শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৫৩, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

বিশ্বের দৃষ্টি এখন বাংলাদেশের দিকে

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.)
অনলাইন ভার্সন
বিশ্বের দৃষ্টি এখন বাংলাদেশের দিকে

কথায় আছে, যে গাছে যত বেশি ফল ধরে সে গাছের দিকে তত বেশি মানুষের নজর পড়ে। কেউ কেউ, বিশেষ করে পাড়া-প্রতিবেশী সুযোগ পেলে ঢিল মারে এবং অবৈধ পন্থায় কিছু নিজের জন্য পকেটস্থ করার চেষ্টাও করে। ফলহীন গাছ আর ভাঙা ঘরের দিকে কেউ তাকায় না। এই কথাগুলো ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র-রাজনীতিতেও সমানভাবে প্রযোজ্য।

রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ আজ আর ভাঙা ঘর নয়। বিস্তৃত শিকড়ের ওপর দণ্ডায়মান সুশোভিত ফুলে ভরা বিশাল এক সম্ভাবনাময় দেশের নাম এখন বাংলাদেশ। এই কৃতিত্ব সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের মানুষের, যার নেতৃত্ব প্রায় ১৫ বছর ধরে দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইংরেজিতে বলা হয়ে থাকে লিডারশিপ ম্যাটারস।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো লিডার পেয়েছিলাম বলেই আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি। আর তাঁর মেয়ে শেখ হাসিনা আছেন বলেই সামরিক স্বৈরশাসকের কবল থেকে শুধু মুক্ত নয়, সামরিক শাসকের ঔরসজাত রাজনৈতিক অপশক্তি এবং একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধীদের কবল থেকে আমরা বাংলাদেশকে বের করতে পেরেছি বলেই অফুরন্ত সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের দিকে আজ সবার দৃষ্টি পড়েছে। সে জন্যই আমি বলে থাকি, বঙ্গবন্ধু আমাদের বাংলাদেশ দিয়েছেন, আর শেখ হাসিনা সেটা রক্ষা ও সমৃদ্ধ করে চলেছেন। বিশ্বের মানুষ আজ বাংলাদেশের সাফল্যের কথা শুনতে চায়।

বাংলাদেশকে পাশে পেতে চায়। বন্ধুদের চাওয়া কখনো কখনো অস্বস্তিকর হলেও এটিকে আমি ইতিবাচক হিসেবে দেখি। বন্ধুদের চাওয়ার কতটুকু আমরা দিতে পারব, আর পারব না, তা নির্ধারণে বিচক্ষণতার সঙ্গে আমাদের কৌশলী হতে হবে।

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির বাস্তবতায় এখন আর কেউ কারো ওপর জবরদস্তি করতে পারবে না। সে সুযোগ নেই।

বাংলাদেশকে এখন আর কেউ জঙ্গি সন্ত্রাসের দেশ বলতে পারবে না, যেমনটি ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বলা হতো পরবর্তী আফগানিস্তান হবে বাংলাদেশ। আমার দৃষ্টিতে এখন বাংলাদেশের দিকে সবাই তাকাচ্ছে, বিশ্ব অঙ্গনে ডাকা হচ্ছে এবং লাইন ধরে বন্ধুরা বাংলাদেশে আসছেন। বেশি পেছনের ঘটনায় যাব না। গত পাঁচ-ছয় মাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদেশ সফর ও বন্ধু দেশগুলোর সর্বোচ্চ থেকে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশে আগমন এবং তার ভেতর দিয়ে আমরা যেসব বার্তা পেয়েছি সেগুলোর সারসংক্ষেপ ও তাৎপর্য অল্প অল্প করে তুল ধরব, অর্থাৎ একটা রিভিউ আর কি।

