শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৬, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

আগামী দিনের প্রশাসন : আজকের ভাবনা

মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা
অনলাইন ভার্সন
আগামী দিনের প্রশাসন : আজকের ভাবনা

বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের উত্তরাধিকার। এই ব্যবস্থার কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে; যেমন- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ, কর্মকালীন প্রশিক্ষণ, কিছু ব্যত্যয় ব্যতিরেকে অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, প্রশাসন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান এবং একটি মজবুত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো। এসব কারণে আমাদের প্রশাসন বিভিন্ন সময়ে প্রতিকূল অবস্থায়ও দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা দেখিয়েছে। কিন্তু অন্যদিকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অন্যতম গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে, জনসাধারণের সঙ্গে দূরত্ব।

এ অভিযোগ মোটেও অমূলক নয়। মানুষ বিশ্বাস করে, প্রশাসন সাধারণভাবে শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃত্ব বজায় রাখার মোক্ষম হাতিয়ার। প্রশাসন যতটা দক্ষতার সঙ্গে শাসকের হুকুম তামিল করে, ততটা আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের সেবা করে না। তাত্ত্বিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনায়। সংসদ যে আইন প্রণয়ন করে, নির্বাহী কর্তৃপক্ষ যে নীতি নির্ধারণ করে, প্রশাসন সেগুলোই প্রয়োগ কিংবা বাস্তবায়ন করে। তবে তত্ত্ব এটাও বলে যে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সিদ্ধান্তে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। বাস্তবে এটি না ঘটলে প্রশাসন ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে না এটাই স্বাভাবিক।
প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অদক্ষতার অভিযোগও রয়েছে।

দুই শ বছরের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, এই অভিযোগগুলো অপেক্ষাকৃত সাম্প্রতিক, যা আপাতবিরোধী বা প্যারাডক্সিক্যাল। কারণ সাম্প্রতিক প্রশাসন স্বাধীন রাষ্ট্রকাঠামোর আওতায় কাজ করছে। তবে প্রশাসন সম্পর্কিত কিছু নেতিবাচক ধারণা, যেমন- দুর্নীতি মনোভাব, অহংকার, পদমর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধার মোহ, অংশীদের সঙ্গে পরামর্শ ব্যতিরেকে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার মনোবৃত্তি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা- এ সবই ঔপনিবেশিক মানসিকতারই ধারাবাহিকতা। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, স্বাধীনতার এতকাল পরও প্রশাসন এসব অভিযোগের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি; বরং এগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন অভিযোগ। কাঠামোগতভাবে এবং নীতিগতভাবে বাংলাদেশের প্রশাসন যুক্তরাজ্যের সিভিল সার্ভিসের অনুরূপ।

যুক্তরাজ্যে সংসদীয় তথা মন্ত্রিপরিষদশাসিত সরকারব্যবস্থা প্রচলিত থাকার প্রেক্ষাপটে সেখানে অরাজনৈতিক ক্যারিয়ার সিভিল সার্ভিস বিদ্যমান। প্রশাসনের দলনিরপেক্ষতা ও সিস্টেমের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশে কাঠামোগতভাবে অরাজনৈতিক স্থায়ী সিভিল সার্ভিস চালু থাকলেও এর দলনিরপেক্ষতা বিভিন্ন সময়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। বাংলাদেশের প্রশাসন সম্পর্কে উল্লিখিত অভিযোগগুলো প্রধানত নাগরিক সমাজের কণ্ঠেই উচ্চারিত হয় এবং গণমাধ্যমে এর ব্যাপক প্রচার লক্ষ করা যায়। এ সম্পর্কে নৈর্ব্যক্তিক গবেষণার অপ্রতুলতা থাকলেও রাষ্ট্র, সরকার ও প্রশাসন সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে প্রচলিত ধারণা বা পারসেপশনকে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। জনজীবনে (পাবলিক লাইফ) পারসেপশন বাস্তবতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ যখন ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, তখন তারা সাধারণত তথ্য-উপাত্ত-গবেষণাকর্মের সাহায্য নেয় না, পারসেপশনের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেয়। পাবলিক পারসেপশন যদি তথ্যনির্ভর কিংবা নৈর্ব্যক্তিক না-ও হয়, তাহলে বুঝতে হবে জনসাধারণের সঙ্গে সরকার তথা প্রশাসনের কমিউনিকেশন গ্যাপ রয়েছে। বক্তৃতা বা বিবৃতি কিংবা পত্রমাত্রই কমিউনিকেশন নয়। সে ক্ষেত্রে প্রশাসনের যোগাযোগদক্ষতায় ঘাটতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

