শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:৩২, বুধবার, ০৩ মে, ২০২৩ আপডেট:

সরকারের যোগাযোগ উন্নয়নের সুফল ও এবারের ঈদযাত্রা

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভুঁইয়া
অনলাইন ভার্সন
সরকারের যোগাযোগ উন্নয়নের সুফল ও এবারের ঈদযাত্রা

বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক, ভোগান্তিমুক্ত ও নিরাপদ হয়েছে। ঈদ শেষে ফেরার পথেও ভোগান্তি হয়নি। বাস, ট্রেন, লঞ্চ, বিমানসহ যাতায়াতের সব মাধ্যমে এবার ঈদযাত্রা অনেক স্বস্তির হয়েছে। ঈদ যাত্রা ও ফেরার পথে যাতে ভোগান্তি না হয়, তার জন্য সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। চালু করা হয়েছিল মনিটরিং সেল। শৃঙ্খলা বজায় থাকায় কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই ঈদে বাড়ি ফিরেছে মানুষ। সড়কে ছিল না যানজট। সাধারণ মানুষ অনেক শান্তিপূর্ণভাবে ও আনন্দের সঙ্গে ঈদযাত্রা করতে পেরেছে। বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ছোঁয়া লেগেছে সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায়। বিগত বছরগুলোতে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী উন্নয়ন হয়েছে। এবারের ঈদযাত্রায় সেই উন্নয়নের অভূতপূর্ব সুফল ভোগ করেছে দেশবাসী।

সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। সরকারের পর্যাপ্ত নতুন নতুন পরিকল্পনা রয়েছে। সে অনুযায়ী কাজও হচ্ছে। সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশের প্রতিটি প্রান্তে উন্নয়ন ছড়িয়ে পড়বে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম পূর্বশর্ত হলো যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। দেশের আর্থ-সামাজিক একটি দক্ষ পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উৎপাদনের উপকরণের সুষম বণ্টন, উৎপাদিত পণ্যের সুষ্ঠু বাজারজাতকরণ, দেশব্যাপী দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দ্রুত শিল্পায়নের জন্য একটি সুসমন্বিত পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা একটি অত্যাবশ্যকীয় ভৌত অবকাঠামো হিসেবে কাজ করে। সর্বোপরি, বর্তমান বিশ্বায়ন ও বাজার অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক পরিবহন ও যোগাযোগ নেটওয়ার্কের সাথে বাংলাদেশের সংযোগ স্থাপন একান্ত জরুরি। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ছাড়া আধুনিক বিশ্বের সাথে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাল মিলিয়ে চলা কঠিন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই উন্নয়নের সূচনা শুরু। ক্রমান্বয়ে উন্নয়নের গতি বেড়ে আজ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের তালিকায় বাংলাদেশ। এই সময়ে অন্য খাতের ন্যায় ব্যাপক প্রসারিত হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
স্বাধীনতার ৫১ বছরে এসে বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ মেট্রোরেলের যুগে পা দিচ্ছে। মেট্রোরেল সেই স্বপ্নের প্রকল্প যে প্রকল্প ঢাকা শহরকে বর্তমান অবস্থা থেকে আধুনিক কসমোপলিটনে রূপান্তর করবে। মেট্রোরেল ঢাকার ১৫ মিলিয়নের ও বেশি মানুষের জন্য যাতায়াত সহজ করবে এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে গতিশীল করবে, যা অর্থনীতিতে একটি বড় ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করবে।

ঢাকাবাসীর যাতায়াতের একটি সুবিধাজনক মাধ্যম হবে মেট্রোরেল। কারণ, এটি প্রচুর যাত্রীবহন ক্ষমতাসহ একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত পরিবহন সুবিধা প্রদান করবে। এটি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী বহন করবে। প্রতি ৪ মিনিটে প্রতিটি স্টেশনে একটি ট্রেন যাতায়াত করবে। ফলস্বরূপ, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বাসে যেতে যেখানে সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার বেশি সেখানে মেট্রোরেলে উত্তরা থেকে মতিঝিল পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র ৪০ মিনিট। এটি প্রত্যাশিত যে, এ ধরনের পরিবহন মানুষের জীবনধারা পরিবর্তন করে এবং তাদের উৎপাদনশীল সময় বৃদ্ধি করে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। করোনা মহামারীর কারনে প্রকল্পের কাজে কিছুটা বিলম্ব হলে ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ জন নেত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রথম মেট্রোরেল উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পর সাধারণের জন্য বৈদ্যুতিক এই ট্রেন চলাচল শুরু করবে। প্রথম দিকে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার পথে ছুটবে মেট্রোরেল। দ্বিতীয় ধাপে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে এবং এরপর কমলাপুর পর্যন্ত অংশ চালু করা হবে।

পদ্মা বহুমুখী সেতু আজ আর স্বপ্ন নয়, দৃশ্যমান বাস্তবতা। প্রমত্তা পদ্মার উপর নির্মিত হয়েছে স্বপ্নের সেতু। এ সেতু বাংলাদেশের গৌরব এবং সক্ষমতার প্রতীক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহসী সিদ্ধান্তে নিজস্ব অর্থায়নে এ সেতুর নির্মাণ কাজ হয়েছে। পদ্মা সেতু উন্মোচন করেছে সাফল্য আর সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। উন্নয়নের সূচকে যোগ করেছে নবমাত্রা। নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬.১৫ কিলোমিটার পদ্মা বহুমুখী সেতু। দুই তলা বিশিষ্ট সেতুর উপরে চার লেনে যানবাহন এবং নিচ দিয়ে চলবে ট্রেন। বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতি বছর দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে বাড়তি ১ দশমিক ২ শতাংশ বা তারও বেশি বাড়তি প্রবৃদ্ধি যুক্ত হবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জিডিপি বাড়বে ২ দশমিক ৩ শতাংশ। পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শুধু ২১টি জেলা নয়, বরং সারা দেশের মানুষ নানাভাবে উপকৃত হয়েছে।