বিশ্ব পরিস্থিতি যখন সামরিক উত্তেজনা ও যুদ্ধের দামামায় উত্তপ্ত; তখন যুদ্ধ নয়, শান্তির বার্তা নিয়ে গত ২৫ এপ্রিল থেকে চার দিনের জাপান সফরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দেশের সম্পর্ককে যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তা সত্যিই ছিল অভাবনীয় এক চমক। স্বাধীনতার শুরু থেকেই জাপান বাংলাদেশের নিরবচ্ছিন্ন উন্নয়ন সহযোগী। তবে এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে স্ট্র্যাটেজিক বা কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত হলো। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের কৌশলগত সম্পর্ক শুধু দ্বিপক্ষীয় নয়, শুধু আঞ্চলিকও নয়, বৈশ্বিক অঙ্গনেও বাংলাদেশকে অনেক সুবিধা দেবে। ভৌগোলিকভাবে পৃথিবীর সর্ব পূর্বের দেশ হলেও ভূ-রাজনীতির মেরুকরণে জাপান পশ্চিমা বলয়ের অন্যতম প্রভাবশালী নীতিনির্ধারক। তাই জাপানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কের ইতিবাচক প্রভাবে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো মসৃণ হবে। তার প্রমাণ এরই মধ্যে পাওয়া গেছে।

বিশ্বব্যাংকের বিশেষ আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান থেকে সরাসরি ওয়াশিংটনে যান। যে বিশ্বব্যাংক একসময় দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মা সেতুর ঋণ বাতিল করেছে, সেই ব্যাংকের বোর্ডসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আলাদাভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নতুন নির্বাচিত বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা ও আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। ক্রিস্টালিনা বলেছেন, সব বাধাবিপত্তি মোকাবেলা করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো নেতৃত্ব প্রয়োজন (কালের কণ্ঠ, ১ মে ২০২৩)। শেখ হাসিনা ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর আগে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের জন্য আট বিলিয়ন ডলারের সহযোগিতা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এসবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বেলায় বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বড় ধরনের শিফট বা পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।

জাপান, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ যে পশ্চিমা বলয়ের বাইরে নয় তার প্রমাণ পাওয়া যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তাবিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারি আজরা জেয়া যখন ১১ জুলাই থেকে চার দিনের জন্য বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ সফরে আসেন। সঙ্গে ছিলেন আরেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া শাখার সহকারী সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু, যিনি গত জানুয়ারিতেও একবার বাংলাদেশে আসেন। আজরা জেয়ার সফরের আগে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দু-একটি পদক্ষেপ ও কথাবার্তায় বাংলাদেশের এক শ্রেণির মানুষ মনে করেছিল মার্কিন প্রশাসন বোধ হয় শেখ হাসিনাকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। কিন্তু আজরা জেয়ার সফরের পর তারা চুপ হয়ে গেছে। তারা হয়তো এখন বুঝেছে কয়েক ফোঁটা বৃষ্টিতে সাগর তৈরি হয় না।

কিছুদিন ধরে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলিকে যাঁরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই বুঝেছেন এতদঞ্চলে মার্কিন নীতির একটা সামগ্রিকতা ও বৃহত্তর জায়গা আছে। তাতে দক্ষিণ এশিয়ায় যেন আর কখনো আন্ত সীমান্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড না ঘটে তার জন্য ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায়। ২০০৪ সালে চট্টগ্রামে দশ ট্রাক অস্ত্রের চোরাচালান, যেটি আসামের বিদ্রোহীদের জন্য যাচ্ছিল, ধরা পড়ার পর যে কাহিনি প্রকাশ পায় তার পুনরাবৃত্তি রোধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একসঙ্গে কাজ করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। কিছুদিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময়ও বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উচ্চারিত হয়েছে। গত ১৪ বছরে বাংলাদেশ সামগ্রিকভাবে যে উচ্চতায় উঠেছে তাতে উত্তাল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ এখন গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। আজরা জেয়ার সফরের কয়েক দিন আগে জুলাই মাসের শুরুতেই বাংলাদেশ সফরে আসেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল। তারা বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়াদি নিয়ে সব অংশীজনের সঙ্গে কথা বলে। ইউরোপের প্রতিনিধিদল আসার দু-তিন দিন আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব এক দিনের জন্য বাংলাদেশ সফরে আসেন।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের গুরুত্ব এবার বোঝা গেছে সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ব্রিকস ও দিল্লিতে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের সময়। দুটি সংস্থার সদস্য না হয়েও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ আমন্ত্রণে উপস্থিত হয়ে ভাষণ দিয়েছেন এবং বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন, কথাবার্তা বলেছেন। জাতিসংঘের ১৯৩টি দেশের মধ্যে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি দেশ এই সম্মান ও মর্যাদা পেয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এটা বৈশ্বিক অঙ্গনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্রহণযোগ্যতা ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি, আর বাংলাদেশের সক্ষমতার পরিচায়ক। ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়েছে এবং ব্রিকসের অন্যান্য নেতার সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের পরপরই ৯-১০ সেপ্টেম্বরে ছিল দিল্লিতে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন। জি২০ সম্মেলনের পথে এক দিনের জন্য বাংলাদেশ সফরে আসেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে বৈশ্বিক টানাপড়েন এবং বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আমাদের কিছু বন্ধু রাষ্ট্রের আগ্রহ ও অতি আগ্রহের প্রেক্ষাপটে লাভরভের সফরটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ইঙ্গিতবাহী। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, এখনকার রাশিয়ার ভূমিকা ছিল খুবই ডিসাইডিং ও বোল্ড। রাশিয়ার সহযোগিতায় বাংলাদেশ পারমাণবিক প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করছে শিগগিরই, অক্টোবর মাসে পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান বাংলাদেশে আসবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ। একাত্তরের বিজয়ে আমাদের প্রধান এক বন্ধু হলেও স্বাধীনতার পর এবারই রাশিয়ার এত উচ্চ পর্যায়ের কেউ বাংলাদেশ সফরে এলেন। তাতে এই সময়ে বাংলাদেশের গুরুত্বটা রাশিয়ার কাছে কতখানি তার কিছু আভাস পাওয়া যায়। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরে ঢাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিডিয়ায় বলেছিলেন, ‘ফিউ ড্রপস অব ওয়াটার ডু নট মেক সি’, অর্থাৎ কয়েক ফোঁটা বৃষ্টিতেই সাগর হয়ে যায় না।

