহন রাস্তা হতে দূর করা সম্ভব হবে। অন্যথায় আগের মতো বিআরটিএর চেয়ারম্যানের পদসহ অন্যান্য পদপদবি যদি নিলামে তুলে সেসব পদে পোস্টিং দেওয়া হয় এবং সেসব চেয়ারে বসে ঘুষ বাণিজ্য করা হয়। তাহলে কোনো দিনও দেশের রাস্তাঘাটে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। কথাটি এখানে বলে রাখার কারণ হলো, সারা দেশের রাস্তাঘাট, হাইওয়েতে শৃঙ্খলা ফিরে এলে শুধু এই কারণেই কিন্তু প্রায় ২০ ভাগ জ্বালানি তেলের সাশ্রয় হবে। কারণ রাস্তায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলার কারণে, যেনতেনভাবে যেখানে সেখানে এলোপাতাড়ি পার্কিং, মাঝ রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা ইত্যাদি কারণেও প্রচুর জ্বালানি তেল অকারণে পুড়ে নষ্ট হয়। সুতরাং বিআরটিএ নামক সংস্থাটিকে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানোর যে কথা বলা হয়েছে, সে বিষয়েও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করি। পরিশেষে দেশের জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় আরও দুই-একটি কথা বলেই আজকের লেখাটি শেষ করতে চাই।

আমি একজন ভ্রমণপিপাসু। বিশ্বের ৫০টির বেশি দেশ ভ্রমণে বিভিন্ন দেশের রাস্তাঘাটের গতিপ্রকৃতি দেখে আমার এ বিষয়ে খানিকটা অভিজ্ঞতা হয়েছে। আর সে দৃষ্টিকোণ থেকে প্রথমেই যা বলব, আমাদের দেশের রাজধানী শহর স্থানান্তর করা অত্যন্ত জরুরি হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত। স্থানাভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত না বলে শুধু এটুকুই বলব যে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর বেশ ফাঁকা থাকা অবস্থাতেই এবং সেখানে তেমন কোনো যানজট না থাকা সত্ত্বেও দেশটির রাজধানী খানিকটা দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যত চিন্তা করে মালয়েশিয়া সরকার ১৯৯৯ সালে রাজধানী শহরকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরে পুত্রজায়ায় স্থানান্তরিত করেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান সৃষ্টির পর সে দেশটি দুইবার রাজধানী স্থানান্তরিত করে বর্তমানে ইসলামাবাদে একটি দৃষ্টিনন্দন রাজধানী শহর গড়ে তুলেছে, যা এখন পৃথিবীর মানুষের জন্য একটি পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত আমরা ঢাকার মধ্যেই ঢাকা পড়ে রইলাম! এখান থেকে আমাদের নড়নচড়নের চিন্তাভাবনা আছে বলে মনে হয় না! কারণ এখানে এই চাপাচাপি ঠাসাঠাসির মধ্যেই আমরা চাপাবাজি করি, মারামারি, হানাহানি করি! একদিকে যানজট অন্যদিকে মানবজটে আমাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে ওঠে, পৃথিবীর সেরা দূষণের নগরীতে বসবাসের কারণে আমাদের হৃৎপিণ্ডে, ফুসফুসে আলকাতরার মতো কালো দূষিত পদার্থ জমে যায়, তবু আমরা রাজধানী স্থানান্তর করতে চাই না! কারণ এখানে থেকে, এখানে বসে ক্ষমতা দখলের রাজনীতি করা, হানাহানি করা, লগি-বৈঠা নিয়ে মারামারি করা, রাস্তা দখল করে মিটিং, মিছিল করা ইত্যাদি ঘটনা আমাদের অস্থিমজ্জায় মিশে গিয়েছে! সুতরাং এ ক্ষেত্রে কেউ কিছু করবেন বলে মনে হয় না! তবে এই রাজধানী শহর ঢাকা থেকে স্থানান্তর করলে শুধু এ কারণেই যে আরও ১০ ভাগ জ্বালানি তেলের সাশ্রয় হতো সে কথাটিও সত্য! যাক সে কথা। জ্বালানি তেল নিয়ে সবশেষে আরও কিছু বলেই আজকের লেখাটি শেষ করতে চাই। অতীতে বেশ কয়েকটি দিন আমি চীনের বৃহত্তম নগর সাংহাইয়ে অবস্থানের কারণে সেখানকার যানবাহনসংক্রান্ত যে তথ্য পেয়েছিলাম তা হলো পৃথিবীর অন্যান্য শহরের তুলনায় সাংহাই শহরে যানবাহনের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। অথচ সেখানে তেমন কোনো যানজট না দেখে অবাক হওয়ায় পরে জেনেছিলাম, নিবন্ধিত যানবাহনকে সাংহাই শহরে একদিন জোড় সংখ্যার এবং অন্যদিন বেজোড় সংখ্যার নাম্বারপ্লেটবিশিষ্ট গাড়িকে রাস্তায় নামতে দেওয়া হয়। ফলে সেখানে অসহনীয় যানজট সৃষ্টি হয় না। এ অবস্থায় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে বলতে চাই, সাংহাইয়ের উদাহরণটি ঢাকায় বাস্তবায়ন করা যায় কি না, সে বিষয়টিও একটু ভেবে দেখতে পারেন।  আর তা যদি সম্ভব হয়, তাহলে আগামীকাল থেকেই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করলে দেখতে পাবেন, নিমেষেই বর্তমান জ্বালানি তেল সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে! হ্যাঁ, জ্বালানি তেলের বর্তমান তেলেসমাতির ক্ষেত্রে এটিও কিন্তু একটি সমাধান হতে পারে!

