শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৫ জুন, ২০২১ আপডেট:

শেখ হাসিনার পরিবেশ ভাবনা

ওয়াহিদা আক্তার
Not defined
প্রিন্ট ভার্সন
শেখ হাসিনার পরিবেশ ভাবনা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করার সুবাদে যারা প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার একনেক সভায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেতেন, তাদের আমার ভাগ্যবান মনে হতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দর্শন, প্রকল্পের উদ্দেশ্য, কী কাজ তিনি কেন করতে চান তা সহকর্মীদের সঙ্গে অকপটে শেয়ার করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।  প্রতিটি প্রকল্পের পেছনে একটি স্বপ্নজয়ের গল্প থাকত জেনেছি। বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের ভূমিবৈচিত্র্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নখদর্পণে। ক্ষমতায় আসার আগে তিনি দীর্ঘ ২১ বছর বাংলার মাঠ-ঘাটে সংগঠন গোছানোর কাজ ঘুরে দেখেছেন। একটু-আধটু শুনে খুব ইচ্ছে হতো একনেক সভায় অংশগ্রহণ করতে। একদিন সাহস করে বলে ফেলি, তিনি ঠান্ডা স্বরে বললেন, তোমার খুব বেশি ইচ্ছে হলে বল প্ল্যানিং কমিশনে পোস্টিং করিয়ে দিই। ভয়ে আর কোনো দিন যেতে চাইনি। যার যা কাজ তার মধ্যে থাকাটাই তিনি পছন্দ করতেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিভিন্ন সভা ও প্রকল্প উপস্থাপনার সময় থাকার সুযোগ হতো। আমি দেখলাম তাঁর চিন্তাগুলো মৌলিক, যার মূলমন্ত্র ছিল মানুষকে কষ্ট দিয়ে কোনো উন্নয়ন নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের নির্দোষ শিকার বাংলাদেশ। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরূপ পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজনে বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বে এগিয়ে আছে। দুর্যোগ, সাইক্লোন বা ভয়ংকর ঝড়ের পূর্বাভাস পেয়েও মানুষ কেন আশ্রয় কেন্দ্রে যায় না তিনি উপলব্ধি করে বলেন, তোমরা তাদের পোষা প্রাণীগুলোকে আগে আশ্রয় কেন্দ্রে নাও, দেখ ওরাও আপসে চলে যাবে। তাঁর এ গভীর উপলব্ধি বিস্ময় সৃষ্টি করে।

বিশ্বে যে কয়েকজন রাষ্ট্রনায়ক পরিবেশ সংরক্ষণ ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর ওপর বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার মধ্যে অন্যতম প্রধান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর নিজ মাতৃভূমি বদ্বীপ বাংলাদেশকে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব থেকে মুক্ত রাখার সব পরিকল্পনা শেখ হাসিনা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০-এ নিয়েছেন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে। মেগা প্রকল্পগুলোয় পরিবেশের ওপর সব ধরনের প্রভাব নিয়ে একনেকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রকল্প-বিষয়ক প্রতিটি উপস্থাপনা তিনি মনোযোগ দিয়ে দেখে নির্দেশনা দেন। ঢাকা শহরের হাতিরঝিল প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি। তাঁর কঠোর অনুশাসন মেনে বাস্তবায়ন হচ্ছে। পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পানি নির্গমনের পথ ঠিক না করে জলাশয় ভরাট না করা, সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ অনুশাসন প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিপালন করা হয়। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার জনসংখ্যা, ভৌগোলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক পরিবেশের ভিন্নতা রয়েছে। কোনো অঞ্চল হাওর, কোনো অঞ্চল উপকূলীয়, কোনো অঞ্চল পার্বত্য। সার্বিক উন্নয়নের প্রকল্প এসব অঞ্চলের প্রকৃতি, জলবায়ু পরিবেশ ও প্রতিবেশের ওপর লক্ষ্য রেখে নেওয়া হয়।