লাভরভের সফরের পরপরই দিল্লিতে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের একজন সিনিয়র সাংবাদিক তাঁর কলামে লিখেছেন, শেখ হাসিনা এলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন। জি২০-এর সদস্য না হওয়ার পরও মিডিয়ার তৎপরতায় মনে হয়েছে এই সম্মেলনের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের হাস্যোজ্জ্বল অভিব্যক্তিপূর্ণ সেলফির ছবি সারা বিশ্বের মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। কূটনীতিতে কথা না বলেও অনেক বার্তা দেওয়ার রীতি প্রচলিত আছে। এত বড় হাই প্রফাইলের শীর্ষ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে হঠাৎ বা আকস্মিকভাবে একটি ধূলিকণাও নড়ে না, সব কিছু হয় পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে। সম্মেলনের এক ফাঁকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক শেখ হাসিনার পাশে হাঁটু গেড়ে মাতৃসম সম্মানে যেভাবে কথা বলেছেন, তা সত্যিই নজিরবিহীন। এতে বোঝা যায় বিশ্বনেতারা শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশকে কিভাবে দেখছেন।

জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের এত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজ বাসভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা একান্ত ও আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বিশেষ করে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস যেন আগের মতো আর কখনো মাথাচাড়া দিতে না পারে তার ওপর বিশেষভাবে বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, বাংলাদেশ হচ্ছে বিশ্বস্ত বন্ধু ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেশী। জি২০ সম্মেলন শেষ করেই দুই দিনের জন্য বাংলাদেশ সফরে আসেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ। প্রায় ৩৩ বছর পরে ফ্রান্সের কোনো প্রেসিডেন্ট আবার বাংলাদেশে এলেন। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট তৈরির মধ্য দিয়ে মহাশূন্য প্রযুক্তিতে ফ্রান্স এখন বাংলাদেশের প্রধান সহযোগী।

আজকের লেখায় যেসব সাম্প্রতিক ঘটনাবলির সারসংক্ষেপ তুলে ধরলাম তার প্রতি বিস্তৃত নজর দিলে সবাই দেখবেন, বিশ্বের দৃষ্টি এখন বাংলাদেশের ওপর। একটি উন্নয়নশীল দেশ যখন বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে তখন তার অনেক ইতিবাচক দিক থাকে, তবে নেতিবাচক দিক যে থাকে না সেটিও নয়। তাই নীতিনির্ধারকদের সতর্ক ও কৌশলী হওয়া প্রয়োজন।


লেখক : রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়