বাংলাদেশে সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য আচরণ বিধিমালায় রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের বিধানটি আরো স্পষ্ট। সেখানকার সিভিল সার্ভিস কোডে নিরপেক্ষতার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের অধীনে সমানভাবে দায়িত্ব পালনের কথা। যুক্তরাজ্যের ক্যাবিনেট ম্যানুয়াল ও মিনিস্টারিয়াল কোডে বলা হয়েছে, সিভিল সার্ভিসের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা সমুন্নত রাখবেন এবং সিভিল সার্ভেন্টদের এমন কিছু করতে বলবেন না, যাতে তাঁদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়। এভাবে যুক্তরাজ্যে সিভিল সার্ভেন্টদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দায়িত্ব মন্ত্রীদেরও দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি ও অদক্ষতার সমস্যা নিরসনের প্রকৃষ্ট উপায় হচ্ছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। পদ্ধতিগত সংস্কার, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পারফরম্যান্সকে পুরস্কার ও শাস্তির সঙ্গে যুক্তকরণের মাধ্যমে এটি সম্ভব। জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন এ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে পারে। তবে প্রশাসনিক সংস্কার বিচ্ছিন্নভাবে প্রবর্তন ও বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে রাষ্ট্রকাঠামো তথা সাংবিধানিক সংস্কার, পুলিশ ও বিচারব্যবস্থার সংস্কার এবং নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার। আশা করা যায়, রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার প্রশ্নে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও যথাযথ গুরুত্ব পাবে।

আগামী দিনের প্রত্যাশিত প্রশাসন কর্তৃত্বপরায়ণ হবে না; হবে সেবামুখী। প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব হবে উন্নয়ন, তবে সেটি জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন। শঙ্খ ঘোষের ভাষায়, ‘রাস্তাজুড়ে খড়্গ হাতে দাঁড়িয়ে আছে’ উন্নয়ন নয়। সমাজ পরিবর্তনশীল। যে কারণে জন-আকাঙ্ক্ষা, নাগরিকের প্রত্যাশাও পরিবর্তনশীল। আগামী দিনের নবতর চাহিদা পূরণে মানসিকভাবে প্রস্তুত ও পেশাগতভাবে সক্ষম হতে হবে।

বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বে প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে মোটাদাগে পরিবর্তনের পাঁচটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। প্রথমত, রাজনৈতিক কাঠামো, পরিবেশ ও সংস্কৃতি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই পরিবর্তন হবে অধিকতর গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিকেন্দ্রীভূত। প্রশাসনকে সে অনুযায়ী পুনর্বিন্যস্ত ও প্রস্তুত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, অংশীদারি বা সহযোগিতার কাঠামো। রাষ্ট্র পরিচালনায় রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রত্যকের ভূমিকা ক্রমে জোরদার হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের মতামত আরো বেশি প্রাধান্য পাবে। আগামী দিনের প্রশাসনকে রাজনৈতিক মতাদর্শ ও স্পর্শকাতরতাকে আরো যত্নের সঙ্গে আত্মস্থ করতে হবে এবং অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান যথা-নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, গণমাধ্যম ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রশাসনিক কাজে মনোযোগের কেন্দ্র বা ফোকাস পরিবর্তিত হচ্ছে এবং হবে। 