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণ করা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর নিচে প্রথম টানেল নির্মাণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও স্বপ্নদর্শী নেতৃত্বের এক অনন্য উদাহরণ। চারলেন বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে দুটি টিউব থাকবে, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াই কিলোমিটার। টানেলের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে প্রায় সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার এপ্রোচ সড়ক এবং সাত’শ মিটার ওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। টানেল নির্মাণের ফলে চট্টগ্রাম শহর ‘ওয়ান সিটি এন্ড টু টাউন’ মডেলে গড়ে উঠবে, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ার পাশাপাশি এশিয়ান হাইওয়ের সাথে সংযোগ স্থাপিত হবে। চট্টগ্রাম বন্দর ও প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরের সুষ্ঠু কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা সহজতর হবে। কর্ণফুলী নদীর পূর্বপ্রান্তের প্রস্তাবিত শিল্প এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত চট্টগ্রাম শহর, বন্দর ও বিমান বন্দরের সাথে উন্নত ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবে।

বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট-বিআরটি গাজীপুরের সাথে ঢাকা মহানগরীর যাতায়াত সহজতর করতে গাজীপুর হতে বিমানবন্দর পর্যন্ত সাড়ে চার কিলোমিটার এলিভেটেড বাস লেনসহ সাড়ে বিশ কিলোমিটার ডেডিকেটেড বাস লেন বা বিআরটি নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলেছে। ধীরগতির যানবাহনের জন্য থাকছে আলাদা লেন। এ প্রকল্পের আওতায় দশ লেন বিশিষ্ট টঙ্গী সেতু ছাড়াও ছয়টি ফ্লাইওভার এবং ওভারপাস নির্মাণ করা হবে। সড়কের মাঝ বরাবর দুটি লেন পৃথক করা হবে দ্রুতগতির বাস চলাচলের জন্য।

নতুন নতুন সড়ক ও সেতু নির্মাণের ফলে বদলে যাচ্ছে দেশের আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। গত নভেম্বর মাসে দেশের ২৫ জেলায় এক যোগে ১০০ নতুন সেতু চালু করা হয়েছিলো। এবার দেশের ৫০ জেলায় একসঙ্গে ১০০ সড়ক উদ্বোধন করা হয়েছে। এই সড়কগুলো চালু হওয়াতে দেশীয় ও আন্তঃদেশীয় সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নস হব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি, শিক্ষা-সংস্কৃতির প্রসার হবে। দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে সারাদেশে ২ হাজার ২১ কিলোমিটার সড়ক সচল করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭০ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের মহাসড়ক। বর্তমানে দেশে ২২ হাজার ৪৭৬ কিলোমিটার সড়ক নেটওয়ার্ক আছে। এরমধ্যে আছে ১৩ হাজার ৮০০ কালভার্ট এবং সাড়ে চার হাজার সেতু। এই সড়ক নেটওয়ার্কের মধ্যে তিন হাজার ৯৯১ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক, চার হাজার ৮৯৭ কিলোমিটার আঞ্চলিক সড়ক এবং ১৩ হাজার ৫৮৮ কিলোমিটার জেলা সড়ক রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশে প্রথম এক্সপ্রেসয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গামহাসড়ক, ৮ লেন বিশিষ্ট যাত্রাবাড়ি-কাঁচপুর মহাসড়ক, ৪ লেন বিশিষ্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ঢাকা-ময়মনসিংহ, নবীনগর-ডিইপিজেড-চন্দ্রা, গাজীপুর-টাঙ্গাইলসহ বেশ কিছু মহাসড়কের কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই।

এটি স্পষ্ট যে আওয়ামী লীগ যখনই সরকারে এসেছে যোগাযোগ খাত সব থেকে গুরুত্ব পেয়েছে। সরকারের যোগাযোগবান্ধব নীতির ফলে এখাতে ইতোমধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। দেশের অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান বিকাশ এবং যানবাহন সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় টেকসই সড়ক অবকাঠামো নির্মাণে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। শুধু সড়ক যোগাযোগ নয়, রেলপথ, নদী পথ এবং বিমান প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই উন্নয়ন চলমান। জাতীয় সড়ক মহাসড়কের বাইরেও উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ডে পর্যন্ত রাস্তাঘাট নির্মাণ করা হচ্ছে। গ্রামে-গ্রামে পায়ে চলার পথগুলোও আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে। মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি যেমন হয়েছে, তেমনি চলাচলের সুযোগটাও বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের যোগাযোগ উন্নয়নের সুফল মিলেছে এবারের ঈদযাত্রায়। ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহের পাশাপাশি বাস্তবায়নাধীন ও পরিকল্পনাধীন কার্যক্রম শেষ হলে দৃশ্যমান হবে যোগাযোগ খাতের বৈপ্লবিক পরিবর্তন। উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় নবদিগন্তের উন্মোচন ঘটবে। আনন্দময় ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রার মতোই বাংলাদেশের উন্নয়নের এ অভিযাত্রা দুর্বার গতিতে অব্যাহত থাকুক, এই প্রত্যাশা।

লেখক : কোষাধ্যক্ষ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়