♦ লেখক : বীর মুক্তিযোদ্ধা, কলামিস্ট

এই বিভাগের আরও খবর
গাছহীন ঢাকা
গাছহীন ঢাকা
উচ্চশিক্ষার বাতিঘর
উচ্চশিক্ষার বাতিঘর
জুলুমকারীদের পরিণাম
জুলুমকারীদের পরিণাম
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রশিক্ষণ প্রকল্প
প্রশিক্ষণ প্রকল্প
তিস্তা মহাপরিকল্পনা
তিস্তা মহাপরিকল্পনা
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
আলোর অভিযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আলোর অভিযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ইউনূস, ইয়াজিদ ও হোসাইনি ব্রাহ্মণ
ইউনূস, ইয়াজিদ ও হোসাইনি ব্রাহ্মণ
সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
সর্বশেষ খবর
আবারও সেনেগালের গোল
আবারও সেনেগালের গোল

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নাঙ্গলকোটে হাত-পা বেঁধে যুবককে হত্যা, বাবা-মা ও ভাই গ্রেফতার
নাঙ্গলকোটে হাত-পা বেঁধে যুবককে হত্যা, বাবা-মা ও ভাই গ্রেফতার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমার্ধে এগিয়ে সেনেগাল
প্রথমার্ধে এগিয়ে সেনেগাল

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে অনুদান দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল, আবেদন শেষ ২০ জুলাই
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে অনুদান দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল, আবেদন শেষ ২০ জুলাই

৩৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সেনেগালের হয়ে গোল দিলেন দিয়ারা
সেনেগালের হয়ে গোল দিলেন দিয়ারা

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ডিসেম্বরে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট’, ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত
ডিসেম্বরে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট’, ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

টেকনাফে এক লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক
টেকনাফে এক লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লেনদেনে নতুন সুবিধা: মাস্টারকার্ড-এমটিবি-জিপের নতুন প্রিপেইড কার্ড চালু
লেনদেনে নতুন সুবিধা: মাস্টারকার্ড-এমটিবি-জিপের নতুন প্রিপেইড কার্ড চালু