ঔপনিবেশিক আমলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাজস্ব আদায় ছিল প্রশাসনের মূল দায়িত্ব। পরবর্তীকালে এ দুটি কাজ বজায় থাকলেও গুরুত্ব বেড়ে যায় উন্নয়নের। আগামী দিনের প্রশাসনে অধিকতর গুরুত্ব পাবে অ্যানাবলার বা ফ্যাসিলিটেটরের ভূমিকা। সমাজের প্রতিটি গোষ্ঠী বা অংশ যাতে তাদের নিজস্ব সম্ভাবনা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে সে জন্য তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা করাই হবে প্রশাসনের মূল দায়িত্ব। চতুর্থত, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা। প্রশাসন একদিকে নিজেদের কর্মদক্ষতা ও সেবার মান বাড়াতে প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, অন্যদিকে সমাজের বিভিন্ন অংশ, বিশেষত অনগ্রসর ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যাতে তাদের জীবনমান উন্নয়নে প্রযুক্তির সাহায্য নিতে পারে সে জন্য তাদের প্রয়োজনীয় উৎসাহ ও সহায়তা দেবে। পঞ্চমত, দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। শুরুতেই যেটি বলা হয়েছে, শাসনের মনোবৃত্তি পরিত্যাগ করে সেবার মনোবৃত্তির লালন ও বিকাশ। ঔপনিবেশিক আমলে শাসনের কঠোর মনোবৃত্তির একটি কোমল খোলস ছিল, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় প্যাট্রিমোনিয়ালিজম শাসক, কিংবা প্রশাসক হচ্ছেন জনগণের মা-বাপ। কিন্তু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের মালিক হচ্ছে জনগণ এবং যাঁরা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেন তাঁরা হচ্ছেন জনগণের সেবক।

আগামী দিনের প্রশাসনকে কাঙ্ক্ষিত ভূমিকায় দেখতে হলে সর্বাগ্রে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী ও কার্যকর করতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করতে হবে। নির্বাহী ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের পাশাপাশি প্রশাসনের সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সোশ্যাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি নিশ্চিত করতে হবে। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, গণতন্ত্রের কার্যকারিতার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোই যথেষ্ট নয়। আগামী দিনের প্রশাসনের কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করবে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্কৃতির যথাযথ বিকাশের ওপর। প্রশাসনের উচিত হবে গণতন্ত্র বিকাশের এই প্রক্রিয়াকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান।

লেখক : সাবেক মন্ত্রিপরিষদসচিব।
 
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
প্রতিদিনের সড়কযুদ্ধ: আর কত প্রাণ গেলে বদলাবে বাস্তবতা?
প্রতিদিনের সড়কযুদ্ধ: আর কত প্রাণ গেলে বদলাবে বাস্তবতা?
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
সর্বশেষ খবর
আপিল খারিজ, প্লে-অফে খেলা হচ্ছে না সাউদাম্পটনের
আপিল খারিজ, প্লে-অফে খেলা হচ্ছে না সাউদাম্পটনের

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি খুলতে চাই, চুক্তিতে পৌঁছাতে তাড়াহুড়ো নেই:  ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি খুলতে চাই, চুক্তিতে পৌঁছাতে তাড়াহুড়ো নেই:  ট্রাম্প

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০ বছর পর ইউরোপা লিগের শিরোপা জিতল অ্যাস্টন ভিলা
৩০ বছর পর ইউরোপা লিগের শিরোপা জিতল অ্যাস্টন ভিলা

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গোপন তথ্য ফাঁস: গ্রিনল্যান্ডে ‘চিরস্থায়ী’ সামরিক ঘাঁটি চান ট্রাম্প
গোপন তথ্য ফাঁস: গ্রিনল্যান্ডে ‘চিরস্থায়ী’ সামরিক ঘাঁটি চান ট্রাম্প

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘রকস্টার’ টিজারে শাকিব-মিথিলার রোমান্স, রহস্যের আভাস
‘রকস্টার’ টিজারে শাকিব-মিথিলার রোমান্স, রহস্যের আভাস

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখল কেকেআর
প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখল কেকেআর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কমনওয়েলথ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ
কমনওয়েলথ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরওয়ের সংবাদপত্রে ‘সাপুড়ে মোদী’
নরওয়ের সংবাদপত্রে ‘সাপুড়ে মোদী’

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঋণ খরায় ব্যবসা-শিল্প
ঋণ খরায় ব্যবসা-শিল্প

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের আলোচনায় উঠে এলো গণমাধ্যম সংস্কার, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ করণীয়
বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের আলোচনায় উঠে এলো গণমাধ্যম সংস্কার, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ করণীয়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আটক কর্মীদের নিয়ে উপহাসের ভিডিও ভাইরাল, চটলেন নেতানিয়াহু
আটক কর্মীদের নিয়ে উপহাসের ভিডিও ভাইরাল, চটলেন নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নৌপথে ঈদ যাত্রার প্রস্তুতি দেখতে সদরঘাটে পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
নৌপথে ঈদ যাত্রার প্রস্তুতি দেখতে সদরঘাটে পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

