শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

তেল নিয়ে তেলেসমাতি বন্ধ হোক

ড. মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন
প্রিন্ট ভার্সন
তেল নিয়ে তেলেসমাতি বন্ধ হোক

সারা দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে তেলেসমাতির ফলে যানবাহনচালকদের নাভিশ্বাস ওঠার পাশাপাশি যানবাহন চলাচলে একধরনের অস্থিরতা, স্থবিরতার সৃষ্টি হয়েছে! রাতের বেলা লাইন দিয়ে পরদিন দুপুরে দশ-বারো লিটার তেল পাওয়া যাচ্ছে গাড়িচালকদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে! অথচ সরকারি ভাষ্যে বলা হচ্ছে, আগের মতোই স্বাভাবিক পরিমাণে পাম্পসমূহে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। আবার পাম্পমালিকদের পক্ষ থেকেও বলা হচ্ছে, আগের তুলনায় তারা বেশি পরিমাণ তেল বিক্রি করছেন। কিন্তু তারপরও পাম্পগুলোতে মাইলজুড়ে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে! এ অবস্থায় এখন জাজ্বল্যমান প্রশ্নটি হলো,  সরকারের সরবরাহকৃত এবং পেট্রোলপাম্পের মালিকদের কথিত বিক্রয়কৃত এসব তেল যাচ্ছে কোথায়? কারণ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ট্যাঙ্কে তেল তুলে, সেই তেল তারা বাসায় এনে মজুত করছেন বা অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছেন এ কথাটিও সত্যি নয়!  এ ক্ষেত্রে বাংলা ভাষায় ঢুকে পড়া ফারসি ‘তেলেসমাতি’ শব্দটি এখানে উল্লেখযোগ্য! তেলেসমাতি মানে অদ্ভুত, বিস্ময়কর বা ঐন্দ্রজালিক কোনো ঘটনা। আর আমাদের দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান সরবরাহ, বিক্রয় এবং ব্যবহারে তেমন ঐন্দ্রজালিক বা বিস্ময়কর কোনো ঘটনাই যে ঘটে চলেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই! আর সে ক্ষেত্রে সরকার বা সরকারের কোনো সংস্থা সেই ইন্দ্রজাল, ভেলকি বা কৌশলের গূঢ় রহস্য ভেদ করতে পারছে না কেন সেটাও একটা প্রশ্ন? কারণ সরকার কর্তৃক সরবরাহকৃত তেলের সম্পূর্ণটা যে সড়কপথের যানবাহনে ব্যবহৃত হচ্ছে এই কথাটিও বিশ্বাসযোগ্য নয়! বিশেষ করে ঈদের পরে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে যে ক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত রাজধানীসহ সারা দেশে যানবাহনের পূর্ণ তৎপরতাই শুরু হয়নি সে ক্ষেত্রে সরকারের বলা স্বাভাবিক সরবরাহের কথা বা পাম্পমালিকদের আগের তুলনায় বেশি বিক্রির কথা কিন্তু ধোপে টেকে না! সুতরাং এই দুই পক্ষের কথার মধ্যে কোনো ফারাক বা কৌশল আছে কি না, সে কথাটিও এখানে ভেবে দেখার মতো। আবার এই সুযোগে জ্বালানি তেল নিয়ে কেউ খেলা খেলছেন কি না বা মোটাদাগে বললে কোনো স্যাবোটাজ হচ্ছে কি না, সে বিষয়টিও সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে পারে!