আজকের লেখাটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন সময়ে উন্নয়ন প্রকল্পের দেওয়া নির্দেশনা। জাতীয় পরিবেশ কমিটির সভা ও ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ মহাপরিকল্পনা সভায় সূচনা বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কিছু নির্দেশনা দিয়েছিলেন যা আমার মনে গেঁথে আছে। তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে আসি। সেই থেকে ঘুরেছি। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করতে পারি ২১ বছর পর। বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়িয়েছি ২১ বছর। তার পরও ঘুরেছি। আওয়ামী লীগ কৃষক লীগের মাধ্যমে গাছ লাগানোর অনুষ্ঠান করি ১৯৮৪ থেকে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। একজন মানুষের শরীরে শিরা-উপশিরায় বাধাহীন রক্ত সঞ্চালনের ওপর তার যেমন সুস্থতা নির্ভর করে, তেমনি বাংলাদেশকে সুস্থ রাখে প্রবহমান নদী, শাখা-নদী, উপনদী এ কথাগুলো প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেন। প্রবহমান নদীগুলোর স্রোত বাধাগ্রস্ত হলে, নদী ভরাট হলে তা দুঃখের কারণ হয়। বাংলাদেশে নদীপথই ছিল একসময় পণ্য পরিবহনের একমাত্র উপায়। পলি জমে জমে রক্তনালিতে ব্লকের মতো নদীগুলো তার প্রবহমানতা হারিয়ে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। প্রতি বছর নদী ড্রেজিং করা হতো একসময়। নদী ড্রেজিং করলে পানি দুই কূল ছাপিয়ে যাবে না। ক্যাপিটাল ড্রেজিং করা হলে সমস্যা মিটবে, নদীর নাব্য বাড়বে। ড্রেজারগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গানবোট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এজন্য দীর্ঘদিন ড্রেজিং না করার ফলে নদী ভরাট হয়ে গেছে। নদীর গভীরতা কমলে নদী চওড়া হয়ে যায়। কিছু কিছু নদী আছে ভাঙনপ্রবণ। রাজবাড়ী অংশে পদ্মা নদী বারবার ভেঙে যায় দেখে তখনকার রাজা পদ্মা নদীকে ‘কীর্তিনাশা’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। এখন নদী অনবরত ড্রেজিং করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নদীগুলোয় ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও মেনটেইন্যান্স ড্রেজিং করে নদী ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রাখতে হবে। ভাঙন হলে দেখা যায় ডুবোচর থাকে। ডুবোচরে আঘাত পেয়ে দুই দিকে ছড়িয়ে পানি পাড়ে আঘাত করে, এতে পাড় ভেঙে যায়। ডুবোচর শনাক্ত করে ড্রেজিং করলে নদী ভাঙন বন্ধ হবে। ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে হলে নদী বাঁচাতে হবে। নদী ড্রেজিং ও ভূমি পুনরুদ্ধার করা হলে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বৃদ্ধি পাবে। মোংলার ঘসিয়াখালী খাল খনন করে নাব্য ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশের কিছু কিছু নদী নিয়মিত ভাঙে যেমন সরিষাবাড়ী, ইসলামপুর নিত্য ভাঙে। বাংলাদেশ মূলত বদ্বীপ। প্রবল বর্ষণে ওপরের মাটি ক্ষয় হয় আবার বন্যা পলি বহন করে এনে ক্ষয় পূরণ করে। বন্যার পানির গতি প্রচন্ড হয়। ১৯৯৮-এর বন্যায় শরীয়তপুরের জাজিরা অঞ্চলে এ অভিজ্ঞতা হয়। এসব অঞ্চলে নদী ভাঙনের বিষয়টি মাথায় রেখে সব স্থাপনা তৈরি করতে হবে। মুন্সীগঞ্জের মানুষ উঁচু এলাকায় দোতলা টিনের ঘর এমনভাবে তৈরি করে যেন প্রয়োজনে সরিয়ে নিতে পারে। ১৯৮৪-৮৫ সালে মনু নদ বন্যায় প্লাবিত হয়ে গতিপথ পরিবর্তন করে পুরাতন পথে ভেঙেচুরে নিয়ে যায়। নদ-নদীর দুই পাড়ে ঢোলকলমি লাগিয়ে দিলে ভাঙন কম হয়। একসময় আরিচা-দৌলতদিয়া পশুর নদে চাটাই দিয়ে বেঁধে মাটি ফেলা হতো। একসময় ফসলের খেতে লবণপানি ঢোকায় বহু বছর ফসল পাওয়া যেত না। গড়াই নদী খননের পর ভারতের সঙ্গে পানিচুক্তি করে লবণাক্ততা দূর হয়। সেতু নির্মাণের আগে জাপান যমুনা নদীর ওপর সার্বিক জরিপ করে।