কুষ্টিয়ায় সেতুতে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
কুষ্টিয়ায় সেতুতে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ মে)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচন বর্জনের ডাক
চট্টগ্রামে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচন বর্জনের ডাক

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রিটিশ নাগরিকত্বে আইপিএলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেন আমির
ব্রিটিশ নাগরিকত্বে আইপিএলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেন আমির

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিদিনের সড়কযুদ্ধ: আর কত প্রাণ গেলে বদলাবে বাস্তবতা?
প্রতিদিনের সড়কযুদ্ধ: আর কত প্রাণ গেলে বদলাবে বাস্তবতা?

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বিশ্বকাপ শেষ ফারমিন লোপেজের
বিশ্বকাপ শেষ ফারমিন লোপেজের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরাফা দিবসের ফজিলত
আরাফা দিবসের ফজিলত

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শেরপুরে অটোরিকশা-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫
শেরপুরে অটোরিকশা-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দৌলতপুরে পরীক্ষায় জালিয়াতি, তিন শিক্ষক আটক
দৌলতপুরে পরীক্ষায় জালিয়াতি, তিন শিক্ষক আটক

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন আইরিশ পেসার
বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন আইরিশ পেসার

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২০৩০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নস লিগের আদল হবে ইউরোপের বাছাই
২০৩০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নস লিগের আদল হবে ইউরোপের বাছাই

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খাগড়াছড়িতে পিলাক ও তৈইমাতাই খাল খননের উদ্বোধন
খাগড়াছড়িতে পিলাক ও তৈইমাতাই খাল খননের উদ্বোধন

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাঞ্ছারামপুরে বাড়ছে সড়কে মৃত্যু, এবার প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর
বাঞ্ছারামপুরে বাড়ছে সড়কে মৃত্যু, এবার প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিরাজগঞ্জের কারাগারে থাকা সেই পিআইওকে বরখাস্ত
সিরাজগঞ্জের কারাগারে থাকা সেই পিআইওকে বরখাস্ত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে বিপুল ভেজাল পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ১
শেরপুরে বিপুল ভেজাল পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ১

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জুলাই সনদ নিয়ে মাঠ গরম করার সুযোগ নেই: খায়রুল কবির খোকন
জুলাই সনদ নিয়ে মাঠ গরম করার সুযোগ নেই: খায়রুল কবির খোকন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ হারালেন ৪ শ্রমিক
সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ হারালেন ৪ শ্রমিক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা
বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)
রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা
আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়: পুলিশ
শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়: পুলিশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অব্যবস্থাপনায় ম্লান ৪ ঘণ্টার সুফল, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ফিরেছে ৮-১০ ঘণ্টার ভোগান্তি
অব্যবস্থাপনায় ম্লান ৪ ঘণ্টার সুফল, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ফিরেছে ৮-১০ ঘণ্টার ভোগান্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২
যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম
বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু রামিসা হত্যায় গ্রেফতার সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
শিশু রামিসা হত্যায় গ্রেফতার সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা
যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘এ তরকারি কি আপনারা বাসায় খেতেন’, হাসপাতালের রান্না মুখে দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
‘এ তরকারি কি আপনারা বাসায় খেতেন’, হাসপাতালের রান্না মুখে দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি
রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’
‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?
স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে শান্তই সফল অধিনায়ক
বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে শান্তই সফল অধিনায়ক

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংক বিকেন্দ্রীভূত করা হবে : অর্থমন্ত্রী
পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংক বিকেন্দ্রীভূত করা হবে : অর্থমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গরু বেচাকেনা বিতর্কে বিপাকে বিজেপি
গরু বেচাকেনা বিতর্কে বিপাকে বিজেপি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের মঞ্চে বর-কনের কুস্তি, হারলে সারাজীবন ঘরের কাজ করতে হবে
বিয়ের মঞ্চে বর-কনের কুস্তি, হারলে সারাজীবন ঘরের কাজ করতে হবে

১০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?
ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকালের পদোন্নতি রাতে বাতিল; পরদিন সাময়িক বরখাস্ত বিমানের পরিচালক মিজানুর রশীদ
সকালের পদোন্নতি রাতে বাতিল; পরদিন সাময়িক বরখাস্ত বিমানের পরিচালক মিজানুর রশীদ

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের সবচেয়ে তপ্ত ১০০ শহরের সবগুলোই ভারতে!
বিশ্বের সবচেয়ে তপ্ত ১০০ শহরের সবগুলোই ভারতে!

