Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:২২

শুরুতেই কি গোল উৎসব?

মারিয়াদের প্রতিপক্ষ বাহরাইন

ক্রীড়া প্রতিবেদক

শুরুতেই কি গোল উৎসব?

আশা জেগেছিল ফুটবলে পুরুষ জাতীয় দলকে ঘিরে। যারা জিততে ভুলে গিয়েছিল তারাই কি না ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল। বিশেষ করে এশিয়ান গেমসে নক আউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ায় বিস্ময়ের জন্ম দেয় জামাল-সুফিলরা। যাকে ঘিরে বড় হতাশা সেই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও প্রথম দুই ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবু জ্বলে উঠেও নিভে গেল আশার প্রদীপটা। আগের তিন আসরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়। এবারও ঘরের মাঠে সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ। হতাশা দিয়েই আরেকটি সাফ মিশন শেষ করল মূল জাতীয় দল।

ছেলেরা না পারলেও মেয়েরা ঠিকই ফুটবলে বিজয়ের পতাকা ওড়াচ্ছে। এই তো কিছুদিন আগেও অনূর্ধ্ব-১৫ সাফে মারিয়ারা পাকিস্তানকে ১৬ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল। ফাইনালে উঠেছিল ঠিকই। দুর্ভাগ্য তারা আর শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি। সেই কষ্টের মিশন ভুলে মারিয়ারা আবার দেশকে উৎসবে ভাসাতে নতুন চ্যালেঞ্জে নামছে।

সাফ নয়, মিশন এবার এশিয়ার। এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ বাছাই পর্বে ‘এফ গ্রুপে’ প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কিশোরীরা আজ মুখোমুখি হচ্ছে বাহরাইনের বিপক্ষে। কমলাপুর বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

পুরুষ জাতীয় দল যে কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে নামলেও প্রশ্ন উঠে পারবে কী বাংলাদেশ? কিন্তু সাবিনা বা মারিয়ারা যখন খেলে বলা হয় উৎসবটা বড় না ছোট ব্যবধানে? ফুটবলে অঘটন ঘটতেই পারে। পচা শামুকেও অনেক সময় পা কাটা যায়। কিন্তু প্রতিপক্ষটা বাহরাইন বলেই মারিয়াদের যাত্রাটা জয় দিয়েই হবে তা ধরে নেওয়া যায়। শনিবারই ঢাকায় এফ গ্রুপের খেলা শুরু হয়েছে। প্রথম ম্যাচেই বাহরাইনের কিশোরীরা গোল বন্যায় ভেসে গেছে। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ লেবাননের কাছে ৮-০ গোলে হেরে বুঝিয়ে দেয় তাদের দৌড় কতটুকু।

লেবানন যখন পেরেছে তখন বাংলাদেশও জিতবে এই আশা করা যেতেই পারে। কিন্তু ব্যবধান বড় না ছোট এটাই বড় প্রশ্ন। অনেকে বলেন ১ গোল হলেও জয় ১০ গোল হলেও তাই। সুতরাং ব্যবধান নিয়ে ভাবার কিছু নেই। কিন্তু মারিয়ারা তো আবার প্রতিপক্ষদের বস্তা ভরা গোল উপহার দেয়। সে জন্যই তো ব্যবধানের প্রসঙ্গটা চলে আসে বার বার। লেবানন যখন বাহরাইনকে পাত্তাই দেয়নি। তখন বড় ব্যবধান না হোক বাংলাদেশের শুরুটা যে জয়ে দিয়ে হবে এ আশাতো করা যেতেই পারে। এএফসি কাপের এই টুর্নামেন্টে গতবার বাছাই পর্ব পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বও খেলেছিল। এবারও মারিয়াদের লক্ষ্য একই অর্থাৎ শিরোপা। সত্যি বলতে কি বাছাই পর্ব পাড়ি দেওয়াটা বাংলাদেশের জন্য আহামরি কিছু নয়। ভিয়েতনাম মূলত শক্তিশালী দল। লেবাননের মেয়েরাও ভালো খেলে। তারপরও বাংলাদেশ পারবে এই বিশ্বাসটা সবারই রয়েছে। কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন ও মারিয়ারা দৃঢ় কণ্ঠেই বলেছেন লক্ষ্য আমাদের একটাই শিরোপা। মারিয়ারা যা বলে তা করে দেখিয়েও দেয়। তাই চূড়ান্ত পর্বের আশা করা যেতেই পারে।


আপনার মন্তব্য