২৭ জুন, ২০১৮ সালে ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ মহাপরিকল্পনাটি উপস্থাপন করা হয়। ২০১১ সালে উদ্যোগ নিয়ে মার্চ, ২০১৪-তে শুরু করে ২০১৮-তে শেষ করা হয়। যা নেদারল্যান্ডসের সহায়তায় করা হয়েছে। আগামী ১০০ বছর জনসংখ্যা, জীবন-জীবিকা কেমন হবে তা বিবেচনায় নিয়ে কাজ করা হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য সিনিয়র সচিব শামসুল আলম মহোদয়ের নেতৃত্বে এ মহাপরিকল্পনাটি সম্পন্ন হয়েছে।

বাঁধ নির্মাণের ক্ষেত্রে দেখতে হবে পানি যাবে কোথা দিয়ে। হিমালয় পর্বত অঞ্চলে গাছ কেটে ফেলায় নদীর পলি বেশি আসছে। মেনটেইন্যান্স ড্রেজিং নিয়মিত করার ব্যবস্থা করতে হবে, জলাভূমি সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন হয়নি। বালু উত্তোলনে যথাযথ নির্দেশনা দিতে হবে। কারণ ৪০ বছর ধরে এক জায়গায় বালু উত্তোলন হলে নদী ভাঙন হয়। সময়ে সময়ে পরিবর্তন করা দরকার। তিস্তা ব্যারাজ দুঃখের কারণ পরিকল্পিতভাবে করা হয়নি। তিস্তা নদীর ভারতের অংশে পানি নেই। নদীর বেড উঁচু হয়ে গেছে পলি পড়ায়। আমার দেখা নদী মধুমতি এখন খাল হয়ে গেছে। বর্ষাকালে পানি ধরে রাখতে হবে। বর্ষাকালে ৪৬ কিমি পর্যন্ত চাওড়া হয়ে যায় যমুনা। ভাঙনপ্রবণ নদীর দুই পাশে ৬-৭ কিমি বাফার জোন করা যেতে পারে।

যারা আমার দেশ চেনে না, নদীর চরিত্র জানে না তারা পরিকল্পনা করলে সঠিক হবে না। চর কুকরি-মুকরি, নিঝুমদ্বীপ, স্বর্ণদ্বীপ, ভাসানচরসহ ছোট ছোট চরগুলো কীভাবে ব্যবহার করা যায় ভাবতে হবে। সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ বন বাড়ছে। ২৫০টির মতো ছোট-বড় খাল আছে সুন্দরবনে। শ্যালা নদীর দিয়ে ঘষিয়াখালী চ্যানেল মুখ খুলে দিতে হবে। হোগলাবন বাড়াতে হবে। কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ বন তৈরি করতে হবে। হাওর-বাঁওড় রক্ষা করতে হবে। মাছের চরিত্র উল্টো দিকে যাওয়া, নইলে ডিম পাড়বে না। উপকূলীয় অঞ্চলে বন সৃষ্টি করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। মাটি সংরক্ষণ করে কেওড়া, গেওয়া, কেয়া, তাল গাছ লাগাতে হবে। বনায়ন হলে Land Reclamation হয়। লবণাক্ততা কমলে হোগলাবন বাড়ে, কেওড়াবন বাড়ে। বাঘ সুন্দরবন রক্ষা করে তা মনে রাখতে হবে।

জাতীয় পরিবেশ কমিটির একটি সভায় তিনি স্মৃতিচারণায় বলেন, কক্সবাজারে জলোচ্ছ্বাস রোধে ঝাউ গাছ রোপণ, চরফ্যাশন, মনপুরা, চর কুকরি-মুকরিতে বৃক্ষরোপণ করা, নিঝুমদ্বীপ ও স্বর্ণদ্বীপে বঙ্গবন্ধু জোড়ায় জোড়ায় পশুপাখি ছেড়ে দিয়েছিলেন। স্মৃতিচারণায় তিনি আরও বলেন, একসময় মতিঝিল ঝিল ছিল। পার হয়ে আরামবাগ ফুফুর বাড়িতে যেতে হতো। অনেক বড় ঝিল ও রাস্তার দুই পাড়ে কৃষ্ণচূড়া ঝাড়, বোগেন ভিলিয়া ফুলের ঝাড় ও গাছে গাছে পাখি ছিল। আমি দেখেছি ধানমন্ডির নিকটস্থ লেকের কিছু অংশ ভরাট করে ফ্ল্যাট ও গুলশান লেকের কিছু জমিও দখল করে ফ্ল্যাট করা হয়।