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে মাটির নিচে মিলল আব্বাসীয় আমলের শতাধিক স্বর্ণখণ্ড
সৌদি আরবে মাটির নিচে মিলল আব্বাসীয় আমলের শতাধিক স্বর্ণখণ্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
রোমহর্ষক জবানবন্দি
রোমহর্ষক জবানবন্দি

প্রথম পৃষ্ঠা

আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপে সিমিনের রেহাই
আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপে সিমিনের রেহাই

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন বাড়ছে খুনাখুনি
কেন বাড়ছে খুনাখুনি

প্রথম পৃষ্ঠা

গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চিন্তা ভারতের
গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চিন্তা ভারতের

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভিতর থেকে ভেঙে যাচ্ছে সমাজ
ভিতর থেকে ভেঙে যাচ্ছে সমাজ

সম্পাদকীয়

রহস্যঘেরা তেঁতুল গাছ
রহস্যঘেরা তেঁতুল গাছ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভারের নিচে দখলের উৎসব
ফ্লাইওভারের নিচে দখলের উৎসব

রকমারি নগর পরিক্রমা

জুলাই শহীদ ও আহত উপকারভোগী বাড়ছে
জুলাই শহীদ ও আহত উপকারভোগী বাড়ছে

পেছনের পৃষ্ঠা

অচল দুদক, সচল হয়রানি
অচল দুদক, সচল হয়রানি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফারাক্কা বাঁধ, দরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ
ফারাক্কা বাঁধ, দরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ

সম্পাদকীয়

শুকনা মরিচে বাজিমাত
শুকনা মরিচে বাজিমাত

নগর জীবন

তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার
তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বেগুনের দামেও সেঞ্চুরি
বেগুনের দামেও সেঞ্চুরি

নগর জীবন

ঢাকনা খোলা ম্যানহোলে দুর্ঘটনার শঙ্কা
ঢাকনা খোলা ম্যানহোলে দুর্ঘটনার শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

সারচার্জের বদলে আসছে সম্পদকর
সারচার্জের বদলে আসছে সম্পদকর

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রামীণ ডানোন ফুডসকে জরিমানা
গ্রামীণ ডানোন ফুডসকে জরিমানা

দেশগ্রাম

শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে অপরাধীর
শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে অপরাধীর

প্রথম পৃষ্ঠা

অর্থনৈতিক চাপ ও সামাজিক অবক্ষয়
অর্থনৈতিক চাপ ও সামাজিক অবক্ষয়

প্রথম পৃষ্ঠা

এক মৌসুমে তিন শিরোপা
এক মৌসুমে তিন শিরোপা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচারহীনতার সংস্কৃতি দায়ী
বিচারহীনতার সংস্কৃতি দায়ী

প্রথম পৃষ্ঠা

উচ্ছেদ অভিযানে হামলা সাংবাদিক-পুলিশসহ আহত ৮
উচ্ছেদ অভিযানে হামলা সাংবাদিক-পুলিশসহ আহত ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

আরাফা দিবসের ফজিলত
আরাফা দিবসের ফজিলত

সম্পাদকীয়

এ তরকারি বাসায় রান্না হলে খেতেন?
এ তরকারি বাসায় রান্না হলে খেতেন?

নগর জীবন

আবার কমল সোনার দাম
আবার কমল সোনার দাম

নগর জীবন

জুলাই সনদ নিয়ে জামায়াত মিথ্যাচার করছে
জুলাই সনদ নিয়ে জামায়াত মিথ্যাচার করছে

প্রথম পৃষ্ঠা

চামড়ার বাজার পুনরুদ্ধার করতে হবে
চামড়ার বাজার পুনরুদ্ধার করতে হবে

নগর জীবন

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হবে সৈয়দপুর
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হবে সৈয়দপুর

নগর জীবন

চোরের দৌরাত্ম্যে উদ্বিগ্ন নগরবাসী
চোরের দৌরাত্ম্যে উদ্বিগ্ন নগরবাসী

রকমারি নগর পরিক্রমা

ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার
ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

দেশগ্রাম