শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ এপ্রিল, ২০২১ ২২:৫৯

কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি

জাতিকে এগিয়ে নেবে সামনের দিকে

Google News

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষিকে পয়মন্ত খাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও পাকিস্তানি দুঃশাসনে কৃষক নির্মম শোষণের শিকার হয়েছে। ব্রিটিশ আমলে দুর্ভিক্ষে মারা গেছে অখ- বাংলার এক তৃতীয়াংশ মানুষ। কৃষক দলনের কারণেই ব্যাহত হয়েছিল ধানসহ খাদ্য উৎপাদন। পাকিস্তান আমলেও অর্ধাহার-অনাহার ছিল বাঙালির নিয়তি। স্বাধীনতার পর দেশ গঠনে বঙ্গবন্ধু কৃষকবান্ধব নীতি গ্রহণ করেন। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের বেশি উন্নীত হয় তাঁর সময়ে। তার পরও ১৯৭৪ সালের ভয়াবহ বন্যা ডেকে আনে বিপর্যয়। আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয় বাংলাদেশ। খাদ্যাভাবে কষ্ট পায় লাখ লাখ মানুষ। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর অনুসৃত হয় কৃষককে উপেক্ষা করার ভুল নীতি। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দায়িত্ব হাতে নেওয়ার পর কৃষিবান্ধব নীতি অনুসৃত হয়। কৃষক লীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টিভি ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, আওয়ামী লীগ যখন সরকারে এসেছে তখন থেকে কৃষকের আর কোনো কষ্ট করতে হয়নি। কৃষিব্যাংকের মাধ্যমে বর্গাচাষিদের বিনা জামানতে ঋণের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। সারের দাম যা বিএনপি সরকার আমলে ৯০ টাকা ছিল তা ১২ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে উন্নত বীজ উৎপাদন ও সে বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ, যা জাতির পিতার লক্ষ্য ছিল সে লক্ষ্য কার্যকরে সরকার ৭০ ভাগের ওপর ভর্তুকি দিচ্ছে। উন্নতমানের বীজ সরবরাহ, প্রতিটি কৃষি-উপকরণ কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে সেচকাজে কৃষক যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে সেখানে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে এবং কৃষকের বিদ্যুৎ সরবরাহ যাতে নিশ্চিত হয় তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সেচকাজে সোলার প্যানেল ব্যবহারও শুরু হয়েছে। করোনাকালে শিল্পোৎপাদন মার খেলেও ১৭ কোটি মানুষকে খাদ্য উৎপাদন করে বাঁচিয়ে রেখেছেন কৃষক। তাদের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞই থাকা উচিত।