তেল নিয়ে তেলেসমাতি বন্ধ হোকউল্লেখ্য জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে আমাদের সরকারকে বিরাট অঙ্কের অর্থ ভর্তুকি প্রদান করতে হয়। আর এই ভর্তুকির অর্থ সরকারি কোষাগার থেকে জোগান দিতে সরকারকে হিমশিম খেতে হয়! অথচ রাস্তাঘাটে চলাচলের জন্য যানবাহন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকার ভীষণভাবে উদাসীন! এ ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা বিআরটিএ অত্যন্ত উদারতার সঙ্গে সারা দেশে প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন দিয়ে চলেছে! আর রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ সরকার শুধু কিছু পরিমাণ অর্থ পায় বলে এমন বেহিসেবিভাবে যানবাহন রেজিস্ট্রেশন প্রদানের কোনো যুক্তি আছে বলে মনে হয় না। কারণ এ ক্ষেত্রে আমাদের দেশের রাস্তাঘাটের পরিমাণ এবং ধারণক্ষমতা দেখে তারপর নতুন নতুন যানবাহন রাস্তায় নামানোর অনুমোদন দেওয়া উচিত। আর সরকারের হাতে এ বিষয়ে যে পরিসংখ্যান আছে তাতে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে আজ এই মুহূর্ত থেকে নতুন যানবাহন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ না করা হলে দেশের মানুষের জন্য রাস্তাঘাটে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। কারণ তেলের সংকট একসময় কাটিয়ে উঠলেও যানবাহনের যানজটে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়বে। তাই এখন থেকেই এ বিষয়ে সাবধান না হলে সরকারের পাশাপাশি সারা দেশের মানুষও যে বেকায়দায় পড়ে যাবে জনান্ততিকে সে কথাটিও এখানে বলে রাখা হলো! তা ছাড়া ফিটনেসবিহীন পুরোনো লক্কড়ঝক্কড় মার্কা যানবাহন রাস্তায় নামানোর ক্ষেত্রেও সরকারি সংস্থা বিআরটিএ কঠোর ভূমিকা পালন করতে না পারলে অবস্থা বেগতিক হবে। কারণ এসব অতি পুরোনো ফিটনেসবিহীন যানবাহন রাস্তায় যেমন দুর্ঘটনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, তেমনি এসব যানবাহনে অধিক পরিমাণ জ্বালানি তেলেরও প্রয়োজন হয়। সুতরাং কোনোমতেই ফিটনেসবিহীন পুরোনো যানবাহন রাস্তায় চলাচল করতে দেওয়া উচিত নয়। আর এসব ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা বিআরটিএ যদি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ায়, কোনো পরিবহন মালিক সমিতি, শ্রমিকসংগঠনের কাছে মাথা নত না করে কেবল তখনই এসব অবৈধ যানবাহন রাস্তা হতে দূর করা সম্ভব হবে। অন্যথায় আগের মতো বিআরটিএর চেয়ারম্যানের পদসহ অন্যান্য পদপদবি যদি নিলামে তুলে সেসব পদে পোস্টিং দেওয়া হয় এবং সেসব চেয়ারে বসে ঘুষ বাণিজ্য করা হয়। তাহলে কোনো দিনও দেশের রাস্তাঘাটে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। কথাটি এখানে বলে রাখার কারণ হলো, সারা দেশের রাস্তাঘাট, হাইওয়েতে শৃঙ্খলা ফিরে এলে শুধু এই কারণেই কিন্তু প্রায় ২০ ভাগ জ্বালানি তেলের সাশ্রয় হবে। কারণ রাস্তায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলার কারণে, যেনতেনভাবে যেখানে সেখানে এলোপাতাড়ি পার্কিং, মাঝ রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা ইত্যাদি কারণেও প্রচুর জ্বালানি তেল অকারণে পুড়ে নষ্ট হয়। সুতরাং বিআরটিএ নামক সংস্থাটিকে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানোর যে কথা বলা হয়েছে, সে বিষয়েও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করি। পরিশেষে দেশের জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় আরও দুই-একটি কথা বলেই আজকের লেখাটি শেষ করতে চাই।

আমি একজন ভ্রমণপিপাসু। বিশ্বের ৫০টির বেশি দেশ ভ্রমণে বিভিন্ন দেশের রাস্তাঘাটের গতিপ্রকৃতি দেখে আমার এ বিষয়ে খানিকটা অভিজ্ঞতা হয়েছে। আর সে দৃষ্টিকোণ থেকে প্রথমেই যা বলব, আমাদের দেশের রাজধানী শহর স্থানান্তর করা অত্যন্ত জরুরি হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত। স্থানাভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত না বলে শুধু এটুকুই বলব যে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর বেশ ফাঁকা থাকা অবস্থাতেই এবং সেখানে তেমন কোনো যানজট না থাকা সত্ত্বেও দেশটির রাজধানী খানিকটা দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যত চিন্তা করে মালয়েশিয়া সরকার ১৯৯৯ সালে রাজধানী শহরকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরে পুত্রজায়ায় স্থানান্তরিত করেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান সৃষ্টির পর সে দেশটি দুইবার রাজধানী স্থানান্তরিত করে বর্তমানে ইসলামাবাদে একটি দৃষ্টিনন্দন রাজধানী শহর গড়ে তুলেছে, যা এখন পৃথিবীর মানুষের জন্য একটি পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত আমরা ঢাকার মধ্যেই ঢাকা পড়ে রইলাম! এখান থেকে আমাদের নড়নচড়নের চিন্তাভাবনা আছে বলে মনে হয় না! কারণ এখানে এই চাপাচাপি ঠাসাঠাসির মধ্যেই আমরা চাপাবাজি করি, মারামারি, হানাহানি করি! একদিকে যানজট অন্যদিকে মানবজটে আমাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে ওঠে, পৃথিবীর সেরা দূষণের নগরীতে বসবাসের কারণে আমাদের হৃৎপিণ্ডে, ফুসফুসে আলকাতরার মতো কালো দূষিত পদার্থ জমে যায়, তবু আমরা রাজধানী স্থানান্তর করতে চাই না! কারণ এখানে থেকে, এখানে বসে ক্ষমতা দখলের রাজনীতি করা, হানাহানি করা, লগি-বৈঠা নিয়ে মারামারি করা, রাস্তা দখল করে মিটিং, মিছিল করা ইত্যাদি ঘটনা আমাদের অস্থিমজ্জায় মিশে গিয়েছে! সুতরাং এ ক্ষেত্রে কেউ কিছু করবেন বলে মনে হয় না! তবে এই রাজধানী শহর ঢাকা থেকে স্থানান্তর করলে শুধু এ কারণেই যে আরও ১০ ভাগ জ্বালানি তেলের সাশ্রয় হতো সে কথাটিও সত্য! যাক সে কথা। জ্বালানি তেল নিয়ে সবশেষে আরও কিছু বলেই আজকের লেখাটি শেষ করতে চাই। অতীতে বেশ কয়েকটি দিন আমি চীনের বৃহত্তম নগর সাংহাইয়ে অবস্থানের কারণে সেখানকার যানবাহনসংক্রান্ত যে তথ্য পেয়েছিলাম তা হলো পৃথিবীর অন্যান্য শহরের তুলনায় সাংহাই শহরে যানবাহনের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। অথচ সেখানে তেমন কোনো যানজট না দেখে অবাক হওয়ায় পরে জেনেছিলাম, নিবন্ধিত যানবাহনকে সাংহাই শহরে একদিন জোড় সংখ্যার এবং অন্যদিন বেজোড় সংখ্যার নাম্বারপ্লেটবিশিষ্ট গাড়িকে রাস্তায় নামতে দেওয়া হয়। ফলে সেখানে অসহনীয় যানজট সৃষ্টি হয় না। এ অবস্থায় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে বলতে চাই, সাংহাইয়ের উদাহরণটি ঢাকায় বাস্তবায়ন করা যায় কি না, সে বিষয়টিও একটু ভেবে দেখতে পারেন।  আর তা যদি সম্ভব হয়, তাহলে আগামীকাল থেকেই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করলে দেখতে পাবেন, নিমেষেই বর্তমান জ্বালানি তেল সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে! হ্যাঁ, জ্বালানি তেলের বর্তমান তেলেসমাতির ক্ষেত্রে এটিও কিন্তু একটি সমাধান হতে পারে!