গাজীপুরে শেখ রাসেল এভিয়েশন সাফারি পার্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয় শুধু বন রক্ষার জন্য। বনায়নে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। সামাজিক বনায়নে ৭০/৩০ অংশ ভাগে লোকজন উৎসাহ পায়, যা অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সুরক্ষা ফান্ড সচেতনভাবে ব্যয় করতে হবে। দেশে শিল্পায়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিল্পকারখানায় স্যুয়ারেজ সিস্টেম, এসটিপি/ইটিপি ব্যবস্থা রেখে শিল্পবর্জ্য দূষণমুক্ত করতে হবে। গৃহবর্জ্যরে জন্য পৃথক স্যুয়ারেজ রাখতে হবে। বড় বড় শহরের পাশে বড় নদী সুরক্ষা করতে হবে। ইটিপি/এসটিপি ব্যবহার হয় না বিদ্যুৎ বিলের জন্য এ বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। বর্জ্য রি-সাইক্লিংয়ের ব্যবস্থাও করতে হবে। বুড়িগঙ্গা, বালু, তুরাগ, ধলেশ্বরী নদ-নদীর দূষণ কমাতে হবে। বৃষ্টিপাত তুমুল হলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বেড়ে যাবে এবং নদীদূষণ কমবে।

ঢাকা মহানগরীর মধ্যে সেগুনবাগিচা খাল, ধোলাই খাল, শান্তিনগর খাল, পান্থপথের খাল কালভার্ট করায় ভরাট হয়ে গেছে। আগুন লাগলে নেভানোর জন্য পানিও পাওয়া যায় না। এজন্য হাউজিংগুলোয় জলাধার থাকলে ছাদের পানি যেন জলাধারে পড়ে সে ব্যবস্থা করে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে হবে।

জলবায়ুর ক্ষতি প্রশমন এবং অভিযোজনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে অ্যাডাপটেশন লিডার হিসেবে আভিভর্‚ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এ অর্জনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছেন। পরিশেষে বাংলাদেশের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি সব পরিকল্পনায় তিনি তাঁর নিবিড় পর্যবেক্ষণ কীভাবে তুলে ধরেন তার নীরব সাক্ষী আমরা, যারা তাঁর সঙ্গে কিছুদিন কাজ করার সুযোগ পেয়েছি তারা জানি। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা খসড়া দেখে তিনি নিজ হাতে চার পৃষ্ঠা মতামত তুলে ধরেন। বিনয়াবনত শেখ হাসিনা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম মহোদয়ের কাছে লেখা একটি পত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে আজকের লেখা শেষ করছি। সংশোধিত খসড়াটি তিনি আমার মাধ্যমে প্রেরণ করেন। আমি বিস্ময়াভূত হয়ে ফটোকপি রেখে দিয়েছিলাম, যা পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছিলাম।

‘বিষয় : প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-২০৪১)।

কিছু বিষয় আমার চিন্তায় এসেছে বলে লিখে দিলাম। তবে এর প্রতিটি কথাই গ্রহণ করতে হবে সে ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই। অনেক ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যাখ্যা দিতে চেষ্টা করেছি মাত্র। এখান থেকে যে যে বিষয়গুলি গ্রহণযোগ্য বলে মনে হবে সেগুলি নিতে পারেন। তবে ভাষাটা প্রেক্ষিত পরিকল্পনার প্রস্তুতকৃত লিখন এর সঙ্গে সামঞ্জস্য করে নিবেন। প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে পারেন। হাতের লেখা পড়তে অসুবিধা হলে যে কোন সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।’

লেখক : অতিরিক্ত সচিব।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
প্রাথমিক শিক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা
ব্যাংক লুটপাট
ব্যাংক লুটপাট
কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থাপনা
কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থাপনা
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
‘মানুষ তোমরা ভালো হও’
‘মানুষ তোমরা ভালো হও’
তারেক রহমান যদি কিছু মনে না করেন
তারেক রহমান যদি কিছু মনে না করেন
আড়ি পাতা
আড়ি পাতা
দারিদ্র্য বাড়ছেই
দারিদ্র্য বাড়ছেই
সর্বশেষ খবর
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে টাইফয়েড টিকাদান শুরু ১২ অক্টোবর
ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে টাইফয়েড টিকাদান শুরু ১২ অক্টোবর

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু কমছে সাড়ে ৫ বছর
বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু কমছে সাড়ে ৫ বছর

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু নির্বাচন : প্রথম দিন ডোপ টেস্টের নমুনা দিলেন ৮৭ জন
রাকসু নির্বাচন : প্রথম দিন ডোপ টেস্টের নমুনা দিলেন ৮৭ জন

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া
স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগ : তদন্তে ডিএমপির ৩ সদস্যের কমিটি
শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগ : তদন্তে ডিএমপির ৩ সদস্যের কমিটি

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার দুর্ভিক্ষে মন কাঁদছে হাল্ক অভিনেতার
গাজার দুর্ভিক্ষে মন কাঁদছে হাল্ক অভিনেতার

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ভিনগ্রহে প্রাণের ইঙ্গিত
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ভিনগ্রহে প্রাণের ইঙ্গিত

৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

রাজশাহীতে ফুফুকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
রাজশাহীতে ফুফুকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুলিশের ধাওয়ায় পালালেন যুবক, পিস্তল-গুলি উদ্ধার
পুলিশের ধাওয়ায় পালালেন যুবক, পিস্তল-গুলি উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে ৮ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার
বাগেরহাটে ৮ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি গ্রেফতার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত
শ্রীপুরে যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একাদশ ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ
একাদশ ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদপুরে শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বোয়ালখালীতে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
বোয়ালখালীতে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আগামী দিনের ক্রিকেট তারকারা স্কুল মাঠেই লুকিয়ে আছে: বিসিবি সভাপতি
আগামী দিনের ক্রিকেট তারকারা স্কুল মাঠেই লুকিয়ে আছে: বিসিবি সভাপতি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডুয়েট ও বিআইএমের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
ডুয়েট ও বিআইএমের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় গ্রেফতার শ্রীলঙ্কার মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তি
ইন্দোনেশিয়ায় গ্রেফতার শ্রীলঙ্কার মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেরপুরে ৬৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ
শেরপুরে ৬৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চার বছর ধরে সেইফ হোমে বাক ও মানসিক প্রতিবন্ধী নারী
চার বছর ধরে সেইফ হোমে বাক ও মানসিক প্রতিবন্ধী নারী

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপের আগে সিলেটের মাঠে খেলা বাড়তি সুবিধা হবে : লিটন
এশিয়া কাপের আগে সিলেটের মাঠে খেলা বাড়তি সুবিধা হবে : লিটন

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান
উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল
রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘ইসরায়েলের বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করেছে ইরান’
‌‘ইসরায়েলের বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করেছে ইরান’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক
‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে
জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে আমিরাতে ব্যবসা সরাচ্ছেন ভারতীয়রা
ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে আমিরাতে ব্যবসা সরাচ্ছেন ভারতীয়রা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে
পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা
প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দিচ্ছেন কিম জং উন, থাকবেন পুতিনও
চীনে সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দিচ্ছেন কিম জং উন, থাকবেন পুতিনও

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন
৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা
শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'
'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুপুরের মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস
দুপুরের মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা সীমিত করছেন ট্রাম্প
বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়সীমা সীমিত করছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চোট থেকে ফিরেই মেসির জোড়া গোল, ফাইনালে মায়ামি
চোট থেকে ফিরেই মেসির জোড়া গোল, ফাইনালে মায়ামি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগারগাঁও ‘ব্লকেড’ কর্মসূচির ঘোষণা শেকৃবি শিক্ষার্থীদের
আগারগাঁও ‘ব্লকেড’ কর্মসূচির ঘোষণা শেকৃবি শিক্ষার্থীদের

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার
বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরের পীরগাছায় অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক, এক মাসে ২০০-র বেশি আক্রান্ত
রংপুরের পীরগাছায় অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক, এক মাসে ২০০-র বেশি আক্রান্ত

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বে প্রথম কার্যকরী এইডস টিকা তৈরি করছে রাশিয়া, দাবি রিপোর্টে
বিশ্বে প্রথম কার্যকরী এইডস টিকা তৈরি করছে রাশিয়া, দাবি রিপোর্টে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর
গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে

নগর জীবন

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব

নগর জীবন