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

ভাঙ্গায় সুমন হত্যার বিচার দাবি
ভাঙ্গায় সুমন হত্যার বিচার দাবি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে শাইন ১০০ ডিএক্স উন্মোচন করল হোন্ডা বাংলাদেশ
দেশে শাইন ১০০ ডিএক্স উন্মোচন করল হোন্ডা বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা
ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শেষ ষোলোর লড়াইয়ের সেনেগাল-বেলজিয়ামের শুরুর একাদশ
শেষ ষোলোর লড়াইয়ের সেনেগাল-বেলজিয়ামের শুরুর একাদশ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে জনপ্রিয় হচ্ছে পুইশাকের বীজ চাষ
ঝিনাইদহে জনপ্রিয় হচ্ছে পুইশাকের বীজ চাষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে
জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বঞ্চিত বেসরকারি খাত
বঞ্চিত বেসরকারি খাত

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাংশায় রোগীর মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালে বিক্ষোভ
পাংশায় রোগীর মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালে বিক্ষোভ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পেলেকে ছাড়িয়ে  নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন
পেলেকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিনেমা হল, যুবকের কারাদণ্ড
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিনেমা হল, যুবকের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখার সেই তিন যুবক ‘উধাও’
রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখার সেই তিন যুবক ‘উধাও’

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাসিরনগরে বাসা থেকে নার্সের মরদেহ উদ্ধার
নাসিরনগরে বাসা থেকে নার্সের মরদেহ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুঠিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতি, ট্রাকসহ ১৯ মহিষ লুট
পুঠিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতি, ট্রাকসহ ১৯ মহিষ লুট

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে ৫৩ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস
জয়পুরহাটে ৫৩ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের
ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

হ্যারি কেইনের জোড়া গোল
হ্যারি কেইনের জোড়া গোল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হ্যারি কেইনের গোলে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের গোলে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়া মহানগর বিএনপির আনন্দ মিছিল
বগুড়া মহানগর বিএনপির আনন্দ মিছিল

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে পানি কমলেও তীব্র নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি
কুড়িগ্রামে পানি কমলেও তীব্র নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা
ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

১৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও
পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা
রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব
ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের
পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ
ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের
সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে
৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি
মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট
হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!
৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন
আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল
ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা
জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি
পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে
মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক
বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল
ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?
ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের প্রেসিডেন্টকে মোদির ফোন, হরমুজ নিয়ে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
ইরানের প্রেসিডেন্টকে মোদির ফোন, হরমুজ নিয়ে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন
আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ‘খুবই সামান্য’, বলছেন হালান্ড
ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ‘খুবই সামান্য’, বলছেন হালান্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে : শিক্ষামন্ত্রী
রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে : শিক্ষামন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু
পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে  মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স
নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল
চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল

নগর জীবন

দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার
দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি
ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

পেছনের পৃষ্ঠা

কালের সাক্ষী বলিহার হাউস
কালের সাক্ষী বলিহার হাউস

পেছনের পৃষ্ঠা

এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার
এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার

পেছনের পৃষ্ঠা

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের
পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত
গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

প্রথম পৃষ্ঠা

অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা
অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

নগর জীবন

রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি
রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি

নগর জীবন

আলু চাষ এখন গলার কাঁটা
আলু চাষ এখন গলার কাঁটা

নগর জীবন

কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে
কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে

পেছনের পৃষ্ঠা

পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি

সম্পাদকীয়

সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে
সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে

নগর জীবন

সরকার জনগণের প্রতি আন্তরিক
সরকার জনগণের প্রতি আন্তরিক

নগর জীবন

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে
নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে

নগর জীবন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ

নগর জীবন

হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের

প্রথম পৃষ্ঠা

গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক
গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক

শোবিজ

ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান
ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান

নগর জীবন

খেলার সময়সূচি
খেলার সময়সূচি

মাঠে ময়দানে

সেতুটি এখন গলার কাঁটা
সেতুটি এখন গলার কাঁটা

দেশগ্রাম