♦ লেখক : বীর মুক্তিযোদ্ধা, কলামিস্ট

এই বিভাগের আরও খবর
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
গাজীপুরে পাঁচ হত্যাকাণ্ড
গাজীপুরে পাঁচ হত্যাকাণ্ড
উন্নয়নের স্বার্থে
উন্নয়নের স্বার্থে
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
লোকসানে রেল
লোকসানে রেল
সাইবার অপরাধ
সাইবার অপরাধ
ইব্রাহিম (আ.)-এর আদর্শ
ইব্রাহিম (আ.)-এর আদর্শ
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়ে কথা
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়ে কথা
টাকা ছাপানোই কি সমাধান?
টাকা ছাপানোই কি সমাধান?
কেমন আছেন মায়েরা
কেমন আছেন মায়েরা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
খাদ্যে ভেজাল
খাদ্যে ভেজাল
সর্বশেষ খবর
ফুটপাতে হাঁটার জায়গা নেই যানজট-জনজটে হাঁসফাঁস
ফুটপাতে হাঁটার জায়গা নেই যানজট-জনজটে হাঁসফাঁস

১ সেকেন্ড আগে | নগর জীবন

সমন্বয়হীন খোঁড়াখুঁড়িতে দুর্ভোগ
সমন্বয়হীন খোঁড়াখুঁড়িতে দুর্ভোগ

৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি
আজকের নামাজের সময়সূচি

৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১১ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১১ মে)

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

সারাদেশে টিসিবির ট্রাকসেল কার্যক্রম শুরু আজ
সারাদেশে টিসিবির ট্রাকসেল কার্যক্রম শুরু আজ

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা ৬ ঘণ্টা আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
টানা ৬ ঘণ্টা আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের আগে মলিনাকে নিয়ে দুঃসংবাদ
বিশ্বকাপের আগে মলিনাকে নিয়ে দুঃসংবাদ

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুটিংয়ে গুরুতর আহত জনপ্রিয় অভিনেতা, ফেটে গেছে হাড়
শুটিংয়ে গুরুতর আহত জনপ্রিয় অভিনেতা, ফেটে গেছে হাড়

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫১
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২
নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন
মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা
প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫
তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার
ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল
সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল
সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ
প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো
বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা

৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল
গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন
হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হান্টাভাইরাস আতঙ্কে নোঙর করা প্রমোদতরী থেকে যাত্রী সরানো শুরু
হান্টাভাইরাস আতঙ্কে নোঙর করা প্রমোদতরী থেকে যাত্রী সরানো শুরু

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা
রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়
শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট
ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে
বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?
ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান
উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে
৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান
যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়
শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩
পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা
উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি
হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’
‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান
টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’
‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান
ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে ১৩ বলের ফিফটিতে উর্ভিলের রেকর্ড
আইপিএলে ১৩ বলের ফিফটিতে উর্ভিলের রেকর্ড

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প
বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে উল্টো গণপিটুনির শিকার যুবক
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে উল্টো গণপিটুনির শিকার যুবক

২১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট
হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

ভক্তদের মাঝে হামজা
ভক্তদের মাঝে হামজা

মাঠে ময়দানে

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

ভরসা এখন স্পিনাররাই
ভরসা এখন স্পিনাররাই

মাঠে ময়দানে

অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি
অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা