শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ জুন, ২০২১ ২৩:২৭

করোনার টিকা সংগ্রহ

অনিশ্চয়তার অবসান স্বস্তিদায়ক

Google News

করোনাভাইরাস প্রতিরোধের টিকা নিয়ে যে গভীর সংকটে পড়েছিল বাংলাদেশ তা কাটতে শুরু করেছে। চীনের কাছ থেকে কেনা দেড় কোটি টিকার ৫০ লাখ যে কোনো সময় দেশে পৌঁছাবে। সপ্তাহখানিক পর আসবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মডার্নার ২৫ লাখ টিকা। শনিবার টুইটারের টুইটে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার জানিয়েছেন মার্কিন জনগণ গ্যাভির মাধ্যমে বাংলাদেশকে মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ করোনার টিকা দিচ্ছে। কোভ্যাক্সের সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী হিসেবে করোনা মোকাবিলায় বিশ্বজুড়ে টিকার সরবরাহ বাড়ানোর ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশে মজুত চীনের সিনোফার্মের ১১ লাখ ডোজ পাবে শিক্ষার্থীরা। প্রথমে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের এরপর পাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। চীনের সিনোফার্মের সঙ্গে দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনার চুক্তি  ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী টিকার দামও পরিশোধ করা হয়েছে। চীন থেকে ইতিপূর্বে উপহারের টিকা যেভাবে বিমান বাহিনীর মাধ্যমে আনা হয়েছে ক্রয়কৃত টিকাও সেভাবেই আসবে। চুক্তি অনুসারে প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ করে টিকা দেবে চীন। বাংলাদেশি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড প্রাথমিকভাবে এক কোটি ডোজ টিকা রাশিয়া থেকে আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে। একই সঙ্গে অত্যাধুনিক কারখানায় কভিড-১৯ প্রতিরোধী রুশ টিকা উৎপাদনের প্রস্তাবও দিয়েছে। বাংলাদেশ টিকা সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে। কথা ছিল দেড় কোটি ডোজ টিকা দেবে তারা। জানুয়ারি মাস থেকে প্রতি মাসে ৫০ লাখ টিকা বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু ৭০ লাখ টিকা সরবরাহের পর যুক্তরাষ্ট্র কাঁচামাল রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলে এবং ভারতে করোনাভাইরাস আক্রান্তের হার ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সে দেশের সরকার টিকা রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। ভারত থেকে টিকা আসবে কি আসবে না তা নিশ্চিত নয়। চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে টিকার চালান এলে এ সংক্রান্ত সংকট মোচন হবে। রাশিয়া থেকে টিকা কেনা এবং দেশে রুশ টিকা উৎপাদন শুরু করা গেলে এ সংক্রান্ত অনিশ্চয়তার অবসান ঘটবে বলে আশা করা যায়।